ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

অবৈধভাবে চাকুরীচ্যুত (আশা) এনজিও কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচী

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশা (ASA)-এর একটি অংশ কর্মী সম্প্রতি বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের পাশাপাশি পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীতে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছেন।
কর্মসূচীর বিবরণ
আজকের এই কর্মসূচী সকাল থেকেই শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন চাকুরীচ্যুত নারী ও পুরুষ কর্মীবৃন্দ, যাদের দীর্ঘদিনের সেবা-অবদান হঠাৎ করে ছিন্ন করা হয়েছে। কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাঁদের ন্যায়সঙ্গত দাবি উপস্থাপন করেন।
দাবিসমূহ
চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা নিম্নোক্ত দাবিগুলো উত্থাপন করেনঃ
বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুতি প্রত্যাহার করতে হবে।

বকেয়া বেতন-ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অন্যান্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।

পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহাল করতে হবে এবং হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
ভবিষ্যতে কর্মীদের প্রতি যে কোনো ধরনের নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।
কর্মীদের বক্তব্য
অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, তারা বহু বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অনেকের একাধিক মাসের বেতনও পরিশোধ করা হয়নি।
একজন ভুক্তভোগী বলেনঃ
“আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম সংকটে পড়েছি। আশার মতো বড় একটি প্রতিষ্ঠানে এমন অবিচার মানা যায় না। আমরা আমাদের প্রাপ্য অধিকার চাই, দয়া নয়।”
পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
কর্মসূচী চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে কর্মীদের দাবির প্রতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। শ্রমিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
উপসংহার
আশা এনজিও-র কর্মীদের এই আন্দোলন কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; এটি দেশের উন্নয়ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের অধিকার রক্ষার লড়াই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবৈধভাবে চাকুরীচ্যুত (আশা) এনজিও কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচী

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশা (ASA)-এর একটি অংশ কর্মী সম্প্রতি বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের পাশাপাশি পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীতে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছেন।
কর্মসূচীর বিবরণ
আজকের এই কর্মসূচী সকাল থেকেই শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন চাকুরীচ্যুত নারী ও পুরুষ কর্মীবৃন্দ, যাদের দীর্ঘদিনের সেবা-অবদান হঠাৎ করে ছিন্ন করা হয়েছে। কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাঁদের ন্যায়সঙ্গত দাবি উপস্থাপন করেন।
দাবিসমূহ
চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা নিম্নোক্ত দাবিগুলো উত্থাপন করেনঃ
বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুতি প্রত্যাহার করতে হবে।

বকেয়া বেতন-ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অন্যান্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।

পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহাল করতে হবে এবং হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
ভবিষ্যতে কর্মীদের প্রতি যে কোনো ধরনের নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।
কর্মীদের বক্তব্য
অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, তারা বহু বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অনেকের একাধিক মাসের বেতনও পরিশোধ করা হয়নি।
একজন ভুক্তভোগী বলেনঃ
“আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম সংকটে পড়েছি। আশার মতো বড় একটি প্রতিষ্ঠানে এমন অবিচার মানা যায় না। আমরা আমাদের প্রাপ্য অধিকার চাই, দয়া নয়।”
পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
কর্মসূচী চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে কর্মীদের দাবির প্রতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। শ্রমিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
উপসংহার
আশা এনজিও-র কর্মীদের এই আন্দোলন কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; এটি দেশের উন্নয়ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের অধিকার রক্ষার লড়াই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যায়।