ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির শাপলা কলিতে ঢাকা-০১ আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন মো. রাসেল আহমেদ:

রিপোর্টোর : মো: মজিবুর রহমান।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টোর : মো: মজিবুর রহমান।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং ঢাকা জেলা প্রধান সমন্বয়ক মো. রাসেল আহমেদ আজ ঢাকা-০১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন।
তিনি বিগত সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন ও সমাবেশে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
রাস্তায়, মঞ্চে এবং গণসমাবেশে আন্দোলনের সময় তার সাহসিকতার কারণে তিনি একাধিকবার আহত হয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ বলেন, “আমি জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে নির্বাচনী মাঠে নামছি।” জাতীয় নাগরিক পার্টির শাপলা প্রতীকের সঙ্গে তিনি এই আসনে নতুন নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঢাকা-০১ আসনে তার মনোনয়ন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র জমার সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা এনসিপির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা। মো. রাসেল আহমেদের পাশে সমর্থন জানাতে এসে স্থানীয় নাগরিকরা উৎসাহিত ও উদ্দীপিত ছিলেন। তিনি জনগণের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
রাজনীতির ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি তাকে বিশেষভাবে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন এবং আন্দোলনের ইতিহাস তাকে সমাজে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বে পরিণত করেছে।
তিনি জানিয়েছেন, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো দোহার ও নবাবগঞ্জের জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। মো. রাসেল আহমেদের সমর্থকরা স্লোগান দিয়েছে, “রাসেল আহমেদ – জনগণের প্রতিনিধি।”
এমনকি স্থানীয় গণমাধ্যমও তার মনোনয়নকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক খবর হিসেবে তুলে ধরেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তিনি যুব সমাজের মধ্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
তিনি বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র নির্বাচনে জয় নয়, বরং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা।”
মো. রাসেল আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকা-০১ আসনে নতুন ধারা সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তার রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনায় রয়েছে শিক্ষার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা প্রসার এবং যুবকর্মসংস্থানের উদ্যোগ। তিনি বিগত সময়ে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন।
তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের সমস্যার সমাধান করতে বিশ্বাসী।
মনোনয়নপত্র জমার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।”
মো. রাসেল আহমেদের নির্বাচনী প্রচারণা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।
তিনি বিভিন্ন গ্রাম এবং শহরের এলাকায় জনসভা ও সভা করে জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং কৃষকদেরও সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মো. রাসেল আহমেদ বলেছেন, “আমরা সবাই মিলে একটি উন্নত ঢাকা-০১ গড়ে তুলব।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার ছাত্র আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তাকে জনমত গঠনে সাহায্য করবে। তিনি বলছেন, “আমাদের নীতি হবে স্বচ্ছতা, সততা এবং জনগণের কল্যাণ।” স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দও তার পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মো. রাসেল আহমেদ নির্বাচনী প্রচারণায় যুব সমাজকে সক্রিয় করার ওপর জোর দিচ্ছেন।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সকল প্রার্থীর সঙ্গে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা হবে।
এছাড়া, তিনি স্থানীয় সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সমাধানমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
ঢাকা-০১ আসনের নাগরিকরা তার উদার মানসিকতা এবং সমাজসেবামূলক মনোভাবের প্রশংসা করেছেন।
তিনি সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী মাঠে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।
তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করে।
তিনি বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, জনগণের আশা ও বিশ্বাসের প্রতি আমি সত্যনিষ্ঠ থাকব।” স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তার যোগ্যতা এবং আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি যুব সমাজের শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছেন। মো. রাসেল আহমেদ নির্বাচনী প্রচারণায় স্বচ্ছতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার নেতৃত্বে ঢাকা-০১ আসনে নতুন রাজনৈতিক ধারা শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের লক্ষ্য হবে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।” মো. রাসেল আহমেদ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে বলেন, “আমি জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করব।” ঢাকা-০১ এর জনগণ তার প্রতি ইতিমধ্যেই উদ্দীপনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছে। মো. রাসেল আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারণা সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হবে। তিনি সবাইকে একত্রিত করে উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার মনোনয়ন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র করবে। তার নেতৃত্ব এবং সংগ্রামী ইতিহাস তাকে জনমতের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। মো. রাসেল আহমেদ সব বয়সী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে গণমত সংগ্রহে আগ্রহী। তিনি জানান, “আমাদের জন্য জনগণের সেবা প্রাধান্য পাবে।”
মো. রাসেল আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া এক শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি জনগণের আশা ও বিশ্বাস পূরণের অঙ্গীকার করেছেন।
ঢাকা-০১ আসনে তার প্রার্থিতা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
মো. রাসেল আহমেদ তাঁর নেতৃত্বের মাধ্যমে ঢাকা-০১ এ নতুন রাজনৈতিক দিগন্ত উন্মোচনের জন্য প্রস্তুত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির শাপলা কলিতে ঢাকা-০১ আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন মো. রাসেল আহমেদ:

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টোর : মো: মজিবুর রহমান।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং ঢাকা জেলা প্রধান সমন্বয়ক মো. রাসেল আহমেদ আজ ঢাকা-০১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন।
তিনি বিগত সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন ও সমাবেশে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
রাস্তায়, মঞ্চে এবং গণসমাবেশে আন্দোলনের সময় তার সাহসিকতার কারণে তিনি একাধিকবার আহত হয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ বলেন, “আমি জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে নির্বাচনী মাঠে নামছি।” জাতীয় নাগরিক পার্টির শাপলা প্রতীকের সঙ্গে তিনি এই আসনে নতুন নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঢাকা-০১ আসনে তার মনোনয়ন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র জমার সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা এনসিপির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা। মো. রাসেল আহমেদের পাশে সমর্থন জানাতে এসে স্থানীয় নাগরিকরা উৎসাহিত ও উদ্দীপিত ছিলেন। তিনি জনগণের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
রাজনীতির ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি তাকে বিশেষভাবে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন এবং আন্দোলনের ইতিহাস তাকে সমাজে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বে পরিণত করেছে।
তিনি জানিয়েছেন, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো দোহার ও নবাবগঞ্জের জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। মো. রাসেল আহমেদের সমর্থকরা স্লোগান দিয়েছে, “রাসেল আহমেদ – জনগণের প্রতিনিধি।”
এমনকি স্থানীয় গণমাধ্যমও তার মনোনয়নকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক খবর হিসেবে তুলে ধরেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তিনি যুব সমাজের মধ্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
তিনি বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র নির্বাচনে জয় নয়, বরং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা।”
মো. রাসেল আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকা-০১ আসনে নতুন ধারা সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তার রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনায় রয়েছে শিক্ষার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা প্রসার এবং যুবকর্মসংস্থানের উদ্যোগ। তিনি বিগত সময়ে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন।
তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের সমস্যার সমাধান করতে বিশ্বাসী।
মনোনয়নপত্র জমার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।”
মো. রাসেল আহমেদের নির্বাচনী প্রচারণা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।
তিনি বিভিন্ন গ্রাম এবং শহরের এলাকায় জনসভা ও সভা করে জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং কৃষকদেরও সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মো. রাসেল আহমেদ বলেছেন, “আমরা সবাই মিলে একটি উন্নত ঢাকা-০১ গড়ে তুলব।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার ছাত্র আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তাকে জনমত গঠনে সাহায্য করবে। তিনি বলছেন, “আমাদের নীতি হবে স্বচ্ছতা, সততা এবং জনগণের কল্যাণ।” স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দও তার পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মো. রাসেল আহমেদ নির্বাচনী প্রচারণায় যুব সমাজকে সক্রিয় করার ওপর জোর দিচ্ছেন।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সকল প্রার্থীর সঙ্গে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা হবে।
এছাড়া, তিনি স্থানীয় সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সমাধানমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
ঢাকা-০১ আসনের নাগরিকরা তার উদার মানসিকতা এবং সমাজসেবামূলক মনোভাবের প্রশংসা করেছেন।
তিনি সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
মো. রাসেল আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী মাঠে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।
তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করে।
তিনি বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, জনগণের আশা ও বিশ্বাসের প্রতি আমি সত্যনিষ্ঠ থাকব।” স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তার যোগ্যতা এবং আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি যুব সমাজের শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছেন। মো. রাসেল আহমেদ নির্বাচনী প্রচারণায় স্বচ্ছতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার নেতৃত্বে ঢাকা-০১ আসনে নতুন রাজনৈতিক ধারা শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের লক্ষ্য হবে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।” মো. রাসেল আহমেদ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে বলেন, “আমি জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করব।” ঢাকা-০১ এর জনগণ তার প্রতি ইতিমধ্যেই উদ্দীপনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছে। মো. রাসেল আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারণা সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হবে। তিনি সবাইকে একত্রিত করে উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার মনোনয়ন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র করবে। তার নেতৃত্ব এবং সংগ্রামী ইতিহাস তাকে জনমতের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। মো. রাসেল আহমেদ সব বয়সী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে গণমত সংগ্রহে আগ্রহী। তিনি জানান, “আমাদের জন্য জনগণের সেবা প্রাধান্য পাবে।”
মো. রাসেল আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া এক শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি জনগণের আশা ও বিশ্বাস পূরণের অঙ্গীকার করেছেন।
ঢাকা-০১ আসনে তার প্রার্থিতা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
মো. রাসেল আহমেদ তাঁর নেতৃত্বের মাধ্যমে ঢাকা-০১ এ নতুন রাজনৈতিক দিগন্ত উন্মোচনের জন্য প্রস্তুত।