
জামিনে মুক্তি পেলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মোকাররম সর্দার।তাকে মুক্তি দেওয়ায় স্বস্তি ফিরিছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) বেলা তিনটার দিকে জামিন পান তিনি। এর আগে গত রোববার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আলীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
একটি পত্রিকার প্রতিবেন থেকে জানা যায়, বিকেলে জামিন লাভ করার পর মোকাররম সর্দার বলেন, ‘ব্যবসায়ীক লেনদেন থেকে ভুল বুঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে আমার নামে ওই মামলা দেয়া হয়েছিল। আমি একজন ব্যবসায়ী। চাঁদা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। হয়তো ভুল বুঝাবুঝি থেকে আমার বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়েছিল। তবে বাদি ভুল বুঝতে পারেন এবং আমাকে আদালতে তোলার পর বাদি নিজেই আদালতে হাজির হন। তার সাথে যেই আপোষনামা হয়েছে, সেই আপোষনামা বাদি নিজেই আদালতে সাবমিট করেন এবং বাদির জিম্মায় আমাকে জামিন দেয়া হয়েছে। এখানে চাঁদাবাজীর মত কোনো ঘটনা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘৩৪ বছর ধরে আমি সুনামের সাথে লোড-আনলোডের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। বসুন্ধরা গ্রুপ, শেখ ব্রাদার্স গ্রুপ ও মোশারফ গ্রুপসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার লোড আনলোডের ব্যবসা চলছে। যেখানে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করে। ব্যবসায়ীক সুবাধেই আমার জীবিকা চলে। কেউ কেউ অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, আমি নাকি সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের ক্যাশিয়ার! এটা আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই নয়। হারুন সাহেব আমার এলাকার হওয়ায় তিনি আমাকে আগে থেকেই চিনেন, আমিও তাকে চিনি। এর বাহিরে অন্যকোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি নিকলী উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলাম। যেখানে দল মত নির্বিশেষে সকলের ভোটেই আমি বিজয়ী হয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা নেই। যারা এগুলো বলছে, তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’
জানা যায়, গত ২ অক্টোবর অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় অন্যান্যদের সাথে মোকাররম সর্দারকেও আসামী করা হয়।
প্রধান সম্পাদক : ফারুক হোসেন | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ মতিউর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : হাজী মোঃ লিয়াকত আলী,যুগ্ম-সম্পাদক: আব্দুল মালেক,যুগ্ম - সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন , ব্যুরো প্রধান: ফাহারিয়া ইসলাম( মুন) প্রেস এডিটর: মোঃ ফয়সাল হোসেন , মোঃ শান্ত।
যোগাযোগ ০১৭৬৫৮৮৪৪৪৯
দেশপ্রিয়২৪.কম