ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

কসবার সুমা হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

এম কে খোকন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

কসবার সুমা হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সুমা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রাসেলকে ঢাকার পল্লবী এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)-৯ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানান হয়, নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে সুমা হত্যা মামলার ঘটনার বিবরণে গত ২০১৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন মো. রাসেল মিয়া (৩২) এর সাথে ভিকটিম সুমা আক্তারের ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমা আক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে ১টি অটোরিকশাসহ প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মালামাল ও ১ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার দেয়া হয়। এরপরেও ভিকটিমের স্বামী বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা আনার জন্য চাপ দিতে থাকে। এ নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকত।

চাহিত টাকা না পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মো. রাসেল মিয়া ভিকটিমের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এক পর্যায়ে ভিকটিম সুমা আক্তার স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে যায় এবং গত ৩১ মে ২০১৫ সালে ভিকটিম তার স্বামী মো. রাসেল মিয়াকে ডিভোর্স দেয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী মো. রাসেল মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৪ অক্টোবর ২০১৫ সালে সন্ধ্যার পর বাবার বাড়িতে থাকা ভিকটিম সুমা আক্তারকে একঘর থেকে অন্য ঘরে যাবার সময় এলোপাথারী কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে, পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ৫ অক্টোবর ২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ০৭, তারিখ- ৫ অক্টোবর ২০১৫, ধারা- ৩০২ পেনাল কোড। ঘটনার পর থেকেই ঘাতক মো. রাসেল মিয়া পলাতক ছিলেন।

গত ৭ আগস্ট ২০২৩ সালে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উক্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামী মো. রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদানসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এই ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল ৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ডিএমপির পল্লবী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি মো. রাসেল মিয়াকে (৩২) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি মো. রাসেল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার খিরনাল এলাকার বাসিন্দা আবু তাহেরের ছেলে।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কসবার সুমা হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কসবার সুমা হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সুমা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রাসেলকে ঢাকার পল্লবী এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)-৯ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানান হয়, নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে সুমা হত্যা মামলার ঘটনার বিবরণে গত ২০১৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন মো. রাসেল মিয়া (৩২) এর সাথে ভিকটিম সুমা আক্তারের ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমা আক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে ১টি অটোরিকশাসহ প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মালামাল ও ১ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার দেয়া হয়। এরপরেও ভিকটিমের স্বামী বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা আনার জন্য চাপ দিতে থাকে। এ নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকত।

চাহিত টাকা না পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মো. রাসেল মিয়া ভিকটিমের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এক পর্যায়ে ভিকটিম সুমা আক্তার স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে যায় এবং গত ৩১ মে ২০১৫ সালে ভিকটিম তার স্বামী মো. রাসেল মিয়াকে ডিভোর্স দেয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী মো. রাসেল মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৪ অক্টোবর ২০১৫ সালে সন্ধ্যার পর বাবার বাড়িতে থাকা ভিকটিম সুমা আক্তারকে একঘর থেকে অন্য ঘরে যাবার সময় এলোপাথারী কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে, পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ৫ অক্টোবর ২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ০৭, তারিখ- ৫ অক্টোবর ২০১৫, ধারা- ৩০২ পেনাল কোড। ঘটনার পর থেকেই ঘাতক মো. রাসেল মিয়া পলাতক ছিলেন।

গত ৭ আগস্ট ২০২৩ সালে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উক্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামী মো. রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদানসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। এই ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল ৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ডিএমপির পল্লবী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি মো. রাসেল মিয়াকে (৩২) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি মো. রাসেল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার খিরনাল এলাকার বাসিন্দা আবু তাহেরের ছেলে।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়।