ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026

চুয়াডাঙ্গায় এবার গরমের উত্তাপ কাঁচা বাজারে

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

তীব্র তাপপ্রবাহের অজুহাতে চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেড়েছে ধরনের সবজি, মাংস ও প্যাকেটজাত মসলার দাম। ঈদের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দাম কমেনি নিত্যপণ্যে। এজন্য কারণ হিসেবে প্রচণ্ড গরমকেই দায়ী করছেন বিক্রেতারা। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার নিচের বাজারসহ বিভিন্ন বাজারের এই দামের চিত্র দেখা গেছে।শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাজারে সবজির দামেও লেগেছে আগুনের আঁচ। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে কেজিতে এখন বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। উচ্ছের দামে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা বাড়তি। তীব্র তাপদাহের কারণে সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম ইচ্ছামতো হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। এতে সাধারণ ক্রেতারা সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। অপরদিকে অস্বস্তি সবজির দামে। দাম বেড়েছে সব ধরনের প্যাকেজাত মসলার দাম। প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বাড়তি। আর অন্যান্য প্যাকেটজাত খাদ্য পণ্যে ২ টাকা বাড়তি। তবে খোলা বাজারের মসলা ও অন্যান্য সব ধরনের নিত্য পণ্যের দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে আছে। গেল রমজান মাস থেকে দাম বেশি সব ধরনের ডালের দাম। কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি হয়ে ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই। লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের দাম ১৭৩ টাকা করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।আর গরুর মাংসের দাম আগের মতো করে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে খাসির মাংসের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকা। তবে স্বস্তি ফিরেছে এই সপ্তাহে মাছের বাজারে। ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মুরগির মাংসের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। প্যারিস মুরগির দাম কেজিতে ২০০ টাকা বাড়তি হয়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। একইসাথে দাম কমেছে ডিম, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাচঁ ঝাল, আটা ও চালের বাজারে।বাজারে আসা এক ক্রেতা চদন চক্রবর্তী বলেন, বাজারের কাঁচা সবজির দাম অনেক বেশি। আবার দাম বাড়তি মাংসের। এই তীব্র গরমের মধ্যে সবজি দামেও অনেক। ঈদের আগেও বাজারের যে দাম ছিল, সেই একইভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি। এই দাম বাড়তে থাকলে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি।অপর ক্রেতা মাহাফুজুর রহমান বলেন, ঈদের পর থেকেই আর বাজারে মনিটরিং করা হয়নি। তাই জিনিসের দাম আর কমার কোনো অবস্থা দেখছি না। বাজারে এই গরমের অজুহাত দেখিয়ে সবজিসহ আরও সব ধরনের খাদ্য পণ্যের বাড়িয়ে দিয়েছে।এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, এখন চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপদাহ চলছে। মাঠে সবজিতে একটু ক্ষতি হচ্ছে। তাই কৃষক ও ব্যবসায়িরা সবজির দাম বাড়াচ্ছে। এজন্য বাজারে সবজির দাম বেশি। তবে সব রকম খাদ্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য বাজার মনিটরিং শুরু করা হবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন সব পণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় এবার গরমের উত্তাপ কাঁচা বাজারে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪

তীব্র তাপপ্রবাহের অজুহাতে চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেড়েছে ধরনের সবজি, মাংস ও প্যাকেটজাত মসলার দাম। ঈদের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দাম কমেনি নিত্যপণ্যে। এজন্য কারণ হিসেবে প্রচণ্ড গরমকেই দায়ী করছেন বিক্রেতারা। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার নিচের বাজারসহ বিভিন্ন বাজারের এই দামের চিত্র দেখা গেছে।শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাজারে সবজির দামেও লেগেছে আগুনের আঁচ। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে কেজিতে এখন বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। উচ্ছের দামে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা বাড়তি। তীব্র তাপদাহের কারণে সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম ইচ্ছামতো হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। এতে সাধারণ ক্রেতারা সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। অপরদিকে অস্বস্তি সবজির দামে। দাম বেড়েছে সব ধরনের প্যাকেজাত মসলার দাম। প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বাড়তি। আর অন্যান্য প্যাকেটজাত খাদ্য পণ্যে ২ টাকা বাড়তি। তবে খোলা বাজারের মসলা ও অন্যান্য সব ধরনের নিত্য পণ্যের দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে আছে। গেল রমজান মাস থেকে দাম বেশি সব ধরনের ডালের দাম। কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি হয়ে ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই। লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের দাম ১৭৩ টাকা করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।আর গরুর মাংসের দাম আগের মতো করে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে খাসির মাংসের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকা। তবে স্বস্তি ফিরেছে এই সপ্তাহে মাছের বাজারে। ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মুরগির মাংসের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। প্যারিস মুরগির দাম কেজিতে ২০০ টাকা বাড়তি হয়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। একইসাথে দাম কমেছে ডিম, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাচঁ ঝাল, আটা ও চালের বাজারে।বাজারে আসা এক ক্রেতা চদন চক্রবর্তী বলেন, বাজারের কাঁচা সবজির দাম অনেক বেশি। আবার দাম বাড়তি মাংসের। এই তীব্র গরমের মধ্যে সবজি দামেও অনেক। ঈদের আগেও বাজারের যে দাম ছিল, সেই একইভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি। এই দাম বাড়তে থাকলে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি।অপর ক্রেতা মাহাফুজুর রহমান বলেন, ঈদের পর থেকেই আর বাজারে মনিটরিং করা হয়নি। তাই জিনিসের দাম আর কমার কোনো অবস্থা দেখছি না। বাজারে এই গরমের অজুহাত দেখিয়ে সবজিসহ আরও সব ধরনের খাদ্য পণ্যের বাড়িয়ে দিয়েছে।এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, এখন চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপদাহ চলছে। মাঠে সবজিতে একটু ক্ষতি হচ্ছে। তাই কৃষক ও ব্যবসায়িরা সবজির দাম বাড়াচ্ছে। এজন্য বাজারে সবজির দাম বেশি। তবে সব রকম খাদ্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য বাজার মনিটরিং শুরু করা হবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন সব পণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।