ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

দুই শ পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস

রিপোর্টার মেহেদী হাসান সবুজ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

দুই শ পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস

 

মুদ্রা পাচার ও চোরাচালানের সন্দেহে দুই শতাধিক পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস। বিগত দিনে চোরাচালান ও মানি লন্ডারিং কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ও মামলায় জড়িত এসব পাসপোর্টধারীকে ধরতে ঢাকা কাস্টমসে একটি বিশেষায়িত টিম গঠন করা হয়ছে। তাঁরা এখন চারটি শিফটে পালা করে ওই পাসপোর্টধারীদের ধরতে নজরদারি জোরদার করেছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

 

সাম্প্রতিক সময়ে মুদ্রা পাচার একটি আলোচিত বিষয়। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে আমদানি-রপ্তানিসহ নানা উপায়ে বাংলাদেশের মুদ্রা পাচার নিয়ে খবর প্রকাশ হচ্ছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যেও এ নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে। জানা যায়, এই মুদ্রা পাচারের একটি বড় রুট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রায়ই এই বিমানবন্দর দিয়ে চোরাচালান ও মুদ্রা পাচারের ঘটনা ধরা পড়ছে। প্রাথমিকভাবে বিগত দিনে এসব অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে সন্দেহজনক দুই শ পাসপোর্টধারীকে ধরা হবে আগে। এরপর অন্য কেউ এ কাজের সঙ্গে জড়িত হলে, তাদেরও ধরা হবে।

 

 

এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ঢাকা কাস্টম হাউস একটি আদেশ জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের যাত্রীসেবা প্রদান, রাজস্ব সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কাজ করছে ঢাকা কাস্টমস। কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে শুল্ক ফাঁকি, নিষিদ্ধ এবং নিয়ন্ত্রিত পণ্য পরিবহনসহ চোরাচালানের দায়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে অনেকেই অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।

 

আদেশে আরও জানানো হয়েছে, এসব যাত্রীর মাধ্যমে অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পরিবহন ও পাচারের ঝুঁকি রয়েছে। তাই এমন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে বিদেশ ভ্রমণকালে বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে এসব যাত্রী বিগত এক বছরে কোন কোন দেশে কতবার ভ্রমণ করেছেন, তা জানানোর জন্যও বলা হয়েছে।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা কাস্টম হাউসের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তিকে। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ঢাকা কাস্টমসের এ পদক্ষেপ।

 

তথ্যসূত্র:আজকের পত্রিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুই শ পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

দুই শ পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস

 

মুদ্রা পাচার ও চোরাচালানের সন্দেহে দুই শতাধিক পাসপোর্টধারীকে খুঁজছে ঢাকা কাস্টমস। বিগত দিনে চোরাচালান ও মানি লন্ডারিং কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ও মামলায় জড়িত এসব পাসপোর্টধারীকে ধরতে ঢাকা কাস্টমসে একটি বিশেষায়িত টিম গঠন করা হয়ছে। তাঁরা এখন চারটি শিফটে পালা করে ওই পাসপোর্টধারীদের ধরতে নজরদারি জোরদার করেছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

 

সাম্প্রতিক সময়ে মুদ্রা পাচার একটি আলোচিত বিষয়। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে আমদানি-রপ্তানিসহ নানা উপায়ে বাংলাদেশের মুদ্রা পাচার নিয়ে খবর প্রকাশ হচ্ছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যেও এ নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে। জানা যায়, এই মুদ্রা পাচারের একটি বড় রুট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রায়ই এই বিমানবন্দর দিয়ে চোরাচালান ও মুদ্রা পাচারের ঘটনা ধরা পড়ছে। প্রাথমিকভাবে বিগত দিনে এসব অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে সন্দেহজনক দুই শ পাসপোর্টধারীকে ধরা হবে আগে। এরপর অন্য কেউ এ কাজের সঙ্গে জড়িত হলে, তাদেরও ধরা হবে।

 

 

এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ঢাকা কাস্টম হাউস একটি আদেশ জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের যাত্রীসেবা প্রদান, রাজস্ব সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কাজ করছে ঢাকা কাস্টমস। কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে শুল্ক ফাঁকি, নিষিদ্ধ এবং নিয়ন্ত্রিত পণ্য পরিবহনসহ চোরাচালানের দায়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে অনেকেই অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।

 

আদেশে আরও জানানো হয়েছে, এসব যাত্রীর মাধ্যমে অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পরিবহন ও পাচারের ঝুঁকি রয়েছে। তাই এমন পাসপোর্টধারী যাত্রীকে বিদেশ ভ্রমণকালে বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে এসব যাত্রী বিগত এক বছরে কোন কোন দেশে কতবার ভ্রমণ করেছেন, তা জানানোর জন্যও বলা হয়েছে।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা কাস্টম হাউসের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তিকে। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ঢাকা কাস্টমসের এ পদক্ষেপ।

 

তথ্যসূত্র:আজকের পত্রিকা