ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮,

বিলুপ্তপ্রায় ব্যাটারী চালিত টর্চ লাইট

দেলোয়ার খান:(সিরাজদিখান,মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি )
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলে উঠেনি আবহমান গ্রাম বাংলার জনপদে,যখন সন্ধ্যা হলেই নেমে আসতো ঘুটঘুটে অন্ধকার তখন বন্ধুর মতোই সঙ্গী হতো সেই টর্চ লাইট।আজ থেকে বহুবছর আগের কথা।আধুনিক প্রযুক্তি যে কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছায় তার অন্যতম টর্চ লাইট। ১৮৯৯ সালে ব্রিটিশরা ড্রাই ব্যাটারী চালিত টর্চ আবিষ্কার করার পর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের হাত ধরে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। সে ধারাবাহিকতায় এদেশে এসে পৌছায় আরো অনেক পরে।দেশভাগের আগ পর্যন্ত টর্চের তেমন কোন ইতিহাস অন্তত আমার জানা নেই।এরপর এসে পৌছালেও অভিজাত শ্রেনীতেই সীমাবদ্ধ ছিলো।ষাটের দশকে গ্রাম বাংলায় এসে পৌছালেও সাধারনের নাগালের বাইরে ছিলো।তখন তিন ব্যাটারী ও সত্তরের দশকে পাঁচ ব্যাটারী লাইট তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো।গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বিয়েতে নতুন বরের জন্য একটি টর্চ ছিলো সৌখিন উপহার।এ ধারা আশি ও নব্বই দশকেও চোখে পড়ে। তখন অবশ্য সহজলভ্য হয়ে গেছে।আশির দশকে কারও হাতে পাঁচ ব্যাটারী টর্চ মানে সাধারণ ব্যাপার নয়।আমাদের পুর্বসুরীদের ঐতিহ্যের টর্চ আজ বলতে গেলে পরন্ত যৌবনে।দিনে দিনে প্রযুক্তির কল্যানে আমরা এগিয়েছি বহুদূর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিলুপ্তপ্রায় ব্যাটারী চালিত টর্চ লাইট

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪

যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলে উঠেনি আবহমান গ্রাম বাংলার জনপদে,যখন সন্ধ্যা হলেই নেমে আসতো ঘুটঘুটে অন্ধকার তখন বন্ধুর মতোই সঙ্গী হতো সেই টর্চ লাইট।আজ থেকে বহুবছর আগের কথা।আধুনিক প্রযুক্তি যে কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছায় তার অন্যতম টর্চ লাইট। ১৮৯৯ সালে ব্রিটিশরা ড্রাই ব্যাটারী চালিত টর্চ আবিষ্কার করার পর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের হাত ধরে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। সে ধারাবাহিকতায় এদেশে এসে পৌছায় আরো অনেক পরে।দেশভাগের আগ পর্যন্ত টর্চের তেমন কোন ইতিহাস অন্তত আমার জানা নেই।এরপর এসে পৌছালেও অভিজাত শ্রেনীতেই সীমাবদ্ধ ছিলো।ষাটের দশকে গ্রাম বাংলায় এসে পৌছালেও সাধারনের নাগালের বাইরে ছিলো।তখন তিন ব্যাটারী ও সত্তরের দশকে পাঁচ ব্যাটারী লাইট তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো।গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বিয়েতে নতুন বরের জন্য একটি টর্চ ছিলো সৌখিন উপহার।এ ধারা আশি ও নব্বই দশকেও চোখে পড়ে। তখন অবশ্য সহজলভ্য হয়ে গেছে।আশির দশকে কারও হাতে পাঁচ ব্যাটারী টর্চ মানে সাধারণ ব্যাপার নয়।আমাদের পুর্বসুরীদের ঐতিহ্যের টর্চ আজ বলতে গেলে পরন্ত যৌবনে।দিনে দিনে প্রযুক্তির কল্যানে আমরা এগিয়েছি বহুদূর।