ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন আবারো সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।

রিপোর্টার মেহেদী হাসান অলি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন আবারো সন্ত্রাস চাঁদাবাজের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সন্ত্রাস চাঁদাবাজ নির্মূলের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচালিত ডেভিল হান্ট নামের কার্যক্রম অত্র এলাকাতে না থাকায়।মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে সন্ত্রাস চাঁদাবাজের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় হওয়ার পর থেকে।মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একটি দুর্বৃত্ত মহল।এতে করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক মোল্লা কান্দি ইউনিয়নের একজন বাসিন্দ বলেন।জুলাই অভ্যুত্থানে পুরো বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দারা এখনো সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি।জুলাই অভ্যুত্থানে পুরো বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও আমাদের এলাকায় এখনো স্বাধীন হয়নি।মিল্টন- বিল্লাল গং দের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অতিষ্ঠ ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ড সহ পুরো মোল্লাকান্দি ইউনিয়নবাসী।নাম মিল্টন মল্লিক,পিতা বারেক মল্লিক, ও বিল্লাল গাজী,পিতা লালসা গাজী।সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের জোকসা জোসে প্রতিনিয়ত চাদাঁ দাবির খবর পাওয়া যাচ্ছে।স্থানীয় ভুক্তভোগী একজন দাবি করে গত ২৭/০২/২৫ ইং তারিখে সায়েব আলী দেওয়ান, পিতা জালাল উদ্দিন দেওয়ান গ্রাম গাবুয়া বাড়ি (ঢালীকান্দি) তার স্ত্রী পরকিয়া করে চলে গেছে।পাশের এলাকার মোল্লাবাড়ি(ঢালিকান্দি)গ্রামের আফছু দেওয়ানের সাথে।এই ঘটনার জের ধরে আপস মীমাংসার জন্য বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবার গুলোর কাছ থেকে মিল্টন- বিল্লাল গং রা বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছে।ভুক্তভোগী একজনের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে মেয়ের আগের স্বামী সায়েব আলী দেওয়ান এর কাছ থেকে প্রথমে ৩০,০০০ টাকা চাদাঁ নেয় পরে। আবার ০২/৩/২৫ইং তারিখে সায়েব আলীকে আটক করে মিল্টন এবং বিল্লাল গাজীর উপস্থিত থেকে ২ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে।এমত অবস্থায় ৫০,০০০ টাকা নিয়ে রফা দফা হয়।এদিকে অপরপক্ষের যে ছেলের সাথে মেয়ে চলে গেছে তাদের কাছ থেকেও ৫০,০০০/- টাকা চাদাঁ দাবি করলে ২০,০০০ টাকা রফাদফা করা হয়।কিন্তু দুঃখের বিষয় টাকা নিয়েও ক্ষান্ত হয়নি।পরের দিন আবার মিল্টন- বিল্লাল গং রা বাড়িতে গিয়ে আফছু দেওয়ানের মা বোনদের উপর হামলা চালায়। কেউ কেউ আবার বসতবাড়ি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।বাড়ির গৃহস্থের অনেকগুলো উন্নত জাতের কবুতর ছিলো সেগুলো তারা ধরে নিয়ে যায়।এবং বাড়িতে থাকা, মা বোনদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আসে।স্থানীয়দের ভাষ্যমতে মিল্টন মোল্লা একজন কুখ্যাত সন্তাসী হওয়ায় মোল্লা কান্দি ইউনিয়নের নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ পাবলিক ও ভয়ে মুখ খুলেনা তার বিরোদ্ধে।সে (বিএনপি) লোক বলে যাকে খুসি তাকে হুমকি দেয়।এমনকি মারধর ও করে এমতাঅবস্থায় মোল্লা কান্দি ইউনিয়ন সাধারণ জনগন খুবই অসহায় এবং নির্বিকার আতংকে থাকতে হয়।কখন জানি তার বাহিনী এলাকায় হামলা করে। ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে যায়না।পরে বাড়িতে এসে যদি হামলা করে।তাই সংবাদপত্রের দারস্ত হয়েছে।একটি সূত্রে জানা যায় কদিন আগেও মুন্সিগঞ্জ সদরে (বিএনপি) মিটিং এ ভেনার ধরা কেন্দ্র করে অন্য পক্ষের উপর হামলা করে, এবং সেই হামলায় অন্তত ২০ জনের মত আহত করে এই সেই কুখ্যাত সন্তাসী।এই মিল্টন মোল্লার লাগামহীন চাঁদাবাজি, এবং জুলুম অত্যাচারে সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।তাই অনতিবিলম্বে প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন।তারা যেন এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন আবারো সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন আবারো সন্ত্রাস চাঁদাবাজের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সন্ত্রাস চাঁদাবাজ নির্মূলের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচালিত ডেভিল হান্ট নামের কার্যক্রম অত্র এলাকাতে না থাকায়।মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে সন্ত্রাস চাঁদাবাজের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় হওয়ার পর থেকে।মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একটি দুর্বৃত্ত মহল।এতে করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক মোল্লা কান্দি ইউনিয়নের একজন বাসিন্দ বলেন।জুলাই অভ্যুত্থানে পুরো বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দারা এখনো সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি।জুলাই অভ্যুত্থানে পুরো বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও আমাদের এলাকায় এখনো স্বাধীন হয়নি।মিল্টন- বিল্লাল গং দের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অতিষ্ঠ ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ড সহ পুরো মোল্লাকান্দি ইউনিয়নবাসী।নাম মিল্টন মল্লিক,পিতা বারেক মল্লিক, ও বিল্লাল গাজী,পিতা লালসা গাজী।সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের জোকসা জোসে প্রতিনিয়ত চাদাঁ দাবির খবর পাওয়া যাচ্ছে।স্থানীয় ভুক্তভোগী একজন দাবি করে গত ২৭/০২/২৫ ইং তারিখে সায়েব আলী দেওয়ান, পিতা জালাল উদ্দিন দেওয়ান গ্রাম গাবুয়া বাড়ি (ঢালীকান্দি) তার স্ত্রী পরকিয়া করে চলে গেছে।পাশের এলাকার মোল্লাবাড়ি(ঢালিকান্দি)গ্রামের আফছু দেওয়ানের সাথে।এই ঘটনার জের ধরে আপস মীমাংসার জন্য বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবার গুলোর কাছ থেকে মিল্টন- বিল্লাল গং রা বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছে।ভুক্তভোগী একজনের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে মেয়ের আগের স্বামী সায়েব আলী দেওয়ান এর কাছ থেকে প্রথমে ৩০,০০০ টাকা চাদাঁ নেয় পরে। আবার ০২/৩/২৫ইং তারিখে সায়েব আলীকে আটক করে মিল্টন এবং বিল্লাল গাজীর উপস্থিত থেকে ২ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে।এমত অবস্থায় ৫০,০০০ টাকা নিয়ে রফা দফা হয়।এদিকে অপরপক্ষের যে ছেলের সাথে মেয়ে চলে গেছে তাদের কাছ থেকেও ৫০,০০০/- টাকা চাদাঁ দাবি করলে ২০,০০০ টাকা রফাদফা করা হয়।কিন্তু দুঃখের বিষয় টাকা নিয়েও ক্ষান্ত হয়নি।পরের দিন আবার মিল্টন- বিল্লাল গং রা বাড়িতে গিয়ে আফছু দেওয়ানের মা বোনদের উপর হামলা চালায়। কেউ কেউ আবার বসতবাড়ি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।বাড়ির গৃহস্থের অনেকগুলো উন্নত জাতের কবুতর ছিলো সেগুলো তারা ধরে নিয়ে যায়।এবং বাড়িতে থাকা, মা বোনদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আসে।স্থানীয়দের ভাষ্যমতে মিল্টন মোল্লা একজন কুখ্যাত সন্তাসী হওয়ায় মোল্লা কান্দি ইউনিয়নের নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ পাবলিক ও ভয়ে মুখ খুলেনা তার বিরোদ্ধে।সে (বিএনপি) লোক বলে যাকে খুসি তাকে হুমকি দেয়।এমনকি মারধর ও করে এমতাঅবস্থায় মোল্লা কান্দি ইউনিয়ন সাধারণ জনগন খুবই অসহায় এবং নির্বিকার আতংকে থাকতে হয়।কখন জানি তার বাহিনী এলাকায় হামলা করে। ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে যায়না।পরে বাড়িতে এসে যদি হামলা করে।তাই সংবাদপত্রের দারস্ত হয়েছে।একটি সূত্রে জানা যায় কদিন আগেও মুন্সিগঞ্জ সদরে (বিএনপি) মিটিং এ ভেনার ধরা কেন্দ্র করে অন্য পক্ষের উপর হামলা করে, এবং সেই হামলায় অন্তত ২০ জনের মত আহত করে এই সেই কুখ্যাত সন্তাসী।এই মিল্টন মোল্লার লাগামহীন চাঁদাবাজি, এবং জুলুম অত্যাচারে সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।তাই অনতিবিলম্বে প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন।তারা যেন এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেন।