ক্ষমতার লোভে সহিংস রাজনীতি থেকে মুক্তি চায় সচেতন সমাজ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম
“হারা–জিতা আল্লাহর তরফ থেকেই আসে”—এই বিশ্বাসকে সামনে রেখে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাপ্তাহিক দেশ প্রিয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হাজী মোঃ লিয়াকত আলী। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে ক্ষমতার লোভ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার জন্য মানুষ খুন করতেও দ্বিধা করছে না—যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, “ক্ষমতা কি এতটাই বড় যে একজন মানুষ আরেকজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করবে? এটা কেমন রাজনীতি, কেমন ক্ষমতার চর্চা?” তাঁর মতে, এই ধরনের সহিংস ও অমানবিক রাজনীতি দেশের সামাজিক বন্ধন, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
হাজী মোঃ লিয়াকত আলী বাংলাদেশের সচেতন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা চাইলে এখনো পারি—দল-মত নির্বিশেষে সবাই একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলতে। ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে কাউকে ক্ষতি না করার মানসিকতা গড়ে তুললেই সমাজে শান্তি ফিরতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, কেউই ক্ষমতা নিয়ে দুনিয়াতে চিরকাল থাকবে না। একদিন সবাইকেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে—এই সত্যটি একবার মন থেকে উপলব্ধি করলে কাউকে ক্ষতি করার প্রবণতা আর থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবা, শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি, ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিশিষ্টজনেরা মনে করছেন, সহিংস রাজনীতির এই চক্র ভাঙতে হলে নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার চর্চা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ ও রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।
সচেতন মহলের মতে, হাজী মোঃ লিয়াকত আলীর এই বক্তব্য কেবল একটি সতর্কবার্তা নয়, বরং পুরো জাতির জন্য আত্মসমালোচনার আহ্বান। এখন সময় এসেছে—ক্ষমতার মোহ নয়, মানবতা ও শান্তিকেই রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার।


















