ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

রাশেদ কবির (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

 

 

ছাত্র নেতা বিন ইয়ামিন মোলা বলেন সেলের ভিতর স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ থাকতে পারেনা।

ফাঁসির আসামীদের সেলে রাখা হতো যেখানে আলো বাতাস কিছু প্রবেশ করেনা যাকে কনডেম সেল বলা হয়।একজন ছাত্র নেতাকে এভাবে মানসিক টর্চা করে কি ফ্যাসিবাদ টিকে থাকবে? কখনোই না।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা কে আজ কোর্টে তুলা হয়েছিলো, বিন ইয়ামিন মোল্লা জজ সাহেবের অনুমতি নিয়ে মহামান্য আদালত কে বলেন, মহামান্য আদালত আমাকে নীচ তলার ১০/১২ ফিট সেলের মধ্যে ২৪ ঘন্টা আটকে রাখা হয়েছে, ১৫ দিন পরপর আবেদন করে ৩০ মিনিটের জন্য সাক্ষাৎ করতে পারে আমার পরিবার। আমাকে যে পরিবেশ রাখা হয়েছে, অন্যকোন রাজনৈতিক মামলার আসামি কে এভাবে রাখা হয় নি। জেলের মধ্যে আমি কারও সাথে কথা বলতে পারেনা। সূর্যের আলো কিংবা বাতাস আমার রুমে পৌঁছে না। ২৪ ঘন্টা লকআপ থাকে ছোট্ট সেলটি। ইয়ামিন নিজে কোর্টে জজ সাহেব কে কথা গুলো বলেছেন এবং তিনি আরো বলেন আমি রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না মনে হয় কে যেনো গোলা টিপে ধরছে, মনে হয় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাত, পায়ের শিরা উপশিরা অবশ হয়ে পড়ছে মনে হচ্ছে দিন দিন শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।

 

এমত অবস্থায় একবার নিজের জায়গা থেকে কল্পনা করেন তো কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এই পরিবেশে থাকতে পারে কি?

কেন একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীকে এভাবে কারাগারে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে?

 

তিনি বাংলাদেশের অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত,ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন এজন্য??

 

ইয়ামিন মামুনেরকে বললো মামুন সকলকে আমার সালাম দিবে আমাকে নিয়ে ভাবতে নিষেধ করিও ছাত্র অধিকার পরিষদ/ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য সহ সকল ছাত্র সংগঠন কে সংগ্রাম জারি রাখতে বলিও।

 

আমার কষ্টকে আমি কষ্ট মনে করিনা। দেশের মানুষ মুক্তি পেলেই আমি খুশি।’

 

ইয়ামিনকে যে পরিবেশে রাখা হয়েছে, সেই বর্ণনা শুনে ইয়ামিন ভাইয়ের মা- বাবা, বোন সহ কান্নায় ফেটে পরে সকলে।

কোর্টে থাকা সকল আইনজীবীরা আবেগ আপ্লুত হয়ে যায়। তখন ইয়ামিন বলে তোমরা কেঁদোনা। কই আমি তো কাঁদছিনা দেশের জন্য রাজনীতি করছি দেশের জন্য যারা রাজনীতি করে তাদের পরিবার কখনো কাঁদে না।

 

তোমরা লড়াইটা চালিয়ে যেও , এই ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে দেশ ও জাতির আগামীর ভবিষ্যৎ কে রক্ষা করিও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

আমি যে অবস্থায় আছি আমি হয়তো মারা যাবো। 

 

 

ছাত্র নেতা বিন ইয়ামিন মোলা বলেন সেলের ভিতর স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ থাকতে পারেনা।

ফাঁসির আসামীদের সেলে রাখা হতো যেখানে আলো বাতাস কিছু প্রবেশ করেনা যাকে কনডেম সেল বলা হয়।একজন ছাত্র নেতাকে এভাবে মানসিক টর্চা করে কি ফ্যাসিবাদ টিকে থাকবে? কখনোই না।

 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা কে আজ কোর্টে তুলা হয়েছিলো, বিন ইয়ামিন মোল্লা জজ সাহেবের অনুমতি নিয়ে মহামান্য আদালত কে বলেন, মহামান্য আদালত আমাকে নীচ তলার ১০/১২ ফিট সেলের মধ্যে ২৪ ঘন্টা আটকে রাখা হয়েছে, ১৫ দিন পরপর আবেদন করে ৩০ মিনিটের জন্য সাক্ষাৎ করতে পারে আমার পরিবার। আমাকে যে পরিবেশ রাখা হয়েছে, অন্যকোন রাজনৈতিক মামলার আসামি কে এভাবে রাখা হয় নি। জেলের মধ্যে আমি কারও সাথে কথা বলতে পারেনা। সূর্যের আলো কিংবা বাতাস আমার রুমে পৌঁছে না। ২৪ ঘন্টা লকআপ থাকে ছোট্ট সেলটি। ইয়ামিন নিজে কোর্টে জজ সাহেব কে কথা গুলো বলেছেন এবং তিনি আরো বলেন আমি রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না মনে হয় কে যেনো গোলা টিপে ধরছে, মনে হয় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাত, পায়ের শিরা উপশিরা অবশ হয়ে পড়ছে মনে হচ্ছে দিন দিন শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে।

 

এমত অবস্থায় একবার নিজের জায়গা থেকে কল্পনা করেন তো কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এই পরিবেশে থাকতে পারে কি?

কেন একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীকে এভাবে কারাগারে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে?

 

তিনি বাংলাদেশের অসহায়, নিপীড়িত, নির্যাতিত,ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্ব করছেন এজন্য??

 

ইয়ামিন মামুনেরকে বললো মামুন সকলকে আমার সালাম দিবে আমাকে নিয়ে ভাবতে নিষেধ করিও ছাত্র অধিকার পরিষদ/ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য সহ সকল ছাত্র সংগঠন কে সংগ্রাম জারি রাখতে বলিও।

 

আমার কষ্টকে আমি কষ্ট মনে করিনা। দেশের মানুষ মুক্তি পেলেই আমি খুশি।’

 

ইয়ামিনকে যে পরিবেশে রাখা হয়েছে, সেই বর্ণনা শুনে ইয়ামিন ভাইয়ের মা- বাবা, বোন সহ কান্নায় ফেটে পরে সকলে।

কোর্টে থাকা সকল আইনজীবীরা আবেগ আপ্লুত হয়ে যায়। তখন ইয়ামিন বলে তোমরা কেঁদোনা। কই আমি তো কাঁদছিনা দেশের জন্য রাজনীতি করছি দেশের জন্য যারা রাজনীতি করে তাদের পরিবার কখনো কাঁদে না।

 

তোমরা লড়াইটা চালিয়ে যেও , এই ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে দেশ ও জাতির আগামীর ভবিষ্যৎ কে রক্ষা করিও।