ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

ট্রেন ফের চালু হচ্ছে ১২ জুন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের

রোজিনা বেগম চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪ ২৮১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম: ইঞ্জিন ও লোকবল সংকটের কারণে বন্ধ হওয়া কক্সাবজার-চট্টগ্রাম রুটের বিশেষ ট্রেনটি আগামী ১২ জুন থেকে আবারো চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।  শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরের দিকে রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী কক্সাবজার-চট্টগ্রাম রুটের বিশেষ ট্রেনটি আবারো চালুর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই লোকো ড্রাইভার ও গার্ড স্বল্পতা এবং মিটার গেজ ইঞ্জিনের সংকট রয়েছে। কিছু ইঞ্জিনে ট্রাকশন মোটরের সমস্যা দেখা দেওয়া এবং দুর্ঘটনার কারণে নিয়মিত ট্রেন চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।ঈদের আগে ইঞ্জিনগুলো নিরীক্ষা করাও দরকার। এজন্য বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করা হয়েছে।কক্সবাজারের ট্রেনটা নিয়মিত ট্রেন না। যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় বিশেষ ট্রেনটি আগামী ১২ জুন থেকে পরিচলানার পরিকল্পনা আছে।গত ৩০ মে থেকে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটের এ বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু সব জায়গায় চলে সমালোচনার ঝড়। যাত্রী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকেও জানানো হয় প্রতিবাদ।পূর্বাঞ্চলের বন্ধ থাকা অর্ধশতাধিক ট্রেনসহ মোট ২০০ ট্রেন পরিচালনায় ৩০০টি ইঞ্জিন প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আছে ১৫৬টি ইঞ্জিন। এরমধ্যে আবার ১০০টি ইঞ্জিনও সচল নেই। তবে বর্তমানে ১১৬টি চাহিদা রয়েছে।রেলের দুই অঞ্চলের লোকোমাস্টার (এলএম), সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) ও সাব লোকোমাস্টার (এসএলএম) পদের সংখ্যা ২,২৩৬টি। বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৮৫০ জন, যা ট্রেন চালানোর কাজে নিয়োজিত জনবলের চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৩৮ শতাংশ।ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ৮ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি চালু করেছিল কর্তৃপক্ষ। যাত্রী চাহিদা ও স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ট্রেনটির ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। পরে ৩০ মে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ট্রেন ফের চালু হচ্ছে ১২ জুন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

চট্টগ্রাম: ইঞ্জিন ও লোকবল সংকটের কারণে বন্ধ হওয়া কক্সাবজার-চট্টগ্রাম রুটের বিশেষ ট্রেনটি আগামী ১২ জুন থেকে আবারো চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।  শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরের দিকে রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী কক্সাবজার-চট্টগ্রাম রুটের বিশেষ ট্রেনটি আবারো চালুর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই লোকো ড্রাইভার ও গার্ড স্বল্পতা এবং মিটার গেজ ইঞ্জিনের সংকট রয়েছে। কিছু ইঞ্জিনে ট্রাকশন মোটরের সমস্যা দেখা দেওয়া এবং দুর্ঘটনার কারণে নিয়মিত ট্রেন চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।ঈদের আগে ইঞ্জিনগুলো নিরীক্ষা করাও দরকার। এজন্য বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করা হয়েছে।কক্সবাজারের ট্রেনটা নিয়মিত ট্রেন না। যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় বিশেষ ট্রেনটি আগামী ১২ জুন থেকে পরিচলানার পরিকল্পনা আছে।গত ৩০ মে থেকে চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটের এ বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু সব জায়গায় চলে সমালোচনার ঝড়। যাত্রী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকেও জানানো হয় প্রতিবাদ।পূর্বাঞ্চলের বন্ধ থাকা অর্ধশতাধিক ট্রেনসহ মোট ২০০ ট্রেন পরিচালনায় ৩০০টি ইঞ্জিন প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আছে ১৫৬টি ইঞ্জিন। এরমধ্যে আবার ১০০টি ইঞ্জিনও সচল নেই। তবে বর্তমানে ১১৬টি চাহিদা রয়েছে।রেলের দুই অঞ্চলের লোকোমাস্টার (এলএম), সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) ও সাব লোকোমাস্টার (এসএলএম) পদের সংখ্যা ২,২৩৬টি। বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৮৫০ জন, যা ট্রেন চালানোর কাজে নিয়োজিত জনবলের চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৩৮ শতাংশ।ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ৮ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি চালু করেছিল কর্তৃপক্ষ। যাত্রী চাহিদা ও স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ট্রেনটির ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। পরে ৩০ মে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।