ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি গল্প লিখলাম ২০২৪ইং

ঢাকার প্রতিনিধি ফাতেমা আক্তার মাহমুদা ইভা
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪ ১২২ বার পড়া হয়েছে

নিপা আক্তার একটা মেয়ের গল্প শুনাই

সব গল্পের মধ্যে ই মেয়েদের জিবনে একজন পুরুষ থাকে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর মর্যাদা রাখতে পারে আবার কোনো পুরুষ তা রক্ষা করতে পারে না।তেমনি একজন মেয়ের গল্প বলতে যাচ্ছি ।সে মেয়েটির মেয়ে হওয়াই ভুল ছিলো মেয়েটি দেখতে তেমন একটা সুন্দর ছিলো না বলে। তার স্বামী তাকে এক গাধা অপবাদ দিয়ে তৈরি করা সংসার ও দুইটি সন্তান কে রেখে চলে যায় কারন তার কর্ম করতে ভালো লাগতো না। নারী দিবস এর অধিকার নিয়ে মেয়েরা কথা বল্লে পুরুষ রা এক গাধা কথা বলে । আচ্ছা যে মেয়েটার স্বপ্ন ছিলো তার স্বামীর সাথে সংসার করবে কই সে তো সংসার না করেই পালিয়ে গেলো। কোথায় ছিলো তখন পুরুষ শাসিত সমাজ কোথায় ছিলো আপনাদের এতো মূল্যবান উক্তি। সেই মেয়েটি অনেক চরায় উতরায় নিজেকে নিজের কাছে করেছে বন্ধি হে মেয়েটি বাচ্চারা আজ বড় হয়েছে। শুনেছি বেশ ভালোই আছেন তারা এখন তারা কর্মরত অবস্থায় আছেন নাকি মাকে নাকি বেশ ভালোবাসেন তারা। মেয়েটি পেরেছে হে পেরেছে একা কেমন করে পথ চলে সন্তান দের নিজের পায়ে দ্বার করাতে। মেয়েটি বার বার হেরে গিয়ে বার বার জিতেছে। সেই মেয়েকে নিয়ে আজ নাকি জয় গান গায় সমাজ। কই মেয়েটির ক্ষত দাগ টা কি সমাজ অবস্থান পূর্ন করতে পেরেছে।কই কখনো বর্তমান রেখে অতিতের কথা যানতে চেয়েছেন। মেয়েটি আজও নিরবে রাত জেগে দুর আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঁদে কারন মেয়েটির এই বোবা কান্নার সাক্ষি কেওই হবে না জানি। তবুও মেয়েটি থেমে যায়নি যাবেও না যানি কিন্তু দিন কে দিন ক্ষত কিন্তু বড়ই হচ্ছে আর হচ্ছে । শত শত রাত মেয়েটি নামজে বসে কেঁদেছে তার প্রথম ভালোবাসার মানুষ টা যেনো ফিরে এসে বলে। সব ভুলে চলো আবার নতুন করে শুরু করি।  অপেক্ষা পর অপেক্ষা দিন মাস বছর যুগ কে যুগ চলে যায় ফিরে আসে না। মেয়েটি আজ আবার একা কারন বাচ্চারা আর কান্না করে না খাবারের জন্য। এখন তো থাকার জন্য ঘর ও আছে তার। নরম বিছানা সেটাও আছে। এখন কিছুটা অবসর সময় পায় মেয়েটি। কিছুটা গুছিয়ে এখন ভিন্ন রকম অবসর হয়েছে মাঝে মাঝে তাও। তখনি মনে পরে মেয়েটি কে দেওয়া সেই আঘাত ছুরে ফেলে গিয়ে পিছন ফিরে তাকায় নি আর। আবারও কি আসবে ফিরে এসে কি বলবে বুকে জরিয়ে আমি আছি থাকবো সব সময় অন্ধকার কেটে গিয়ে আলো ফুটলেই আবার জিবিকার তাগিদে ব্যস্ত হয়ে পরা মেয়েটি বার বার মরে বার বার বাঁচে মেয়েটির আসলেই কি মেয়ে হওয়া ভুল ছিলো। কেনো নারীরা অধিকার চায়বে না কি করবে বলেন তো।নিশঃপাপ ছিলো মেয়েটি বয়স ১২ কি আর বুঝতে শিখেছেিলো তখন মেয়েটিকে তার সংসার তার স্বামীর সুখ বুঝতে দেওয়ার আগেই তাকে জিবিত রেখে গলা টিপে হত্যা করেছে তার স্বামী। হায় রে সংসার আর মেয়েটির ভাগ্য জুটলো না। জুটলো শুধু অত্যাচার, পরিশ্রম,, লাঞ্চনা,, অবগ্গা,,, ঘৃনা,,  আজও সে মাঝে মাঝে তারাদের সাথে কথা বলে একটু সুখ খুজে পাওয়ার আসায়। তাই তো নারীরা এতো হিংস্র এতো ভাগিনি এতো রাগিনি সকল নারীকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর জন্য অভিন্দন জানাই স্বপ্নযাত্রা যুব উন্নয়ন সংস্থা পক্ষ থেকে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি গল্প লিখলাম ২০২৪ইং

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

নিপা আক্তার একটা মেয়ের গল্প শুনাই

সব গল্পের মধ্যে ই মেয়েদের জিবনে একজন পুরুষ থাকে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর মর্যাদা রাখতে পারে আবার কোনো পুরুষ তা রক্ষা করতে পারে না।তেমনি একজন মেয়ের গল্প বলতে যাচ্ছি ।সে মেয়েটির মেয়ে হওয়াই ভুল ছিলো মেয়েটি দেখতে তেমন একটা সুন্দর ছিলো না বলে। তার স্বামী তাকে এক গাধা অপবাদ দিয়ে তৈরি করা সংসার ও দুইটি সন্তান কে রেখে চলে যায় কারন তার কর্ম করতে ভালো লাগতো না। নারী দিবস এর অধিকার নিয়ে মেয়েরা কথা বল্লে পুরুষ রা এক গাধা কথা বলে । আচ্ছা যে মেয়েটার স্বপ্ন ছিলো তার স্বামীর সাথে সংসার করবে কই সে তো সংসার না করেই পালিয়ে গেলো। কোথায় ছিলো তখন পুরুষ শাসিত সমাজ কোথায় ছিলো আপনাদের এতো মূল্যবান উক্তি। সেই মেয়েটি অনেক চরায় উতরায় নিজেকে নিজের কাছে করেছে বন্ধি হে মেয়েটি বাচ্চারা আজ বড় হয়েছে। শুনেছি বেশ ভালোই আছেন তারা এখন তারা কর্মরত অবস্থায় আছেন নাকি মাকে নাকি বেশ ভালোবাসেন তারা। মেয়েটি পেরেছে হে পেরেছে একা কেমন করে পথ চলে সন্তান দের নিজের পায়ে দ্বার করাতে। মেয়েটি বার বার হেরে গিয়ে বার বার জিতেছে। সেই মেয়েকে নিয়ে আজ নাকি জয় গান গায় সমাজ। কই মেয়েটির ক্ষত দাগ টা কি সমাজ অবস্থান পূর্ন করতে পেরেছে।কই কখনো বর্তমান রেখে অতিতের কথা যানতে চেয়েছেন। মেয়েটি আজও নিরবে রাত জেগে দুর আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঁদে কারন মেয়েটির এই বোবা কান্নার সাক্ষি কেওই হবে না জানি। তবুও মেয়েটি থেমে যায়নি যাবেও না যানি কিন্তু দিন কে দিন ক্ষত কিন্তু বড়ই হচ্ছে আর হচ্ছে । শত শত রাত মেয়েটি নামজে বসে কেঁদেছে তার প্রথম ভালোবাসার মানুষ টা যেনো ফিরে এসে বলে। সব ভুলে চলো আবার নতুন করে শুরু করি।  অপেক্ষা পর অপেক্ষা দিন মাস বছর যুগ কে যুগ চলে যায় ফিরে আসে না। মেয়েটি আজ আবার একা কারন বাচ্চারা আর কান্না করে না খাবারের জন্য। এখন তো থাকার জন্য ঘর ও আছে তার। নরম বিছানা সেটাও আছে। এখন কিছুটা অবসর সময় পায় মেয়েটি। কিছুটা গুছিয়ে এখন ভিন্ন রকম অবসর হয়েছে মাঝে মাঝে তাও। তখনি মনে পরে মেয়েটি কে দেওয়া সেই আঘাত ছুরে ফেলে গিয়ে পিছন ফিরে তাকায় নি আর। আবারও কি আসবে ফিরে এসে কি বলবে বুকে জরিয়ে আমি আছি থাকবো সব সময় অন্ধকার কেটে গিয়ে আলো ফুটলেই আবার জিবিকার তাগিদে ব্যস্ত হয়ে পরা মেয়েটি বার বার মরে বার বার বাঁচে মেয়েটির আসলেই কি মেয়ে হওয়া ভুল ছিলো। কেনো নারীরা অধিকার চায়বে না কি করবে বলেন তো।নিশঃপাপ ছিলো মেয়েটি বয়স ১২ কি আর বুঝতে শিখেছেিলো তখন মেয়েটিকে তার সংসার তার স্বামীর সুখ বুঝতে দেওয়ার আগেই তাকে জিবিত রেখে গলা টিপে হত্যা করেছে তার স্বামী। হায় রে সংসার আর মেয়েটির ভাগ্য জুটলো না। জুটলো শুধু অত্যাচার, পরিশ্রম,, লাঞ্চনা,, অবগ্গা,,, ঘৃনা,,  আজও সে মাঝে মাঝে তারাদের সাথে কথা বলে একটু সুখ খুজে পাওয়ার আসায়। তাই তো নারীরা এতো হিংস্র এতো ভাগিনি এতো রাগিনি সকল নারীকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর জন্য অভিন্দন জানাই স্বপ্নযাত্রা যুব উন্নয়ন সংস্থা পক্ষ থেকে