ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা.হাদির অপসারণ এবং অবৈধ নিয়োগ বন্ধের দাবীতে পরীক্ষার্থী ও গণ অধিকার পরিষদের মানববন্ধন

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ

গতকাল ৭ জুলাই চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা.হাদির অপসারণ এবং অবৈধ নিয়োগ বন্ধের দাবীতে পরীক্ষার্থী ও গণ অধিকার পরিষদ মানববন্ধন করে

সিভিল সার্জন হাদির বিরুদ্ধে সেই আওয়ামী আমল থেকে অহরহ দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্বেও এখনো বহাল তবিয়তে ঐ চেয়ারে বসে আবারো দুর্নীতি। গত ২০ জুন ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা। উক্ত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাস সহ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় টা উঠে আসে।কিন্তু ২২ জুন উক্ত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে ধোয়াশা পরিষ্কার হয় এবং দুর্নীতির ব্যাপারে পরীহ্মার্থী সহ সাধারণ জনগণের হ্মোভ লহ্ম করা যায়।

লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ফাতেমা খাতুন দোলন নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার রোল ২৬৩। আমার সামনে, পেছনে ও পাশে কেউ ছিল না। অথচ ২৬২ নম্বর রোলধারী পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণদের তালিকায় আছেন। এটা কীভাবে সম্ভব?’

একইভাবে সার্থেয়া মল্লিক নামে আরেক প্রার্থী লিখেছেন, ‘চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের ৫৩৫ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিই। পাশের ৯৯০ নম্বর রোলধারী অনুপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাকেও উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে!’

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দেয়া আয়েশা হুসাইন অভিযোগ করেন, ‘এক পরীক্ষক একজনকে উত্তর বলে দিচ্ছিলেন। আমি প্রতিবাদ করলে কিছুক্ষণ থেমে যান, পরে আবার তাকে প্রশ্নের উত্তর বলে দেন। পরে আমি হল পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করি।’ তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন ‘পরীক্ষার আগের রাতে কেন সিভিল সার্জন অফিস রাত দুইটা পর্যন্ত খোলা ছিল?’

এদিকে পরীক্ষার আগে দুইবার কেন্দ্র ও সিট পরিবর্তনের অভিযোগও করেছেন অনেক পরীক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, এসএমএসে তথ্য জানানো হলেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়, অনেকেই সঠিক কেন্দ্র খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মহল সোচ্চার ছিলো প্রথম থেকেই। সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকেরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই অনবরত লেখা লেখি চলছিলো। যমুনা টিভি থেকে ডকুমেন্টারি করা হয়েছিলো সেখানে প্রশ্ন পত্র ফাসের ব্যাপার টা স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য হ্মমতা বলে তার দুর্নীতির নিয়োগ কার্যক্রম চলমান ছিলো।এতো দ্রুত লিখিত পরীক্ষা, ফলাফল এবং ভাইভা অত:পর যোগদান পত্র প্রদান এটা একরকম গায়ের জোড় বলা চলে। এহেন পরিস্থিতি তে ভুক্তভোগী পরীহ্মার্থী রা মানববন্ধন করার সিন্ধান্ত নেই। এবং সেই সিদ্ধান্ত কে সাধুবাদ জানিয়ে প্রথম কোন রাজনৈতিক দল তাদের সাথে সংহতি জানিয়ে যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার ব্যানারে যুব শ্রমিক, ছাত্র তথা গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার নেতাকর্মীরা মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। অবস্থা বেগতিক দেখে কয়েক প্লাটুন সেনাবাহিনী এবং পুলিশ মোতায়েন করে। এর পরেও গণ অধিকার পরিষদ এবং পরীহ্মার্থী সকলেই অনড় অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এবং ভুয়া ভুয়া সহ বিভিন্ন রকম স্লোগান তোলে।এতো মানব বন্ধন এবং আন্দোলন কে তোয়াক্কা না করে ডা.হাদি ভিতরে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সবুজ নামের এক পরীহ্মার্থী সাংবাদিক মহল এবং আর্মি অফিসার কে প্রশ্ন ছোড়েন স্বাস্হ্য অধিদপ্তর থেকে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় কিভাবে নিয়োগ কার্যক্রম চালু থাকে? আন্দোলনে সরব ছিলেন গণ অধিকার পরিষদ এর সদস্য সচিব ইবনুর নুর মাশুক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ এর সদস্য সচিব মো: মহিবুল ইসলাম,যুব অধিকার পরিষদ এর অর্থ সম্পাদক সজীব মোল্লা,নাসের ভাই ছাত্র অধিকার এর জাহিদ হাসান ভিক্টর,সৌরভ সহ জেলার আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।
যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহম্মেদ মাসুম দেশপ্রিয় কে জানান পরীহ্মার্থীদের নিকট থেকে গণ স্বাহ্মর সংগ্রহ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আহবায়ক হানিফ পালোয়ান, যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার উদ্দীন এবং স্বমনয়ক মনিরুল হক এই গণ স্বাহ্মর এবং বিভিন্ন প্রমাণের নথিপত্র স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়ে লিখিত অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন আমাদের নেতা ভিপি নুরুল হক নুর এর নির্দেশ দুর্নীতিবাজ যতো বড় হ্মমতাসীন হোক না কেনো তার বিরুদ্ধে কোন আপস নাই। তার হ্মমতার উৎস কোথায় সেটা খুজে বাহির করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা.হাদির অপসারণ এবং অবৈধ নিয়োগ বন্ধের দাবীতে পরীক্ষার্থী ও গণ অধিকার পরিষদের মানববন্ধন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ

গতকাল ৭ জুলাই চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা.হাদির অপসারণ এবং অবৈধ নিয়োগ বন্ধের দাবীতে পরীক্ষার্থী ও গণ অধিকার পরিষদ মানববন্ধন করে

সিভিল সার্জন হাদির বিরুদ্ধে সেই আওয়ামী আমল থেকে অহরহ দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্বেও এখনো বহাল তবিয়তে ঐ চেয়ারে বসে আবারো দুর্নীতি। গত ২০ জুন ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য সহকারী পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা। উক্ত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাস সহ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় টা উঠে আসে।কিন্তু ২২ জুন উক্ত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে ধোয়াশা পরিষ্কার হয় এবং দুর্নীতির ব্যাপারে পরীহ্মার্থী সহ সাধারণ জনগণের হ্মোভ লহ্ম করা যায়।

লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ফাতেমা খাতুন দোলন নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার রোল ২৬৩। আমার সামনে, পেছনে ও পাশে কেউ ছিল না। অথচ ২৬২ নম্বর রোলধারী পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণদের তালিকায় আছেন। এটা কীভাবে সম্ভব?’

একইভাবে সার্থেয়া মল্লিক নামে আরেক প্রার্থী লিখেছেন, ‘চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের ৫৩৫ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিই। পাশের ৯৯০ নম্বর রোলধারী অনুপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাকেও উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে!’

এছাড়া চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দেয়া আয়েশা হুসাইন অভিযোগ করেন, ‘এক পরীক্ষক একজনকে উত্তর বলে দিচ্ছিলেন। আমি প্রতিবাদ করলে কিছুক্ষণ থেমে যান, পরে আবার তাকে প্রশ্নের উত্তর বলে দেন। পরে আমি হল পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করি।’ তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন ‘পরীক্ষার আগের রাতে কেন সিভিল সার্জন অফিস রাত দুইটা পর্যন্ত খোলা ছিল?’

এদিকে পরীক্ষার আগে দুইবার কেন্দ্র ও সিট পরিবর্তনের অভিযোগও করেছেন অনেক পরীক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, এসএমএসে তথ্য জানানো হলেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়, অনেকেই সঠিক কেন্দ্র খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মহল সোচ্চার ছিলো প্রথম থেকেই। সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকেরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই অনবরত লেখা লেখি চলছিলো। যমুনা টিভি থেকে ডকুমেন্টারি করা হয়েছিলো সেখানে প্রশ্ন পত্র ফাসের ব্যাপার টা স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য হ্মমতা বলে তার দুর্নীতির নিয়োগ কার্যক্রম চলমান ছিলো।এতো দ্রুত লিখিত পরীক্ষা, ফলাফল এবং ভাইভা অত:পর যোগদান পত্র প্রদান এটা একরকম গায়ের জোড় বলা চলে। এহেন পরিস্থিতি তে ভুক্তভোগী পরীহ্মার্থী রা মানববন্ধন করার সিন্ধান্ত নেই। এবং সেই সিদ্ধান্ত কে সাধুবাদ জানিয়ে প্রথম কোন রাজনৈতিক দল তাদের সাথে সংহতি জানিয়ে যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার ব্যানারে যুব শ্রমিক, ছাত্র তথা গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার নেতাকর্মীরা মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। অবস্থা বেগতিক দেখে কয়েক প্লাটুন সেনাবাহিনী এবং পুলিশ মোতায়েন করে। এর পরেও গণ অধিকার পরিষদ এবং পরীহ্মার্থী সকলেই অনড় অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এবং ভুয়া ভুয়া সহ বিভিন্ন রকম স্লোগান তোলে।এতো মানব বন্ধন এবং আন্দোলন কে তোয়াক্কা না করে ডা.হাদি ভিতরে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সবুজ নামের এক পরীহ্মার্থী সাংবাদিক মহল এবং আর্মি অফিসার কে প্রশ্ন ছোড়েন স্বাস্হ্য অধিদপ্তর থেকে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় কিভাবে নিয়োগ কার্যক্রম চালু থাকে? আন্দোলনে সরব ছিলেন গণ অধিকার পরিষদ এর সদস্য সচিব ইবনুর নুর মাশুক, শ্রমিক অধিকার পরিষদ এর সদস্য সচিব মো: মহিবুল ইসলাম,যুব অধিকার পরিষদ এর অর্থ সম্পাদক সজীব মোল্লা,নাসের ভাই ছাত্র অধিকার এর জাহিদ হাসান ভিক্টর,সৌরভ সহ জেলার আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।
যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহম্মেদ মাসুম দেশপ্রিয় কে জানান পরীহ্মার্থীদের নিকট থেকে গণ স্বাহ্মর সংগ্রহ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আহবায়ক হানিফ পালোয়ান, যুব অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার উদ্দীন এবং স্বমনয়ক মনিরুল হক এই গণ স্বাহ্মর এবং বিভিন্ন প্রমাণের নথিপত্র স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়ে লিখিত অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন আমাদের নেতা ভিপি নুরুল হক নুর এর নির্দেশ দুর্নীতিবাজ যতো বড় হ্মমতাসীন হোক না কেনো তার বিরুদ্ধে কোন আপস নাই। তার হ্মমতার উৎস কোথায় সেটা খুজে বাহির করা জরুরি।