ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি শেষ নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পবিত্র শবে বরাতে শান্তি, রহমত ও মাগফিরাত কামনায় জাইমা রহমানের বার্তা জাইমা রহমানের সালাম নিন নতুন করে গড়বে দেশ, প্রজন্মের বাংলাদেশ, ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী গাংনী জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হুদার নির্বাচনী প্রচারণা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মুন্সিগঞ্জ-১ শ্রীনগর সিরাজদিখান এমপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ধানের শীষ প্রতীক নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা।  দুর্নীতির শীর্ষে পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া অবৈধ আয়, অনুমোদনহীন ভবন ও শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে

দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি

রিপোর্টার:মোঃ সোরহাব 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার:মোঃ সোরহাব 

ফেসবুক থেকে নেওয়া

ইনসাব চাই

বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের কাছে রোগী দেখানোর ভিজিট ফি ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০, ১০০০ এমনকি ১২০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ায় গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে চিকিৎসা নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় দেশের সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে ডাক্তারদের প্রতি মানবিক অনুরোধ জানানো হয়েছে—রোগী দেখার ৫ থেকে ১০ মিনিটের ভিজিট ফি ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করার জন্য। এতে করে গরিব, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একজন দিনমজুর বা স্বল্প আয়ের মানুষের পক্ষে একদিনের আয়ের সমপরিমাণ টাকা শুধু ডাক্তার দেখাতেই খরচ করা অত্যন্ত কষ্টকর। অনেক ক্ষেত্রেই অর্থের অভাবে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যেতে পারছেন না, ফলে রোগ জটিল আকার ধারণ করছে।

একজন ভুক্তভোগী রোগী বলেন,

“ডাক্তার দেখাতে ৮০০ টাকা লাগে শুনেই আর যাওয়া হয় না। ওষুধ কিনব কী দিয়ে?”

সচেতন মহলের মতে, চিকিৎসা একটি মৌলিক মানবাধিকার। চিকিৎসকদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গরিব রোগীদের বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি। ভিজিট ফি কিছুটা কমানো হলে রোগীর সংখ্যা বাড়বে এবং মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—

“কতজন আমার সাথে একমত?”

সাধারণ মানুষ আশা করছে, দেশের চিকিৎসক সমাজ এই অনুরোধকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং গরিব রোগীদের পাশে দাঁড়াবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দরিদ্র রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসা ভিজিট ফি কমানোর দাবি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার:মোঃ সোরহাব 

ফেসবুক থেকে নেওয়া

ইনসাব চাই

বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের কাছে রোগী দেখানোর ভিজিট ফি ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০, ১০০০ এমনকি ১২০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ায় গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের পক্ষে চিকিৎসা নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এমন বাস্তবতায় দেশের সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে ডাক্তারদের প্রতি মানবিক অনুরোধ জানানো হয়েছে—রোগী দেখার ৫ থেকে ১০ মিনিটের ভিজিট ফি ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করার জন্য। এতে করে গরিব, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একজন দিনমজুর বা স্বল্প আয়ের মানুষের পক্ষে একদিনের আয়ের সমপরিমাণ টাকা শুধু ডাক্তার দেখাতেই খরচ করা অত্যন্ত কষ্টকর। অনেক ক্ষেত্রেই অর্থের অভাবে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যেতে পারছেন না, ফলে রোগ জটিল আকার ধারণ করছে।

একজন ভুক্তভোগী রোগী বলেন,

“ডাক্তার দেখাতে ৮০০ টাকা লাগে শুনেই আর যাওয়া হয় না। ওষুধ কিনব কী দিয়ে?”

সচেতন মহলের মতে, চিকিৎসা একটি মৌলিক মানবাধিকার। চিকিৎসকদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গরিব রোগীদের বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি। ভিজিট ফি কিছুটা কমানো হলে রোগীর সংখ্যা বাড়বে এবং মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—

“কতজন আমার সাথে একমত?”

সাধারণ মানুষ আশা করছে, দেশের চিকিৎসক সমাজ এই অনুরোধকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং গরিব রোগীদের পাশে দাঁড়াবেন।