
গুচ্ছ অধিভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মাইগ্রেশন ও মেরিট অতিদ্রুত করার দাবিতে মানববন্ধন।
ফাতেমা আক্তার মাহমুদা ইভা স্টাফ রির্পোটার ঢাকা ঃ
আজ দূপূর ১ টা পর জাতীয় প্রেসক্লাব সামনে মানববন্ধ হয়। শিক্ষার্থীরা মানববন্ধ করে,তাদের বিষয় ছিল
গুচ্ছ অধিযুক্ত ২ বিশ্ববিদ্যালয় এর ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় জুন ২০২২। পাশকৃত শিক্ষার্থীদের স বিশ্ববিদ্যালয় চয়েজ দেয়ার জন্য ২০ জুন থেকে ২৭ জন পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। এরপর প্রথম মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হয় ২২ জুলাই দ্বিতীয় মেরিট লিস্ট ও প্রথম মাইগ্রেশন প্রকাশিত হয় ১ আগস্ট, তৃতীয় মেরিট লিস্ট ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশন প্রকাশিত হয় ১ আগস্ট, এরপর তৃতীয় মাইগ্রেশন প্রকাশিত হয় ১৩ আগস্ট, চতুর্থ মেরিট ও মাইগ্রেশন প্রকাশিত হয় ২০ আগস্ট। তারপরেও অসংখ্য সিট খালি থাকে যা আমরা বিভিন্ন সুরে আনতে পারি।
এরপর থেকে নতুন কোনো মেরিট মাইগ্রেশন প্রকাশ করেনি গুচ্ছ কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আর কোনো ধরনের নোটিশ ও দেয়া হয়নি।এরপর বিভিন্ন নিউজ পেপার এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি একদিন টেকনিক্যাল কমিটির মিটিং, একদিন মূল গুচ্ছ কমিটির মিটিং, আবার আজ নয় কাল মিটিং, কাল নয় পরশু মিটিং, এভাবেই দিনের পর দিন অবহেলার সাথে দিন পার করে চলেছে শুচ্ছ কর্তৃপক্ষ। "দা ডেইলি ক্যাম্পাস" মাধ্যমে আমরা জানতে পারি ২২২০, সিট ফাঁকা রয়েছে, এত গুলো সিট, ২২২০০ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত নিয়ে এত অবহেলা কেন? গত ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়েবসাইট এ নোটিশ দেয়া হলো আমরা অনেক ভাবে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহোদয়গণ এর সাথে যোগাযোগ এর চেষ্টা করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় গুলো তে স্মারকলিপি সহ ওভার ফোনে যোগাযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি, তারপর হাজার হাজার মেইল করার পর সাস্ট এর ভিসি স্যার এক মেইল এর রিপ্লাই দিয়েছে স্যার বলছে আমাদের যে যেখানে সাবজেক্ট পেয়েছি সেখানেই থাকতে । কিন্তু আমরা আমাদের পছন্দের সাবজেক্ট এ সিট খালি থাকা সত্ত্বেও কেনো আমরা যেখানে আছি সেখানেই থেকে যাবো? আমাদের চয়েজ লিস্ট এর উপরের সিট খালি থাকলে সেখানে আমাদের যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না কেনো?
কমিটির মিটিং, এক নয় পরশু মিটিং, এ যে মাইগ্রেশন এর জন্য যারা ইচ্ছুক তারা মাইগ্রেশন অন রাখবে কেউ যদি অফ করতে চায় তাহলে ২৪ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে করতে হবে, ২ প্রকার মাইগ্রেশন অন/অফ এর সুযোগ দেয়া হয়, সাবজেক্ট মাইগ্রেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মাইগ্রেশন। গত সোমবার চূড়ান্ত মিটিং হওয়ার কথা ছিলো কিভাবে ওয়েটিং এ থাকা শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে সেই বিষয় এ. কিন্তু এখন আবার ভিন্ন কথা, মিটিং এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি ভিসি মহোদয়গণ, গত কাল "দা ডেইলি ক্যাম্পাস" নিউজ প্রকাশ করেছে এখন ও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ভিসি স্যার মহোদয়গণ, সাস্ট এর ভিসি শ্রদ্ধেয় ফরিদ স্যার বলেছেন ভার্সিটি মাইগ্রেশন দিবে না, স্যার আরো অনেক কিছু বলেন ।
আমাদের কেন্দ্রীয় মাইগ্রেশন ও মেরিট প্রয়োজন।
কেন্দ্রীয় মাইগ্রেশন না দিলে তো আমরা আমাদের পছন্দের সাবজেক্ট পাবো না বা ভালো সাবজেক্ট পাবোনা, আর স্পট অ্যাডমিশন এর কারণে পিছন থেকে এসে ওদের কম মার্কস থাকা সত্ত্বেও ভালো সাজে এর সিট খালি থাকার কারণে ওরা ভালো সাবজেক্ট টা পেয়ে যাবে। যা মেধার অবমূল্যায়ন হবে। এছাড়াও স্প্ট এডমিশন এ অজতার সম্ভাবনা থাকে।
আমারা কেন্দ্রীয় মাইগ্রেশন ও মেরিট বহাল চাই। একটি সিট ভিসি মহোদয়দের কাছে শুধু একটা সংখ্যা হতে পারে মাত্র কিন্তু একটি সিট শুধু একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন নয়, তার পুরো পরিবার এর আশা ভরসা।এটা আমাদের ন্যায্য অধিকার। অমেরা কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরিক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত মেধা তালিকা অনুযায়ি মাইগ্রেশন ও মেরিট চাই। আমাদের মাইগ্রেশন নিয়ে উপরের দিকের সিট ফিল আপ করা হোক, এবং মেরিট দিয়ে ওয়েটিং লিস্ট এ থাকা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিট এর স্বপ্ন পুরণের সুযোগ দেয়া হোক।
প্রধান সম্পাদক : ফারুক হোসেন | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ মতিউর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : হাজী মোঃ লিয়াকত আলী,যুগ্ম-সম্পাদক: আব্দুল মালেক,যুগ্ম - সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন , ব্যুরো প্রধান: ফাহারিয়া ইসলাম( মুন) প্রেস এডিটর: মোঃ ফয়সাল হোসেন , মোঃ শান্ত।
যোগাযোগ ০১৭৬৫৮৮৪৪৪৯
দেশপ্রিয়২৪.কম