ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

রাজশাহীতে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ধান উৎপাদন

রিপোর্টার সাহিদ মন্ডল 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী অঞ্চলে এবার বোরোর আবাদ বেশী এবং বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ধান উৎপাদন হয়েছে। এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এখন মাঠজুড়ে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। জ্যৈষ্ঠ মাসজুড়ে পুরোদমে চলবে সোনালি ফসল বোরো ধান কাটা-মাড়াই ও ঘরে তোলার ব্যস্ততা। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ জমির ধান ঘরে কুলেছেন চাষিরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রবিশস্য তুলতে দেরি হওয়ায় এবার বোরো আবাদের সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হয়েছে। অধিকাংশ চাষি দেরিতে ধান রোপণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল গরমের নেতিবাচক প্রভাব। পানিয় সংকটে রোপণ নিয়ে ছিল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তবে সব উদ্বেগ-উৎকন্ঠা অনিশ্চয়তা মাড়িয়ে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। এখন চলছে ফসল ঘরে তোলার পালা। রাজশাহীর বিভিন্ন কৃষকরা জানিয়েছেন, এবার রবিশস্য ঘরে তোলা শেষে বোরো রোপণের প্রস্তুতি নিতে দেরি হয়েছে কৃষকদের। প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে অনেকের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার নতুন করে বীজতলা তেরি করে রোপন করতে দেরিতে হয়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টি না হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। এ বছর সার ও কীটনাশকের দামও বেশি। উৎপাদন ভালো হলেও লাভ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, গত এক দশকে জেলায় বেরো উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এবার এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬৫ হাজার ৮৩৪ হেক্টর জমিতে দুই লাখ ৭১ হাজার ১৭১ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৬ হাজার ৭৩২ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৯ হাজার ৯৮৮ মেট্রিক টন। ২০১৯ ২০ অর্থবছরে ৬৬ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৬ হাজার ৯৮৩ মেট্রিক টন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীতে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ধান উৎপাদন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

রাজশাহী অঞ্চলে এবার বোরোর আবাদ বেশী এবং বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ধান উৎপাদন হয়েছে। এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এখন মাঠজুড়ে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। জ্যৈষ্ঠ মাসজুড়ে পুরোদমে চলবে সোনালি ফসল বোরো ধান কাটা-মাড়াই ও ঘরে তোলার ব্যস্ততা। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ জমির ধান ঘরে কুলেছেন চাষিরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রবিশস্য তুলতে দেরি হওয়ায় এবার বোরো আবাদের সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হয়েছে। অধিকাংশ চাষি দেরিতে ধান রোপণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল গরমের নেতিবাচক প্রভাব। পানিয় সংকটে রোপণ নিয়ে ছিল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তবে সব উদ্বেগ-উৎকন্ঠা অনিশ্চয়তা মাড়িয়ে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। এখন চলছে ফসল ঘরে তোলার পালা। রাজশাহীর বিভিন্ন কৃষকরা জানিয়েছেন, এবার রবিশস্য ঘরে তোলা শেষে বোরো রোপণের প্রস্তুতি নিতে দেরি হয়েছে কৃষকদের। প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে অনেকের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার নতুন করে বীজতলা তেরি করে রোপন করতে দেরিতে হয়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টি না হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। এ বছর সার ও কীটনাশকের দামও বেশি। উৎপাদন ভালো হলেও লাভ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, গত এক দশকে জেলায় বেরো উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এবার এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬৫ হাজার ৮৩৪ হেক্টর জমিতে দুই লাখ ৭১ হাজার ১৭১ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৬ হাজার ৭৩২ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৯ হাজার ৯৮৮ মেট্রিক টন। ২০১৯ ২০ অর্থবছরে ৬৬ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৮৬ হাজার ৯৮৩ মেট্রিক টন।