ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া। 

জামালপুরে সময় টিভি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সনকে মারধর । 

মোঃ মোজাম্মেল হক
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪ ৯১ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ত্রাণের স্লিপকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন এবং ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন সেতুর মধ্যে বিরোধ তৈরী হয়। বিরোধের জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ইটপাটকেল নিক্ষেপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংর্ঘষে লিপ্ত হয়। সংর্ঘষে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হয়েছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৩ রাউন্ড ফাকা গুলিবর্ষণ করে।এসময় দায়িত্ব পালনকালে হেলাল কাউন্সিলরের ছেলে অন্তরের নেতৃত্বে সময় টিভির ক্যামেরাপার্সন আবুল কালাম আজাদ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সন আল-আমিনকে মারধর করে তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করে। গুরুতর আহত সময় টিভির ক্যামেরাপার্সন আবুল আজাদকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সন আল আমিন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসেন। আহত মোয়াজ্জেম হোসেন জানান- ত্রাণের স্লিপর হেলাল কমিশনার অনেক দিন যাবত নিজের আত্মীয় স্বজনদের নাম দিয়ে দূর্ণীতি করে আসছে। এছাড়া ত্রাণের তালিকায় গরীব দূঃখীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকাও নিয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে হেলাল কমিশনার ও তার দলবল তাকে মারধর করে। এসময় দুই জন ক্যামেরাপার্সনকেও মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে কাউন্সিলর হেলাল জানান- কেনো এ ঘটনা ঘটলো তা তিনি জানেন না। আর ঘটনার সময় কয়েক’শ লোক থাকায় কে বা কারা ক্যামেরাপার্সনদের মারধর করেছে সে বিষয়েও তার জানা নেই বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সালেমুজ্জামান জানান- ক্যামেরাপার্সনদের মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের ঘটনাসহ পৃথকভাবে ৩টি মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে। মামলা দায়েরের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জামালপুরে সময় টিভি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সনকে মারধর । 

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকায় শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে।স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ত্রাণের স্লিপকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন এবং ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন সেতুর মধ্যে বিরোধ তৈরী হয়। বিরোধের জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ইটপাটকেল নিক্ষেপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংর্ঘষে লিপ্ত হয়। সংর্ঘষে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হয়েছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৩ রাউন্ড ফাকা গুলিবর্ষণ করে।এসময় দায়িত্ব পালনকালে হেলাল কাউন্সিলরের ছেলে অন্তরের নেতৃত্বে সময় টিভির ক্যামেরাপার্সন আবুল কালাম আজাদ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সন আল-আমিনকে মারধর করে তাদের ক্যামেরা ভাংচুর করে। গুরুতর আহত সময় টিভির ক্যামেরাপার্সন আবুল আজাদকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ক্যামেরাপার্সন আল আমিন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসেন। আহত মোয়াজ্জেম হোসেন জানান- ত্রাণের স্লিপর হেলাল কমিশনার অনেক দিন যাবত নিজের আত্মীয় স্বজনদের নাম দিয়ে দূর্ণীতি করে আসছে। এছাড়া ত্রাণের তালিকায় গরীব দূঃখীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকাও নিয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে হেলাল কমিশনার ও তার দলবল তাকে মারধর করে। এসময় দুই জন ক্যামেরাপার্সনকেও মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে কাউন্সিলর হেলাল জানান- কেনো এ ঘটনা ঘটলো তা তিনি জানেন না। আর ঘটনার সময় কয়েক’শ লোক থাকায় কে বা কারা ক্যামেরাপার্সনদের মারধর করেছে সে বিষয়েও তার জানা নেই বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সালেমুজ্জামান জানান- ক্যামেরাপার্সনদের মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের ঘটনাসহ পৃথকভাবে ৩টি মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে। মামলা দায়েরের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।