দূর্নীতির পৃথিবীর ইতিহাস সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদন
টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলাধীন সোলা কুঁড়া মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারি নিয়োগে ৬ জন প্রধান শিক্ষক একজন সভাপতি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার নারীর শালিনতাহানী, জীবন ধ্বংসকারী, উৎকোস গ্রহণসহ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্যকারী এবং জাল জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরি করিয়া তা আসল কাগজপত্র হিসাবে বিভিন্ন অফিস আদালত সহ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে উপস্থাপন করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে।
স্বারক লিপিঃ
টাংগাইল জেলার কালিহাতী থানাধীন সোলা কুঁড়া মওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশ ও টাংগাইল জেলা শিক্ষা অফিসারের আদেশ অমান্য করে এবং বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষক ও কর্মচারীর নীতিমালা বহিভূর্ত ভাবে সংশ্লিষ্ট পদ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মামলা চলমান অবস্থায় অবৈধ ও দূর্নীতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সহ ৫ (পাঁচ) টি পদে ১০/০২/২৪ ইং তারিখে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া কর্মকর্তাগণদের তথা নিয়োগ কমিটি বিরুদ্ধে এবং ঐ সকল পদে দুর্নীতির মামলা চলমান থাকা সত্বেও যে সকল সরকারি কর্মকর্তাগণ প্রচুর উৎকোস গ্রহন করিয়া বেআইনী, বেদ্ধারা বিধিবর্হিভূত, অগ্রহনযোগ্য অনভিপ্রেত, অনাকাংখিত, প্রতিশোধ পরায়নমূলক যোগসাজসী, প্রতারনামূলক, চক্রান্তমূলক, ক্ষমতা বহির্ভূত ও হাসিলী সাব্যস্থ অকার্যকরী থাকা অবস্থায় ঐ সকল পদগুলোতে এমপিও ভুক্তি কারীদের তথা সরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একাদশ অধ্যায় রকারী কর্মচারীর ফৌজদারি অপরাধ ২০১৮ সনের ৫৭ নং আইনে বাঃ দঃ বিঃ ১০৮/১০৯/১৪১/১৬৯/৩০৭/৩২৩/৩৭৯/৪৬৬/৪৬৮/৪৭১/৫০৬ (ii) ধারায় অভিযোগ করিয়া বাদীনি মিনা আক্তার স্বামী ডাঃ মো. রেজাউল করিম পিতা-মোঃ ওসমান গনি সাং দয়থা, ডাকঘর- বাংড়া-১৯৭০, উপজেলা কালিহাতী, জেলাঃ টাংগাইল, সি আর মোঃ নং ৬৭৩/২০২৫ইং ও মোকাম টাঙ্গাইলের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কালিহাতী থানার আমলী আদালতে ২৩/০৬/২০২৫ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলার জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি জাহিদুল ইসলাম (বাবু) মামলা দায়ের করেন।
বিবাদীঃ
০১। মোঃ আব্দুল বাছেদ সিদ্দিকী (আনুঃ ৬২), সাবেক প্রধান শিক্ষক, ০২। মোহাম্মদ আফজাল হোসেন মোল্লাহ (আনুঃ ৪৮), সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, ০৩। মুহাম্মদ হযরত আলী (আনুঃ ৪২), প্রধান শিক্ষক, ০৪। মোঃ ছরোয়ার আলম (আনুঃ ৫৮), সাবেক সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি সর্ব সাকিন- মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়, সোলাকুঁড়া, কালিহাতী, থানা- কালিহাতী, জেলা- টাঙ্গাইল।, ০৫। মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, ডিজি প্রতিনিধি, প্রধান শিক্ষক, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সন্তোষ, টাঙ্গাইল, মোবাইল- ০১৭১৬-৬৩২৫৭২, ০৬। মোঃ মোস্তফা কবীর (আনুঃ ৫৮), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, কালিহাতী, টাঙ্গাইল, ০৭। এ.কে.এম আমীর হোসেন (৫২), সাবেক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, কালিহাতী, টাঙ্গাইল, মোবাইল- ০১৭১১-৫৭৮৭৯০, ০৮। শাহাদাত হুসেইন, সাবেক সভাপতি, মওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয় ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কালিহাতী, টাঙ্গাইল, ০৯। রেবেকা সুলতানা, জেলা শিক্ষা অফিসার, টাঙ্গাইল, মোবাইল-০১৭৩২-৬০৫৫৬৯, ১০। সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শিকা, ইসরাত শাহীন মিঠু, মোবাইল-০১৭১২-৭০৪২২২, ১১। প্রোগ্রামার মোঃ আকতারুজ্জামান, মোবাইল- ০১৭১১-২৭৪৭৩৯, ১২। ডিডি (ভারপ্রাপ্ত) মোহাঃ নাসির উদ্দিন, মোবাইল- ০১৭১৮-১৬৮৯১৯ সর্ব সাং উপ পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিস, ময়মনসিংহ, ১৩। Profession Dr. Md. Ahtesan-UL-Haque, সাবেক মহা পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ, ১৪। মোঃ মিজানুর রহমান তাং, পরিদর্শন প্রত্যয়ন কমিটির সদস্য উক্ত প্রতিষ্ঠান, প্রধান শিক্ষক কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কালিহাতী, টাঙ্গাইল, মোবাইল-০১৭২১-১৪০৩৫১, ১৫। মোঃ ইয়াকুব আলী, পরিদর্শন প্রত্যয়ন কমিটির সদস্য উক্ত প্রতিষ্ঠান, প্রধান শিক্ষক কোকডহরা উচ্চ বিদ্যালয়, কালিহাতী, টাঙ্গাইল।
মাননীয় আদালতে বিনীত প্রার্থনা অনুগ্রহ প্রকাশেঃ- (বিবাদীগণদের বিরুদ্ধে)
১. মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিবাদীগণ ১০৮ ধারায় অপরাধ করে ৬ মাসের কারা দন্ড পাওয়ার যোগ্য অপরাধ
করেছেন।
২. সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ১৫২৯৮/২৩ নং রীট পিটিশন মামলার রুল নিশি ৩১/০১/২৪ ইং তারিখে বিবাদীগন হস্তগত হওয়ার পরেও জেলা শিক্ষা অফিসার এর কার্যালয়, টাংগাইল ১১১/৮ নং স্মারকে অফিস আদেশ অমান্য করে এবং বাংলাদেশ শিক্ষক ও কর্মচারীর নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে দূর্নীতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে মুহাম্মদ হযরত আলী ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মোঃ ইনছান আলীকে ১০/০২/২৪ ইং তারিখে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে এবং তাদের এম. পি.ও ভূক্তি করার মাধ্যমে দূর্নীতির ১৬৯ ধারায় বিবাদীগণ অপরাধ করে সবোর্চ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড পাওয়ার যোগ্য অপরাধ করেছেন।
৩. জেলা শিক্ষা অফিসার এর কার্যালয়, টাংগাইল এর অফিস আদেশ বিবাদীগণ জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে স্মারক বিহীন তৈরি করে বাংলাদেশ দঃবিঃ ৪৬৬ ও ৪৬৮ ধারা মোতাবেক বিবাদীগণ সর্বোচ্চ ০৭ বছরের কাঃদঃ পাওয়ার যোগ্য অপরাধ করেছেন, এবং উক্ত জাল কাগজসহ বিভিন্ন জাল জালিয়াত কাগজ বিবাদীগন কর্তৃক আসল কাগজ হিসেবে বিভিন্ন অফিস আদালত সহ মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের ১৫২৯৮/২৩ নং রীট পিটিশন মামলায় উপস্থাপন করিয়া উক্ত রীট পিটিশন মামলা বাতিল চেয়ে বিবাদীগন বাং দঃবিঃ ৪৭১ ধারায় অপরাধ করে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদন্ড পাওয়ার যোগ্য অপরাধ করেছেন।
৪. অবৈধ প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ হযরত আলীর বিরুদ্ধে ৫টি দুর্নীতির মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীগণ ২০,০০০০০ (বিশ লক্ষ) টাকা উৎকোস গ্রহন করে তাদের এম.পি.ও ভুক্তি করার মাধ্যমে বিবাদীগন বাং দঃবিঃ দূর্নীতির ১৬৯ ধারায় অপরাধ করে সবোর্চ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড পাওয়ার যোগ্য অপরাধ করেছেন।
৫। ১৪১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জনগনের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। টাঙ্গালের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খ অঞ্চল ১১৩২/২৪নং পিটিশন মোকদ্দমায় বিগত ৮/১১/২৪ ইং তারিখে মুচলেকা প্রদান করার পরও বাদীপক্ষ গনকে বিবাদীগন তাদের কর্মস্থল মওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয় এ যাইতে দিচ্ছে না, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর কিংবা কর্তব্য কাজে বাঁধা ও এম পি ও ভূক্তি করনে বাধা দেওয়ায় বিবাদীরা ১৪১ ধারায় অপরাধ করিয়াছেন।
৬। ১০৯ ধারা হলো প্ররোচনা সর্ম্পকৃত ধারা। বিবাদীগণ বাদী পক্ষ গন কে উক্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়ে আত্ম সম্মান সহ বেতন ভাতা পাবে এবং সুখে শান্তিতে বসবাস করবে এভাবে বিবাদীরা বাদী পক্ষ গণকে প্ররোচনা করেছেন। কিন্তু প্রায় ১০ বছর পরে বাদী গন সম্মান হানী ও শুন্য পকেটে ফেরৎ যাওয়ার মাধ্যমে বিবাদী গন ১০৯ ধারায় অভিযুক্ত হয়েছেন।
৭। ৩০৭ ধারা মামলা বলতে হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত একটি ফৌজদারি মামলা। যদি কেউ এমন কাজ করে যা ইচ্ছা কৃতভাবে বা অবহেলা করে অন্য কারো মৃত্যু ঘটায় বা মৃত্যুর দার প্রান্তে পৌঁছায়ে দেয় তবে তাকে এই ধারায় অভিযোক্ত করা হয়। বিবাদীগন বাদীপক্ষ গনকে বিনা বেতনে প্রায় ১০ বৎসর উক্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করাইয়েছেন। বর্তমানে তাদের অন্য কোন জায়গায় চাকুরী করার বয়স নাই। এমতাবস্তায়। বিবাদীগন বাদী পক্ষ গনকে চাকুরী চ্যুত করিয়া সম্মানহানী হওয়ায়, কোথাও মুখ দেখাতে পারছেন না। বিবাদীগন কর্তৃক বাদী পক্ষ গনকে নারীর শালিনতা হানী, শারীরিক মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে জরায়ু ক্যান্সার আক্তান্ত করার রণকৌসল এবং বাদীনিকে মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে পৌঁছায়ে দেওয়ার মাধ্যমে ৩০৭ ধারায় বিবাদীগন অভিযোক্ত হয়েছেন।
৮। ৩৭৯ ধারা হলো চুরি সংক্রান্ত একটি অপরাধ। বাদীপক্ষের নিয়োগ পত্রে উল্লেখ রয়েছে “বেসরকারী বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষকদের নিয়োগ বিধি ১৯৭৯ ইং এর শর্ত সাপেক্ষে সরকার প্রদও বেতন ও ভাতাদি ব্যতীত মাসিক ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা প্রতিষ্ঠান তথা বিবাদীগন দেওয়া কথা থাকলেও তা বাদীপক্ষ কে না দেওয়া, সরকারী টিউশন ফ্রি ও লাইব্রেরী পরিচালনা কাজে সরকার থেকে সম্মানি ভাতা ইত্যাদি বিবাদীগন আত্মত্মসাৎ করে ৩৭৯ ধারায় বিবাদীগন অপরাধ করেছেন।
৯। ৩২৩ ধারা হলো স্বেচ্ছায় আঘাত করা। বিবাদীগন বাদীপক্ষ গনকে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে চাকুরী চ্যুত করার মাধ্যমে শারীরিক মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে বিবাদীগন ৩২৩ ধারায় অভিযুক্ত হয়েছেন।
১০। ৫০৬ (ii) ধারা হলো: ভয় ভীতি প্রর্দশন করা বিবাদীগন কর্তৃক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে বাদীপক্ষ গনকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণ নাসের হুমকি প্রর্দশন করার মাধ্যমে বিবাদীগন ৫০৬ (ii) ধারায় অপরাধ করিয়াছেন।
১১। ২৪ শে অক্টোবর ১৯৯৫ ইং বাংলা ৯ই কার্তিক ১৪০২ সালের পরিপত্র অনুজায়ী বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিদ্যালয় সমূহ) এর শিক্ষক ও কর্মচারী পদ সংখ্যা মওলানা ভাসানীর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ ৭ জন থাকিলে উক্ত নীতিমালা বহির্ভূক্ত ভাবে ১২ জন শিক্ষক ও কর্মচারী উক্ত প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ও এমপিও ভুক্ত করে প্রায় ২০ বৎসর যাবত সরকারী বেতন ভাতা আত্মসাৎ করিতেছেন। যাহা দূনীর্তি ১৬৯ ধারায় অপরাধ করেছেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানে মোহাম্মদ আফজাল হোসেন মোল্লাহ, শামীমা নাসরীন, মোঃ ফজলুল হক ও জামাল বাদশা গণদের সহকারী শিক্ষক হিসাবে ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পাঠ দানের শিক্ষক হিসেবে ২০০০ সালে মাধ্যমিক স্তরে নিয়োগ দিয়ে নিম্ন মাধ্যমিক থাকা অবস্থায় ২০০২ সালে দূর্নীতি করে এমপিও ভুক্তি করায় বিবাদীগণ বাং দঃ বিঃ ১৬৯ ধারা মোতাবেক অপরাধ করে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কাঃ দঃ পাওয়ার যোগ্য অপরাধ করেছেন।
সরকারি টাকা সরকারকে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা চাই।
আসামীগনের এহেন কার্যতায় আসামীগণ বিভিন্ন ধারার দঃবিঃ অপরাধ করিয়াছেন। ঘটনার বহু স্বাক্ষী প্রমাণ আছে। স্বাক্ষীগণ বিচারামলে ঘটনা প্রমাণ করিবে।
সেমতে নালিশে ন্যায় ও সু-বিচার প্রার্থনা। নিবেদন, ইতি, তাং-
সত্যতা
অত্র আরজির যাবতীয় বিবরন আমার কথামত শুদ্ধরূপে
লিপিত হওয়ায় শুদ্ধস্বীকারে নিজ নাম স্বাক্ষর করিলাম।
মিনা আক্তার (মিনা আক্তার)



















