ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে ঐক্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‎ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হ*ত্যা মা*মলায় এক আ*সামি গ্রে*ফতার।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

‎ভোলার মনপুরার বহুল আলোচিত ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামির যাবতজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
‎মামলার নথিতে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা ও ফকিরহাট বাজারের পরিচিত ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দীন সার ও কীটনাশক ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরেরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে দুটি সার্সিট দাখিল করা হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
‎বিচারকাজ চলাকালে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। আদালত এই আলামত ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যকে মামলার প্রধান ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
‎রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেন আদালত।

‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
‎“দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর এ রায় প্রমাণ করেছে—নৈতিকতা ও আইনের কাছে অপরাধীরা কখনোই রক্ষা পায় না। সত্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপক্ষের লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

‎স্থানীয়দের মতে, আলোচিত এ মামলার রায় এলাকায় স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।