ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮,

ঝিনাইদহে ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ১১৫৭ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহে ধর্ষণ মামলায় সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদ বর্তমানে জেলা শহরের ধোপাঘাটা গোবিন্দপুর গ্রামে বাস করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়া বটতলা এলাকার ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে তাঁর স্বামীর পারিবারিক মনোমালিন্য বিষয় নিয়ে সমাধানের জন্য (ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে) সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের কাছে যায়। সে সময় চেয়ারম্যান তাঁকে বিচার করে দেবে বলে আশ্বস্ত করেন। পরে ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল চেয়ারম্যান ফরিদ তাঁর গ্রামের বাড়িতে যেতে বলেন ওই নারীকে (নরহরিদ্রা গ্রামে)। এরপর তাঁর বাড়িতে গেলে তিনি ওই নারীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল ওই নারী ঝিনাইদহ সদর থানায় দুজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ দুজনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। মামলার অপর আসামির দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এদিকে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. মো. বজলুর রহমান বলেন, ‘এই মামলায় আমরা চেয়েছিলাম আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

ঝিনাইদহে ধর্ষণ মামলায় সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদ বর্তমানে জেলা শহরের ধোপাঘাটা গোবিন্দপুর গ্রামে বাস করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়া বটতলা এলাকার ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে তাঁর স্বামীর পারিবারিক মনোমালিন্য বিষয় নিয়ে সমাধানের জন্য (ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে) সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের কাছে যায়। সে সময় চেয়ারম্যান তাঁকে বিচার করে দেবে বলে আশ্বস্ত করেন। পরে ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল চেয়ারম্যান ফরিদ তাঁর গ্রামের বাড়িতে যেতে বলেন ওই নারীকে (নরহরিদ্রা গ্রামে)। এরপর তাঁর বাড়িতে গেলে তিনি ওই নারীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল ওই নারী ঝিনাইদহ সদর থানায় দুজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ দুজনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। মামলার অপর আসামির দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এদিকে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. মো. বজলুর রহমান বলেন, ‘এই মামলায় আমরা চেয়েছিলাম আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।