ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন নৌ রুটের নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলে মানুষের জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা ও রাত্রি যাপন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রের  প্রতিবাদ মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আক্তার 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন নৌ রুটের নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলে মানুষের জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা ও রাত্রি যাপন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রের

প্রতিবাদ মানববন্ধন‌ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।মানববন্ধনকারীরা জানায়,অফুরন্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প এখন খুবই সম্ভাবনাময়। তৈরী পোশাক শিল্পের পরই পর্যটন শিল্প থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণসমূহকে বিশ্বব্যাপী প্রচার এবং একে বিশ্ব দরবারে একটি ‘পর্যটন গন্তব্য’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১০ সালেই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড গঠন করা হয়। প্রতি বছর ১ কোটির উপর মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন পর্যটন এলাকায়। দেশে পর্যটকদের জন্য ট্যুরিজম স্পটগুলোর সুবিধা বাড়লে বিদেশ ভ্রমণের হারও কমে আসবে। বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমাগতভাবে পর্যটন খাত থেকেই সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে।তাদের দাবি সমূহ হলো,

১. সেন্টমার্টিন্স বিষয়ে বিগত সরকারের গৃহীত সকল দেশ বিরোধী ও পর্যটন বিরোধী সিদ্ধান্তসমূহ বাতিলকরা। ২. সেন্টমার্টিন্স দ্বীপে পর্যটন খাতকে উন্নয়ন করে, দ্বীপে পর্যটক সীমিতকরণ এবং রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ না করে বরং দ্বীপটিতে পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা এবং জনগণকে পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করার জন্য কার্যকর পদকক্ষেপ গ্রহণ করা।

৩. টেকনাফ থেকে জাহাজ চলাচলের উপযুক্ত পথ নির্ধারন করে লাখো মানুষের জীবন জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা।

৪. দ্বীপটিকে প্লাষ্টিক মুক্ত এলাকা বাস্তবায়ন করা অথবা দ্বীপের প্লাষ্টিক বর্জ রিসাইকেলিং এর ব্যবস্থা করা। যথাসম্ভব প্লাষ্টিক সামগ্রীর ব্যবহার কমিয়ে আনা। চিপস, আচার, চকোলেট জাতীয় পণ্য দ্বীপে নিষিদ্ধ করা। চিপসের পরিবের্তে কাঁচের বৈয়ামে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৈরী ডিমের পিঠা / ঐতিহ্যবাহী চাঁচের পিঠা রাখা যেতে পারে। চকোলেটের পরিবের্তে বাতাসা, নাজুসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা যেতে পারে।

৫. বাইরে থেকে আসা বোতলজাত পানি ও কোমল পানীয় নিষিদ্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে ওয়াসাকে সেখানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে কর্মসংস্থানও তৈরী হবে।

৬. ট্রেনিং সেন্টার খুলে বিনা মূল্যে রিসোর্ট ও রেস্তোরার মালিক, ওয়েটার, ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও পর্যটনে কাজ করতে ইচ্ছুক জনগণকে ট্যুরিজমের ট্রেনিং দিতে হবে।পরিবেশ ঠিক রেখে স্থানীয়দের রুটি-রুজি কিভাবে বাড়ানো যায়, কিভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়।

৭.সেসব বিবেচনায় নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা।

৮. পহেলা অক্টোবর হতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রদান করা।

৯. সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিষয়ে যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বীপবাসী এবং সকল স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করা।

১০. সেন্টমার্টিন পরিবেশ বান্ধব বোতল জাত পানির কারখানা স্থাপন অথবা পরিবেশ বান্ধব পানির বোতল ও পানির পাত্র সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে সরবারাহের ব্যবস্থা করা এবং সেন্টমার্টিন্সে বর্জ্য ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা।

১১. পর্যাপ্ত পরিমানের ডাস্টবিন এবং ময়লা ডাম্পিংয়ের জন্য স্থান নির্ধারন করা। সেন্টমার্টিনকে ১০০% কুকুরমুক্ত করা।

১২. সেন্টমার্টিন রিসোর্টগুলোত আলো সীমিত করতে হবে এবং কোনরুপ উৎসব করা যাবে না।

১৩. দ্বীপে জেনারেটর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। সরকারীভাবে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

১৪. সরকারীভাবে সকল রাস্তা প্রসন্ত ও পাকা ড্রেন নির্মাণ করতে হবে।

১৫. সেন্টমার্টিন দ্বীপকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ বান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে

তুলতে হবে।

১৬. দ্বীপের চতুর্দিকে মেরিন ড্রাইভ রোড নির্মাণ করতে হবে।

১৭. টেকনাফ সাবরাং ও সেন্টমার্টিনে ২ টি জেটি নির্মাণ।

১৮. পরিবেশ সংক্রন্ত সকল হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন নৌ রুটের নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলে মানুষের জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা ও রাত্রি যাপন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রের  প্রতিবাদ মানববন্ধন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন নৌ রুটের নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলে মানুষের জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা ও রাত্রি যাপন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রের

প্রতিবাদ মানববন্ধন‌ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।মানববন্ধনকারীরা জানায়,অফুরন্ত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প এখন খুবই সম্ভাবনাময়। তৈরী পোশাক শিল্পের পরই পর্যটন শিল্প থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণসমূহকে বিশ্বব্যাপী প্রচার এবং একে বিশ্ব দরবারে একটি ‘পর্যটন গন্তব্য’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১০ সালেই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড গঠন করা হয়। প্রতি বছর ১ কোটির উপর মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন পর্যটন এলাকায়। দেশে পর্যটকদের জন্য ট্যুরিজম স্পটগুলোর সুবিধা বাড়লে বিদেশ ভ্রমণের হারও কমে আসবে। বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমাগতভাবে পর্যটন খাত থেকেই সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে।তাদের দাবি সমূহ হলো,

১. সেন্টমার্টিন্স বিষয়ে বিগত সরকারের গৃহীত সকল দেশ বিরোধী ও পর্যটন বিরোধী সিদ্ধান্তসমূহ বাতিলকরা। ২. সেন্টমার্টিন্স দ্বীপে পর্যটন খাতকে উন্নয়ন করে, দ্বীপে পর্যটক সীমিতকরণ এবং রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ না করে বরং দ্বীপটিতে পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা এবং জনগণকে পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করার জন্য কার্যকর পদকক্ষেপ গ্রহণ করা।

৩. টেকনাফ থেকে জাহাজ চলাচলের উপযুক্ত পথ নির্ধারন করে লাখো মানুষের জীবন জীবিকা বাঁচিয়ে রাখা।

৪. দ্বীপটিকে প্লাষ্টিক মুক্ত এলাকা বাস্তবায়ন করা অথবা দ্বীপের প্লাষ্টিক বর্জ রিসাইকেলিং এর ব্যবস্থা করা। যথাসম্ভব প্লাষ্টিক সামগ্রীর ব্যবহার কমিয়ে আনা। চিপস, আচার, চকোলেট জাতীয় পণ্য দ্বীপে নিষিদ্ধ করা। চিপসের পরিবের্তে কাঁচের বৈয়ামে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৈরী ডিমের পিঠা / ঐতিহ্যবাহী চাঁচের পিঠা রাখা যেতে পারে। চকোলেটের পরিবের্তে বাতাসা, নাজুসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা যেতে পারে।

৫. বাইরে থেকে আসা বোতলজাত পানি ও কোমল পানীয় নিষিদ্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে ওয়াসাকে সেখানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে কর্মসংস্থানও তৈরী হবে।

৬. ট্রেনিং সেন্টার খুলে বিনা মূল্যে রিসোর্ট ও রেস্তোরার মালিক, ওয়েটার, ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও পর্যটনে কাজ করতে ইচ্ছুক জনগণকে ট্যুরিজমের ট্রেনিং দিতে হবে।পরিবেশ ঠিক রেখে স্থানীয়দের রুটি-রুজি কিভাবে বাড়ানো যায়, কিভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়।

৭.সেসব বিবেচনায় নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা।

৮. পহেলা অক্টোবর হতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রদান করা।

৯. সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিষয়ে যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বীপবাসী এবং সকল স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করা।

১০. সেন্টমার্টিন পরিবেশ বান্ধব বোতল জাত পানির কারখানা স্থাপন অথবা পরিবেশ বান্ধব পানির বোতল ও পানির পাত্র সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে সরবারাহের ব্যবস্থা করা এবং সেন্টমার্টিন্সে বর্জ্য ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা।

১১. পর্যাপ্ত পরিমানের ডাস্টবিন এবং ময়লা ডাম্পিংয়ের জন্য স্থান নির্ধারন করা। সেন্টমার্টিনকে ১০০% কুকুরমুক্ত করা।

১২. সেন্টমার্টিন রিসোর্টগুলোত আলো সীমিত করতে হবে এবং কোনরুপ উৎসব করা যাবে না।

১৩. দ্বীপে জেনারেটর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। সরকারীভাবে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

১৪. সরকারীভাবে সকল রাস্তা প্রসন্ত ও পাকা ড্রেন নির্মাণ করতে হবে।

১৫. সেন্টমার্টিন দ্বীপকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ বান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে

তুলতে হবে।

১৬. দ্বীপের চতুর্দিকে মেরিন ড্রাইভ রোড নির্মাণ করতে হবে।

১৭. টেকনাফ সাবরাং ও সেন্টমার্টিনে ২ টি জেটি নির্মাণ।

১৮. পরিবেশ সংক্রন্ত সকল হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।