কুড়িগ্রাম ২ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয় নিয়ে সব দলেই চলছে কোন্দল।
- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:২৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম ২ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয় নিয়ে সব দলেই চলছে কোন্দল।
এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহম্মেদ মঞ্জু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্রাহাম লিংকন, আওয়ামী লীগ নেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক আবু সুফিয়ান। তারা সবাই যার যার মতো করে গণসংযোগ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
কুড়িগ্রামের দুই আসনে অবস্থান ভালো থাকলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বিএনপির জনপ্রিয়তা কমেছে। তৃণমূলের নেতারা জানান, এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা। অন্য গ্রুপে জেলা বিএনপির সভাপতি তাসবিরুল ইসলাম।
এখানে মনোনয়ন চাইতে পারেন দলটির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক সোহেল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থী হওয়াও সম্ভবনা রয়েছে। এদের বাইরে ব্যারিস্টার রবিউল আলম সৈকতের নামও শোনা যাচ্ছে।
জাতীয় পার্টির এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী নির্বাচনও মহাজোটের অধীনে হবে। জোটের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। জোট যাকেই মনোনয়ন দেবে আমি তার পক্ষেই কাজ করব। তবে অবশ্যই জাতীয় পার্টি থেকে আমি মনোনয়ন চাইব। আর কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগকে ছাড় দেবে না জাপা।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মহাজোট সঙ্গী জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে বিজয়ী করলেও এমপির কাছ থেকে কোনো সুযোগ-সুবিধা আদায় করতে পারছেন বলে দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের। সরকারি সব বরাদ্দে এমপির একছত্র নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
তবে দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির দখলে থাকায় এখানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা দুর্বল। যদিও জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের দখলে। তবে আওয়ামী লীগ এখানেও দুই ভাগে বিভক্ত। মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় জন।
এই আসনে আওয়ামী লীগ দু’টি গ্রুপে বিভক্ত। এতে বিভক্তি বাড়ছে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বড় দলে বিভক্তি খুব স্বাভাবিক। তবে নির্বাচন এলেই বিভক্তি থাকবে না। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন তার পক্ষেই সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।
চরাঞ্চল অধ্যুষিত এই আসনে নিজেদের আধিপত্য বাড়াচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে এই আসনের একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থীর বিজয়কে মাঠ পরীক্ষা হিসেবে নিয়েছে। আগামী নির্বাচন নিয়ে এখনও তাদের তৎপরতা শুরু হয়নি। তারা শুধু দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।















