ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

দক্ষিণ কোরিয়ায় ছাত্রজীবনের সাফল্যের নতুন দিশা: একে আজাদের পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার অনন্য গল্প

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ

প্রবাসী জীবনে সাফল্যের জন্য কেবল মেধা নয়, প্রয়োজন সুস্পষ্ট লক্ষ্য, সুপরিকল্পিত পথচলা আর দৃঢ় মানসিকতা। এই কথারই জীবন্ত প্রমাণ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী একে আজাদ, যিনি দক্ষিণ কোরিয়ার মাস্টার্স অধ্যয়নকালে নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন এক ব্যতিক্রমী দর্শনে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর চিন্তাশীল পোস্ট ইতোমধ্যেই প্রবাসী শিক্ষার্থীদের মনে আলোড়ন তুলেছে। সেখানে তিনি তুলে ধরেছেন, কীভাবে সঠিক পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার সমন্বয়ে ছাত্রজীবনকে সাফল্যের সোপানে পৌঁছানো সম্ভব।

আজাদ জানান, অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেখানে দুই বছরের সাধারণ সময়সীমার মধ্যে মাস্টার্স সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন, তিনি শুরু থেকেই আড়াই বছরের একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বেছে নেন। প্রতিটি দিনের জন্য ছিল তাঁর আলাদা কর্মতালিকা। আর আল্লাহর অশেষ কৃপায় সেই পরিকল্পনার প্রায় ৯০ শতাংশই তিনি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।

তাঁর ভাষায়, “অনেকে দ্রুত পড়াশোনা শেষ করে দ্বিধায় ভোগেন, এরপর কী করবেন। অথচ আমি আমার শ্রম, সময় ও অর্থ কেবল ভবিষ্যতের মজবুত ভিত্তি গড়ার জন্য ব্যয় করেছি।”

ডি-২ ভিসার প্রসঙ্গ টেনে আজাদ বলেন, কোরিয়ায় আগত শিক্ষার্থীদের এ ভিসার গুরুত্ব যথাযথভাবে বোঝা দরকার। তাঁর অভিমত—এটি কেবল পড়াশোনার জন্য নয়, বরং সচেতনভাবে ব্যবহার করলে এটি ক্যারিয়ারে এক নতুন অধ্যায়ের দ্বার খুলে দিতে পারে।

যেখানে অনেক সহপাঠী ডি-২ ও ডি-১০ ভিসার সময়সীমা ইতোমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন, সেখানে তাঁর এখনো ডি-২ ভিসার ছয় মাস বাকি এবং ডি-১০ ভিসার পুরো সময় অক্ষত রয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে, শুরু থেকেই তিনি নিজের পথচলাকে সুপরিকল্পিত করেছেন।

পড়াশোনা, কাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করে প্রোফাইল তৈরি করা কতটা কঠিন—সেটিও অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। তাই নতুন শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, কোরিয়ায় পা রাখার পর থেকেই নিজেদের প্রোফাইল গড়তে মনোযোগী হতে হবে।

একে আজাদের এই অনন্য চিন্তা ও তার সফল বাস্তবায়ন কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়। বরং এটি এক অনুপ্রেরণার আলো, যা পথ দেখাবে হাজারো শিক্ষার্থীকে, যারা প্রবাসের মাটিতে অদম্য পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে সংগ্রাম করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দক্ষিণ কোরিয়ায় ছাত্রজীবনের সাফল্যের নতুন দিশা: একে আজাদের পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার অনন্য গল্প

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:২২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার:মোঃআনজার শাহ

প্রবাসী জীবনে সাফল্যের জন্য কেবল মেধা নয়, প্রয়োজন সুস্পষ্ট লক্ষ্য, সুপরিকল্পিত পথচলা আর দৃঢ় মানসিকতা। এই কথারই জীবন্ত প্রমাণ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী একে আজাদ, যিনি দক্ষিণ কোরিয়ার মাস্টার্স অধ্যয়নকালে নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন এক ব্যতিক্রমী দর্শনে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর চিন্তাশীল পোস্ট ইতোমধ্যেই প্রবাসী শিক্ষার্থীদের মনে আলোড়ন তুলেছে। সেখানে তিনি তুলে ধরেছেন, কীভাবে সঠিক পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার সমন্বয়ে ছাত্রজীবনকে সাফল্যের সোপানে পৌঁছানো সম্ভব।

আজাদ জানান, অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেখানে দুই বছরের সাধারণ সময়সীমার মধ্যে মাস্টার্স সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন, তিনি শুরু থেকেই আড়াই বছরের একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বেছে নেন। প্রতিটি দিনের জন্য ছিল তাঁর আলাদা কর্মতালিকা। আর আল্লাহর অশেষ কৃপায় সেই পরিকল্পনার প্রায় ৯০ শতাংশই তিনি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন।

তাঁর ভাষায়, “অনেকে দ্রুত পড়াশোনা শেষ করে দ্বিধায় ভোগেন, এরপর কী করবেন। অথচ আমি আমার শ্রম, সময় ও অর্থ কেবল ভবিষ্যতের মজবুত ভিত্তি গড়ার জন্য ব্যয় করেছি।”

ডি-২ ভিসার প্রসঙ্গ টেনে আজাদ বলেন, কোরিয়ায় আগত শিক্ষার্থীদের এ ভিসার গুরুত্ব যথাযথভাবে বোঝা দরকার। তাঁর অভিমত—এটি কেবল পড়াশোনার জন্য নয়, বরং সচেতনভাবে ব্যবহার করলে এটি ক্যারিয়ারে এক নতুন অধ্যায়ের দ্বার খুলে দিতে পারে।

যেখানে অনেক সহপাঠী ডি-২ ও ডি-১০ ভিসার সময়সীমা ইতোমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন, সেখানে তাঁর এখনো ডি-২ ভিসার ছয় মাস বাকি এবং ডি-১০ ভিসার পুরো সময় অক্ষত রয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে, শুরু থেকেই তিনি নিজের পথচলাকে সুপরিকল্পিত করেছেন।

পড়াশোনা, কাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করে প্রোফাইল তৈরি করা কতটা কঠিন—সেটিও অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। তাই নতুন শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, কোরিয়ায় পা রাখার পর থেকেই নিজেদের প্রোফাইল গড়তে মনোযোগী হতে হবে।

একে আজাদের এই অনন্য চিন্তা ও তার সফল বাস্তবায়ন কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়। বরং এটি এক অনুপ্রেরণার আলো, যা পথ দেখাবে হাজারো শিক্ষার্থীকে, যারা প্রবাসের মাটিতে অদম্য পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে সংগ্রাম করছেন।