জেলেদের জিম্মি করে মাছ লুট ও ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপন আদায়ের এজহার ভুক্ত ০১ আাসামী গ্রে*ফতার।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৫১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি
ভোলার মনপুরা জনতা বাজার এলাকায় জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপন আদায়ের ঘটনায় এজহার ভুক্ত এক আসামী গ্রেফতার।
ভোলার মনপুরা উপজেলা ৪ নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের জনতা ঘাট এলাকায় জেলেদের জিম্মি করে মাছ লুট ও ৬০ হাজার টাকা মুক্তি পন আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের মুল হোতা নোমান মুন্সিও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
১/১০/২৫ ইং তারিখ বুধবার বিকাল তিন ঘটিকায় সময় বেতুয়া খাল নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী জেলে হানিফ রাড়ী ৪০ বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার দুল খালী ইউনিয়নের রহমানের ছেলে।তিনি অভিযোগ করে বলেন প্রতিদিনের ন্যায় মাছ শিকারের জন্য বেতুয়া খাল সম্মুখে জাল ফেলে মাছ ধরে কোলেস্টরে সংরক্ষণ করে চরের কাছাকাছি বিশ্রাম নেই। হঠাৎ একটি স্পিড বোর্ডও কিছু লোক এসে তাদের কাছাকাছি ভেড়ায়। এবং তারা অতর্কিতভাবে আমাদের উপরে চড়াও হয় কিল ঘুসি ও লাথি দিয়ে বলে তোদের ট্রলারে অবৈধ হরিণের মাংস এবং বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার অভিযোগ আছে, আমরা যখন অস্বীকার করি আমাদের কাছে এমন অবৈধ কিছু নেই আমরা অবৈধ কোন কার্যক্রমের সাথে জড়িত নয় এরপর তারা আমাদেরকে মেরে ফেলা রুমকি দেয় এরপর আমাদের কলেস্টার এ থাকে ৫০০০০ টাকার মাছ যায় এবং দুই লাখ টাকা দাবি করে। আমরা বলি ভাই আমরা এতটা কোথা থেকে দেবো পরে তারা আমার বাকি জেলেদেরকে রেখে আমাকে নিয়ে জনতা ঘাট আসে আমার আরতদ্বার কাছ থেকে আমার মায়ের অসুস্থতা কথা বলে ৬০ হাজার টাকা তাদেরকে দেই পরে তারা স্পিড বোট যোগে আমাকে চরে নৌকার কাছে নামিয়ে দেয়।পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনগণ মনপুরা থানায় খবর দেয় পরবর্তীতে পুলিশ এসে সকল তথ্য প্রমান সংগ্রহ করে। আমি মনপুরা সদর হসপিটালে চিকিৎসা নিয়ে মনপুরা থানায় একটি মামলা ও দায়ের করি।
এই ব্যপারে মনপুরা থানার ওসি মোঃআহসান কবির জানান মনপুরা থানায় মামলা নং ১ ধারা ৩৯২ ও ৩৯৪ তে মামলাটি রুজু হয়, মনপুরার থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২নং আসামি ইসলাম ওরফে ইউসুফকে আটক করা হয় বাকি আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।
















