ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ওয়াদুদ, লড়তে হবে ওহিদুজ্জামানকে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ওয়াদুদ, লড়তে হবে ওহিদুজ্জামানকে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর। এর ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মো. ওহিদুজ্জামানকে নির্বাচিত ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে গেছে। এখন ওয়াদুদের সঙ্গে নির্বাচনে লড়তে হবে। ওহিদুজ্জামান গতকাল সোমবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়ার পর মো. ওহিদুজ্জামানকে মাঠের লড়াইয়ে ফিরতে হচ্ছে।নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ওয়াদুদ মাতুব্বর বর্তমানে সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। নিজ স্ত্রীর নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকায় গত ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে তিনি আপিল করেন। সেখানেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।এরপর ওয়াদুদ মাতুব্বর মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। আদালত ওয়াদুদ মাতুব্বরের আবেদন গ্রহণ করে গতকাল সোমবার রুল জারি করেন। আদালতের আদেশের পর এখন আর ওয়াদুদ মাতুব্বরের নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা রইলো না।প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, জনগণের জন্যে আমি কাজ করেছি গত ৫ বছর। তারা আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। আমি ভোটের মাঠে লড়ে জিতব।ওহিদুজ্জামান বলেন, এর আগে এই উপজেলার মানুষের জন্য আমি কাজ করেছি। তারা আমাকে ভালো করেই চেনেন। যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে জনগণ ভুল করবে না।নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইয়াছিন কবির বলেন, আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষে দিনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলে একক প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনে তথ্য পাঠাতে হয়। আমরা সেটিই করেছি। এখন আদালত থেকে প্রার্থীর প্রার্থিতা ফেরত দিলে সে তথ্যও আমরা নির্বাচন কমিশনে পাঠাই। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে সালথা উপজেলায় নির্বাচন হবে।প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এ উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মনোনয়ন দাখিল করেন। ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্রটি বাতিল হয়ে যায়। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল জেলা প্রশাসক কামরুল আহসানের কাছে আপিল করেন। ২৯ এপ্রিল জেলা প্রশাসক তার আপিলটি খারিজ করে দেন। এরপর ২ মে তিনি এই সিদ্ধান্তের (প্রার্থিতা বাতিল) বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। তবে সালথায় চেয়ারম্যান পদে ওহিদুজ্জামান একক প্রার্থী হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ শেষে ২ মে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ওয়াদুদ, লড়তে হবে ওহিদুজ্জামানকে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

 

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ওয়াদুদ, লড়তে হবে ওহিদুজ্জামানকে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর। এর ফলে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মো. ওহিদুজ্জামানকে নির্বাচিত ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে গেছে। এখন ওয়াদুদের সঙ্গে নির্বাচনে লড়তে হবে। ওহিদুজ্জামান গতকাল সোমবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়ার পর মো. ওহিদুজ্জামানকে মাঠের লড়াইয়ে ফিরতে হচ্ছে।নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ওয়াদুদ মাতুব্বর বর্তমানে সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। নিজ স্ত্রীর নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকায় গত ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে তিনি আপিল করেন। সেখানেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।এরপর ওয়াদুদ মাতুব্বর মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। আদালত ওয়াদুদ মাতুব্বরের আবেদন গ্রহণ করে গতকাল সোমবার রুল জারি করেন। আদালতের আদেশের পর এখন আর ওয়াদুদ মাতুব্বরের নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো বাধা রইলো না।প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, জনগণের জন্যে আমি কাজ করেছি গত ৫ বছর। তারা আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। আমি ভোটের মাঠে লড়ে জিতব।ওহিদুজ্জামান বলেন, এর আগে এই উপজেলার মানুষের জন্য আমি কাজ করেছি। তারা আমাকে ভালো করেই চেনেন। যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে জনগণ ভুল করবে না।নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইয়াছিন কবির বলেন, আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষে দিনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলে একক প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনে তথ্য পাঠাতে হয়। আমরা সেটিই করেছি। এখন আদালত থেকে প্রার্থীর প্রার্থিতা ফেরত দিলে সে তথ্যও আমরা নির্বাচন কমিশনে পাঠাই। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে সালথা উপজেলায় নির্বাচন হবে।প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এ উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মনোনয়ন দাখিল করেন। ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন ওয়াদুদ মাতুব্বরের মনোনয়নপত্রটি বাতিল হয়ে যায়। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৬ এপ্রিল জেলা প্রশাসক কামরুল আহসানের কাছে আপিল করেন। ২৯ এপ্রিল জেলা প্রশাসক তার আপিলটি খারিজ করে দেন। এরপর ২ মে তিনি এই সিদ্ধান্তের (প্রার্থিতা বাতিল) বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। তবে সালথায় চেয়ারম্যান পদে ওহিদুজ্জামান একক প্রার্থী হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ শেষে ২ মে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছিলেন।