ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

কৃষি পণ্য নতুন মাত্রা হিসেবে যোগ হচ্ছে রপ্তানি খাদে

রিপোর্টার সাহিদ মন্ডল
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫ ৯০ বার পড়া হয়েছে

রপ্তানি পণ্য হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কৃষিপণ্য। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি আয় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। কৃষিপণ্য রপ্তানি বিগত ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বিলিয়ন ডলার আয় করে। তবে পরের ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কমে যায় কৃষি পণ্যের রপ্তানি। ২০২০-২১ অর্থবছরে কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য রপ্তানি আয় হয়েছিল ১২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। পরবর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৮৩ কোটি ৮০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে নেমে আসে। আর ২০২৩-২৪ রপ্তানি আয় হয় ৯৬ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ লাখ ডলার। ফলে বিলিয়ন-ডলারের নিচে নেমে আসে রপ্তানি আয়। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানি আয় আবার আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ ইতোমধ্যে ওই খাতে ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পরপর দুই অর্থবছরে রপ্তানি কমার পরে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে দেশে উৎপাদিত কৃষি ও খাদ্য পণ্যের রপ্তানি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে সবজি, ফল, চা, মসলা এবং তামাকের মতো কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। আর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। মূলত ফল, চা, মসলা, তামাক এবং পশুর চর্বি রপ্তানি বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি আসছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী এটি ২০০৫ সালের তুলনায় ২ দশমিক ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে কৃষি রপ্তানির বৈশ্বিক মূল্য (মাছ বাদে) ১ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের ছিলো। সূত্র জানায়, বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজিত পণ্য থেকে আয় চলতি অর্থবছরে বিলিয়ন ডলারে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বিলিয়ন-ডলার উপার্জনে কৃষি পণ্য রপ্তানির পুনঃপ্রবেশ দেশের অত্যধিক প্রয়োজন। ফলে আশা করা যায়, তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমে আসবে। পোশাক খাত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের জন্য একক বৃহত্তম রপ্তানি আয়কারী, যা মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ দখল করে রেখেছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কৃষি পণ্য নতুন মাত্রা হিসেবে যোগ হচ্ছে রপ্তানি খাদে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

রপ্তানি পণ্য হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কৃষিপণ্য। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি আয় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। কৃষিপণ্য রপ্তানি বিগত ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বিলিয়ন ডলার আয় করে। তবে পরের ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কমে যায় কৃষি পণ্যের রপ্তানি। ২০২০-২১ অর্থবছরে কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য রপ্তানি আয় হয়েছিল ১২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। পরবর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৮৩ কোটি ৮০ লাখ ৩০ হাজার ডলারে নেমে আসে। আর ২০২৩-২৪ রপ্তানি আয় হয় ৯৬ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ লাখ ডলার। ফলে বিলিয়ন-ডলারের নিচে নেমে আসে রপ্তানি আয়। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানি আয় আবার আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ ইতোমধ্যে ওই খাতে ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, পরপর দুই অর্থবছরে রপ্তানি কমার পরে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে দেশে উৎপাদিত কৃষি ও খাদ্য পণ্যের রপ্তানি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে সবজি, ফল, চা, মসলা এবং তামাকের মতো কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। আর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। মূলত ফল, চা, মসলা, তামাক এবং পশুর চর্বি রপ্তানি বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি আসছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী এটি ২০০৫ সালের তুলনায় ২ দশমিক ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে কৃষি রপ্তানির বৈশ্বিক মূল্য (মাছ বাদে) ১ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের ছিলো। সূত্র জানায়, বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজিত পণ্য থেকে আয় চলতি অর্থবছরে বিলিয়ন ডলারে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বিলিয়ন-ডলার উপার্জনে কৃষি পণ্য রপ্তানির পুনঃপ্রবেশ দেশের অত্যধিক প্রয়োজন। ফলে আশা করা যায়, তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমে আসবে। পোশাক খাত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের জন্য একক বৃহত্তম রপ্তানি আয়কারী, যা মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ দখল করে রেখেছে