ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে ঐক্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে

চুয়াডাঙ্গায় ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ১১০ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার জেলা মডেল মসজিদস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম শাহীন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কবীর হোসেন ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) রিয়াজুল ইসলাম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মুফতী রুহুল আমিন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার জিয়াউর রহমান।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিম, খতিব ও উলামায়ে কেলামগণ মুসলিম ধর্মানুসারীদের নেতা। তারা চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইমামদের সজাগ হতে হবে। এ কাজে জনগণকে অবহিত করতে হবে, সকলকে সতর্ক করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে মানসিকতার পরিবর্তন খুবই জরুরি। আর এ মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য পরিবার থেকেই কাজ কারতে হবে। এ বিষয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তা ভাবনার পরিবর্তনের জন্য ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার ও প্রসার ঘটাতে হবে। যাতে করে একটি শিশু ও নারী আর কোনো সহিংসতা কিংবা নির্যাতনের শিকার না হয়।বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের আর্বিভাব হয়েছে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবকল্যাণ ও মানবতার জন্য। ইসলাম মানুষকে প্রকৃত মানুষ বানানোর শিক্ষা দেয়। নবীকুল শিরোমনি হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বে শান্তি, কল্যাণ ও মানবতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। দ্বীনী দাওয়াত প্রদানের মাধ্যমে রাসূলে কারীম (সা.) ইসলাম প্রচার করেছিলেন। ইসলামে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোন স্থান নেই। সমাজে সকলকে একযোগে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে কাজ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

চুয়াডাঙ্গায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার জেলা মডেল মসজিদস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক একেএম শাহীন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কবীর হোসেন ও চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) রিয়াজুল ইসলাম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মুফতী রুহুল আমিন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার জিয়াউর রহমান।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিম, খতিব ও উলামায়ে কেলামগণ মুসলিম ধর্মানুসারীদের নেতা। তারা চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইমামদের সজাগ হতে হবে। এ কাজে জনগণকে অবহিত করতে হবে, সকলকে সতর্ক করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে মানসিকতার পরিবর্তন খুবই জরুরি। আর এ মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য পরিবার থেকেই কাজ কারতে হবে। এ বিষয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তা ভাবনার পরিবর্তনের জন্য ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচার ও প্রসার ঘটাতে হবে। যাতে করে একটি শিশু ও নারী আর কোনো সহিংসতা কিংবা নির্যাতনের শিকার না হয়।বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের আর্বিভাব হয়েছে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবকল্যাণ ও মানবতার জন্য। ইসলাম মানুষকে প্রকৃত মানুষ বানানোর শিক্ষা দেয়। নবীকুল শিরোমনি হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বে শান্তি, কল্যাণ ও মানবতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। দ্বীনী দাওয়াত প্রদানের মাধ্যমে রাসূলে কারীম (সা.) ইসলাম প্রচার করেছিলেন। ইসলামে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোন স্থান নেই। সমাজে সকলকে একযোগে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে কাজ করতে হবে।