ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

ইচ্ছা শক্তি থাকলে জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

মোঃ আরাফাত হোসেন (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

ইচ্ছা শক্তি থাকলে জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

 

প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি একজন মানুষকে বড় করে তোলে।

আপনি আজকে কোথায় আছেন সেটা কোন বড় বিষয় নয়!

 

আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান সেই জায়গায় যাওয়ার জন্য আপনি প্রতিদিন কি কাজ করছেন! ঔটাই বড় বিষয়।

 

এবাদুল শুভ একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আজকে আমরা তুলে ধরবো তার সফলতার গল্প।

যখন এবাদুল শুভ ক্লাস ৫ এ পড়েন তখন ছিলো ২০০৯ সাল।তখন তার পরিবার অনেক অভাব অনটনে দিন পার করছিলো। তখনই তার বাবার যক্ষা রোগ হয়।তখন তার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।

তিনিই পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন।

 

তখন তার বাবা বলেন আমি হয়তো বাবা তোমাকে আর পড়াতে পারবো নাহ!

কিন্তুু এবাদুল শুভর চোখে মুখে ছিলো অদম্য ইচ্ছা শক্তি।

 

এবাদুল শুভ কান্না ভেজা কন্ঠে বলেছিলেন আমি লেখাপড়া করতে চাই।তখন তার মা তাকে সাহস করে বলেন আমার রক্ত বিক্রি করে হলেও আমি তোকে পড়াবো।তার পরে তার আব্বু বলেছিলে তোর আর পড়াশোনা করতে হবেনা তোকে যেকোনো একটা দোকানে/ গ্যারেজে কাজে দিয়ে দিবো।

 

 

তার বাবা ছিলেন একজন মাছ বিক্রেতা।তার যক্ষা রোগের কারনে মাছ বিক্রি ছিলো বন্ধ। পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস ছিলো তার বাবার আছের ব্যাবসা।তখন একটা কথা প্রচলিত ছিলো যক্ষা হলে রক্ষা নাই।সবাই ভাবতো যক্ষা হলে মানুষ মারা যায়।

 

তখন এবাদুল শুভ এর সামনে সমাপনি পরিক্ষা। তখন তিনি কোন পথ খুজে না পেয়ে সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পযন্ত মাত্র ৩০০ টাকা রোজে কৃষি কাজ করলেন মাত্র ১০-১১ বছর বয়সে।তার পরে ও তিনি তার লেখাপড়া বন্ধ করেনি।

 

একপর্যায়ে তার বাবা ও আর চলাফেরা করতে পারনেন না।

তার পড়ে ও সে সমাপনি পরিক্ষা দেয় এবং ১ম বিভাগ নিয়ে পাশ করছেন।

 

 

এর পড়ে তার বাবা ও ধিরে ধিরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন।আবার মাছ বিক্রি করা শুরু করেন ভাবে তাদের সংসার চলেছিলো এবং এবাদুল শুভ তার লেখা পড়া ও চালাতেছিলেন।

এসএসসি পরীক্ষায় এবাদুল শুভ ৩.৯৩ জিপিএ নম্বর পেয়ে পাশ করলেন।

 

 

এর পরে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করলেন এবং একটি বেসরকারি কলেজে ভর্তি হলেন।সেই সময় বাংলাদেশ পুলিশ কন্সেবলে চাকরির নিয়োগ প্রকাশ হলো।

তার বাবা তাকে পুলিশের চাকরি আবেদন করতে নিষেধ করেন তার ভাবনা ছিলো ঘুষ ছাড়া পুলিশের চাকরি পাওয়া যায় না। কিন্তুু তার মা তাকে পুলিশের চাকরির জন্য আবেদন করতে বলেন।

এবাদুল শুভ তার মায়ের কথা মতো ১০১ টাকা দিয়ে পুলিশের চাকরির জন্য আবেদন করেন।

 

অনেক সংগ্রাম করে তিনি তার নিজের যোগ্যতায় কোন রকম কোন ঘুষ ছাড়া নিজের ইচ্ছে শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এ জায়গা করে নেয়।

এজন্যই ইচ্ছে শক্তি হলো সফলতার আসল চাবি কাঠি।ইচ্ছে শক্তি থাকলে মানুষ সব করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইচ্ছা শক্তি থাকলে জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

ইচ্ছা শক্তি থাকলে জীবনে সফল হওয়া সম্ভব।

 

প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি একজন মানুষকে বড় করে তোলে।

আপনি আজকে কোথায় আছেন সেটা কোন বড় বিষয় নয়!

 

আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান সেই জায়গায় যাওয়ার জন্য আপনি প্রতিদিন কি কাজ করছেন! ঔটাই বড় বিষয়।

 

এবাদুল শুভ একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আজকে আমরা তুলে ধরবো তার সফলতার গল্প।

যখন এবাদুল শুভ ক্লাস ৫ এ পড়েন তখন ছিলো ২০০৯ সাল।তখন তার পরিবার অনেক অভাব অনটনে দিন পার করছিলো। তখনই তার বাবার যক্ষা রোগ হয়।তখন তার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।

তিনিই পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন।

 

তখন তার বাবা বলেন আমি হয়তো বাবা তোমাকে আর পড়াতে পারবো নাহ!

কিন্তুু এবাদুল শুভর চোখে মুখে ছিলো অদম্য ইচ্ছা শক্তি।

 

এবাদুল শুভ কান্না ভেজা কন্ঠে বলেছিলেন আমি লেখাপড়া করতে চাই।তখন তার মা তাকে সাহস করে বলেন আমার রক্ত বিক্রি করে হলেও আমি তোকে পড়াবো।তার পরে তার আব্বু বলেছিলে তোর আর পড়াশোনা করতে হবেনা তোকে যেকোনো একটা দোকানে/ গ্যারেজে কাজে দিয়ে দিবো।

 

 

তার বাবা ছিলেন একজন মাছ বিক্রেতা।তার যক্ষা রোগের কারনে মাছ বিক্রি ছিলো বন্ধ। পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস ছিলো তার বাবার আছের ব্যাবসা।তখন একটা কথা প্রচলিত ছিলো যক্ষা হলে রক্ষা নাই।সবাই ভাবতো যক্ষা হলে মানুষ মারা যায়।

 

তখন এবাদুল শুভ এর সামনে সমাপনি পরিক্ষা। তখন তিনি কোন পথ খুজে না পেয়ে সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পযন্ত মাত্র ৩০০ টাকা রোজে কৃষি কাজ করলেন মাত্র ১০-১১ বছর বয়সে।তার পরে ও তিনি তার লেখাপড়া বন্ধ করেনি।

 

একপর্যায়ে তার বাবা ও আর চলাফেরা করতে পারনেন না।

তার পড়ে ও সে সমাপনি পরিক্ষা দেয় এবং ১ম বিভাগ নিয়ে পাশ করছেন।

 

 

এর পড়ে তার বাবা ও ধিরে ধিরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন।আবার মাছ বিক্রি করা শুরু করেন ভাবে তাদের সংসার চলেছিলো এবং এবাদুল শুভ তার লেখা পড়া ও চালাতেছিলেন।

এসএসসি পরীক্ষায় এবাদুল শুভ ৩.৯৩ জিপিএ নম্বর পেয়ে পাশ করলেন।

 

 

এর পরে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করলেন এবং একটি বেসরকারি কলেজে ভর্তি হলেন।সেই সময় বাংলাদেশ পুলিশ কন্সেবলে চাকরির নিয়োগ প্রকাশ হলো।

তার বাবা তাকে পুলিশের চাকরি আবেদন করতে নিষেধ করেন তার ভাবনা ছিলো ঘুষ ছাড়া পুলিশের চাকরি পাওয়া যায় না। কিন্তুু তার মা তাকে পুলিশের চাকরির জন্য আবেদন করতে বলেন।

এবাদুল শুভ তার মায়ের কথা মতো ১০১ টাকা দিয়ে পুলিশের চাকরির জন্য আবেদন করেন।

 

অনেক সংগ্রাম করে তিনি তার নিজের যোগ্যতায় কোন রকম কোন ঘুষ ছাড়া নিজের ইচ্ছে শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এ জায়গা করে নেয়।

এজন্যই ইচ্ছে শক্তি হলো সফলতার আসল চাবি কাঠি।ইচ্ছে শক্তি থাকলে মানুষ সব করতে পারেন।