সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা”সামাজিক উন্নয়নে যুব সমাজের প্রস্তাবনা।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

আসসালামালাইকুম শুরু করছি আল্লাহর নামে, অত্র চন্দনতলা এলাকার সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন মূলক কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণে এগিয়ে আশা,সকল মুরুব্বিদের জানাই জানাই মোবারক বাদ।সূরা আন নিসা : ১৩৫ উদ্ধৃতি দিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে ইমানদারগণ তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক, আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর।,তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্মীয়- স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেও যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী তোমাদের চাইতে বেশি। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করনা।আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে -পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।””কোরআনের এই উদ্ধৃতিটি আজকের আলচ্য বিষযয়ের সাথে সামঞ্জস্য বলে বিবেচনা করছি।আজকে যেই বিষয়টাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছি, সেটা হলো একটা “সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা”একটি সমাজ ব্যবস্থার সব চাইতে উপরের স্তরটা হলো মানুষের। আর বর্তমানে সমাজ ব্যবস্থার সবচেয়ে নিচের স্তরে অবস্থান করছি আমরা মানুষ। আমাদের প্রত্যাকের সমাজের প্রতি কিছু না কিছু দায় বধ্যতা আছে। সমাজকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ করে তুলতে। সমাজের নেতৃত্য যখন পচন ধরে যায় তখন সমাজের চিত্রটা হয়তো আমাদের এলাকার মতো হয়ে যায়। যেটার বাস্তব চিত্র এখন আমাদের প্রাণের ঠিকানা চন্দনতলায়। ২০২৪ সালেও এসে সমাজ ঠিক করার প্রয়োজনবোধ করছে সমাজের ঘুন্যমান্য ব্যাক্তিরা। কারন সমাজব্যবস্থা এতটাই নষ্ট করে ফেলেছি আমরা_ সমাজের মানুষরা।যা এখন পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশ-পাশের এলাকা গুলোতে।এর জন্য এলাকার মানুষ যেমন দায়ি তেমনি যারা এই সমাজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে ছিলেন বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্বে আছেন তারাও সমান ভাবে দায়ি। আপনি কেমন দায়িত্ববান সমাজের ৫ জনের ,এক জন হয়ে বসে আছেন? সমাজের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান না করে আগেই পুলিশ এর কাছে যেতে বলেন সম্যসা সমাধানের জন্য। তাহলে আপনার দায়িত্ব কি ছিল? যখন ভাবলেন পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাচ্ছে, তাতখনিক আপনার অবস্থান পরিষ্কার করে সকলকে সাথে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করেননি কেনো?**আবার কিভাবে সমাজ পুনরায় তাঁর গৌরব ফিরে পাবে সমাজের নেতৃত্বে যারা থাকবে।সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এলাকার স্থানীয় ব্যক্তি বা প্রতিনিধি হয়ে, সমাজের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। যেদিন রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত স্বাধীন জাতীয় সত্তা, ঐক্য ও বিশ্বাসের সাথে সমাজ ব্যবস্থা পরিচালিত হবে। যেদিন সমাজের কর্তা ব্যক্তিরা সমাজের ন্যায় বিচারক হবে । যেদিন সমাজের কর্তা ব্যক্তিরা অন্যের হোক নিজের বলে চালিয়ে দিবে না ।যেদিন সমাজের কর্তা ব্যক্তিরা হোক কথা বলতে যেয়ে পিছিয়ে যাবে না ।মযেদিন নিজেদের ভুল সকলের সামনে তুলে ধরে সকলেকে সঙ্গে নিয়ে সমাধান করতে পারবে।মসমাজে কি কি পরিবর্তন জরুরি। ১. সমাজের সকলকে সঙ্গে নিয়ে সালাত/নামাজ কমিটি গঠন করতে হবে ।২. সমাজে কোরআন শিক্ষার মক্তব চালুর পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগে পাঠাগার তৈরি করতে হবে ।৩. খেলা ধুলা ও সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনায় যৌক্তিক সমর্থন দিতে হবে ।৪. অবসর সময়ে খেলা ধুলার জন্য মাঠের ব্যাবস্থা করতে হবে ।৫. হারাম কাজ ও জুয়া মুক্ত এলাকা ঘোষণা করতে হবে। প্রয়োজনে অর্থ দন্ডের পাশাপাশি ধরিয়ে দেওয়া ব্যাক্তিকে, সকল প্রকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুরস্কৃত করতে হবে ।৬. এলাকা ভিত্তিক ইনডোর গেম এর ব্যাবস্থা করতে হবে ।৭. এলাকা বাসীর যান- মাল ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত পাহাড়া চকি বসাতে হবে। ৮. এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে ৩ স্তরে সমাধানের জন্য ৩টি কমিটির এক্টিভ ভূমিকা পালন করতে হবে ।৯. এলাকার সম্যসা এলাকায় সমাধান না করতে পারলে দ্রুত কমিটির সিদ্ধান্তে নিজ অবস্থান থেকে পদত্যাগ করে পুলিশ বা আইনের সহযোগিতা নিতে হবে ।১০. যে কোন সমস্যা সমাধানের জরুরি মিটিং কল করে সর্বোচ্চ সমাধান করতে হবে।সামাজিক অবকাঠামো গত উন্নয়ন ও সমাজের অভ্যন্তরীণ নিয়ম কানুনে পরিবর্তন।১. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ,এলাকার জলাধার গুলো পরিষ্কার করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতেই হবে ।২.স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে, এলাকার সকল বর্জ ব্যাবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।৩.স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ,এলাকার সকল রাস্তাঘাট পুনমেরামতের জন্য। সমাজের সকলকে সাথে নিয়ে স্থায়ী সমাধান করতে হবে।৪. এলাকার যান-মাল রক্ষার জন্য রাত্রিকালীন নিরাপত্তা প্রহরী রাখতে হবে ।৫. ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় যাদেরকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে সর্বোচ্চ শান্তি কমিটি নিয়োগ করে এর সঠিক সমাধান করতে হবে।৬. সমাজে উন্নয়ন মূলক কোনো কিছু করতে চাইলে সমাজের ৯৫% মানুষের মতামত সহ স্বাক্ষর লাগবে।৭. সমাজের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রায় দিতে চাইলে এলাকার সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যাক্তি হিসেবে মহল্লার ইমাম সাহেবের রায় এর সাথে সামঞ্জস্য রাখতে হবে।৮.সমাজের স্থায়ী সম্পদের আয় ও ব্যয়ের হিসাব প্রতি বছর হালনাগাদ করতে হবে।৯. সমাজের স্থায়ী সম্পদের সঠিক উপায় ব্যাবহার করে সমাজের আয়ের পথ সম্বৃদ্ধী করতে হবে।১০. সমাজ তথা পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো প্রতিষ্ঠান সমাজের অভ্যন্তরে তৈরি না হয়। ওই দিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখতে হবে।১১. ২ বছর অন্তরন্ত কমিটি পরিবর্তন করতে হবে এবং যারা নতুন দায়িত্বে আসবে তাঁদের সমাজের সকল আয় ব্যয় সহ সকল কিছু বুঝিয়ে দিতে পূর্বের কমিটি বাধ্য থাকিবে।উপরুক্ত আলোচনার বিষয়বস্তু কারো মতের সাথে মিল বা অমিল থাকতেই পারে। আবার কারো বিরুদ্ধে ও যেতে পারে তা নিজগুনে সংশোধন করে নতুন কিছু সংযোজন করতে পারেন। কাওকে কষ্ট দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয় সমাজ তথা বাংলাদেশের বৃহত্তর স্বার্থে একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়তে !দ্বায়িত্বের সাথে সকলের এগিয়ে আশা উচিত।আল্লাহ হাফেজ!















