ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে ঐক্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে

দুর্নীতির শীর্ষে পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া অবৈধ আয়, অনুমোদনহীন ভবন ও শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সরকারি চাকরি থেকে প্রাপ্ত সীমিত বেতনের সুযোগকে পুঁজি করে ভয়ানক মাত্রায় অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ডেপুটি ডাইরেক্টর (ফাইনান্স) মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। বিশ্বস্ত সূত্র ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থেকে বছরের পর বছর দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ প্রকল্প পরিচালনা ও ভুয়া আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন এক বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য।

সূত্রমতে জানা যায়, রাজধানীর খিলক্ষেত ও কাওলার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তিনি ল্যাম্পস আইডিয়াল হাই স্কুল, ল্যাম্পস ক্যাডেট মাদ্রাসাসহ মোট সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। (সবগুলি ক্যাম্পাসের চেয়ারম্যান এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া) অভিযোগ রয়েছে, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই গড়ে উঠেছে তার অবৈধ আয়ের অর্থে, যা সরকারি চাকরির বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, অভিযোগ অনুযায়ী খিলক্ষেত এলাকায় তার একাধিক বহুতল বাড়ি,ও প্লট। বনরূপা আবাসিক প্রকল্পে একাধিক প্লট এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গোপনে বিনিয়োগকৃত জমি ও সম্পত্তি রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা অনুযায়ী, এসব সম্পদের মোট বাজারমূল্য শতাধিক কোটি টাকারও বেশি। এলাকাবাসীর ভাষায়, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তার বর্তমান জীবনযাত্রা রাজকীয়, যা কেবল সরকারি বেতনে সম্ভব নয়।

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে তার মালিকানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কাওলা বাজার সংলগ্ন জয় প্লাজায় অবস্থিত ৫ নং ক্যাম্পাস ভবন রাজউকের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে।আইন অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।

এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, এভবনের নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। ভবনগুলোর স্ট্রাকচার দুর্বল হওয়ায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে সামান্য দুললেই দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। তাদের প্রশ্ন—কোন আইনে শিশুদের জীবন নিয়ে এমন ঝুঁকি তৈরি করা হচ্ছে?

উদ্বেগ আরও বেড়েছে এই কারণে যে, রাজউক অনুমোদনবিহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ বিল্ডিং ভেঙ্গে অপসারণ করার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক নোটিশ প্রদান করা বিল্ডিং এ মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া ও আব্দুল আজিজ স্বপন মিলে ল্যামপস ক্যাডেট মাদ্রাসা ও স্কুল চালু করেন।নিজেই—যিনি দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলোচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা, সেখানে একজন অভিযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা এমন ভবনে মাদ্রাসা ও স্কুল চালু করে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও প্রতিবেশীর জানমালের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। একসময় তিনি বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে আবার জামায়াতঘরানার শক্তিশালী মহলের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছেন—এমন অভিযোগও উঠেছে।

পাশাপাশি তিনি ব্যবসায়িকভাবে যুক্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত আব্দুল আজিজ স্বপনের সঙ্গে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বপন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাঈমের অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। নাঈম ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর তার ব্যবসা ও সম্পত্তির দেখভাল করছেন আব্দুল আজিজ স্বপন, আর তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সূত্রের দাবি, এই নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে বর্তমানে অর্থপাচার, ভুয়া লেনদেন, কম দামে জমি দখল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে কোটি কোটি টাকা কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া চলছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন এবং আইনগতভাবে প্রমাণিত নয়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়ার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল জোর দাবি জানিয়েছেন—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন গুলোর জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো হোক, রাজউক অনুমোদনবিহীন ভবনগুলো অবিলম্বে বন্ধ ঘোষণা করা হোক এবং মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়ার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করা হোক।

শিশুদের জীবন নিয়ে এমন ঝুঁকির দায় কে নেবে—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে। দুর্নীতির এই অন্ধকার সাম্রাজ্য উন্মোচনের মাধ্যমে জনগণের সামনে সত্য প্রকাশের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুর্নীতির শীর্ষে পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া অবৈধ আয়, অনুমোদনহীন ভবন ও শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সরকারি চাকরি থেকে প্রাপ্ত সীমিত বেতনের সুযোগকে পুঁজি করে ভয়ানক মাত্রায় অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের ডেপুটি ডাইরেক্টর (ফাইনান্স) মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। বিশ্বস্ত সূত্র ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থেকে বছরের পর বছর দুর্নীতি, অনিয়ম, অবৈধ প্রকল্প পরিচালনা ও ভুয়া আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলেছেন এক বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য।

সূত্রমতে জানা যায়, রাজধানীর খিলক্ষেত ও কাওলার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তিনি ল্যাম্পস আইডিয়াল হাই স্কুল, ল্যাম্পস ক্যাডেট মাদ্রাসাসহ মোট সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। (সবগুলি ক্যাম্পাসের চেয়ারম্যান এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া) অভিযোগ রয়েছে, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই গড়ে উঠেছে তার অবৈধ আয়ের অর্থে, যা সরকারি চাকরির বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, অভিযোগ অনুযায়ী খিলক্ষেত এলাকায় তার একাধিক বহুতল বাড়ি,ও প্লট। বনরূপা আবাসিক প্রকল্পে একাধিক প্লট এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গোপনে বিনিয়োগকৃত জমি ও সম্পত্তি রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা অনুযায়ী, এসব সম্পদের মোট বাজারমূল্য শতাধিক কোটি টাকারও বেশি। এলাকাবাসীর ভাষায়, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তার বর্তমান জীবনযাত্রা রাজকীয়, যা কেবল সরকারি বেতনে সম্ভব নয়।

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে তার মালিকানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কাওলা বাজার সংলগ্ন জয় প্লাজায় অবস্থিত ৫ নং ক্যাম্পাস ভবন রাজউকের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে।আইন অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।

এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, এভবনের নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। ভবনগুলোর স্ট্রাকচার দুর্বল হওয়ায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে সামান্য দুললেই দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। তাদের প্রশ্ন—কোন আইনে শিশুদের জীবন নিয়ে এমন ঝুঁকি তৈরি করা হচ্ছে?

উদ্বেগ আরও বেড়েছে এই কারণে যে, রাজউক অনুমোদনবিহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ বিল্ডিং ভেঙ্গে অপসারণ করার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক নোটিশ প্রদান করা বিল্ডিং এ মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া ও আব্দুল আজিজ স্বপন মিলে ল্যামপস ক্যাডেট মাদ্রাসা ও স্কুল চালু করেন।নিজেই—যিনি দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলোচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা, সেখানে একজন অভিযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা এমন ভবনে মাদ্রাসা ও স্কুল চালু করে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও প্রতিবেশীর জানমালের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। একসময় তিনি বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে আবার জামায়াতঘরানার শক্তিশালী মহলের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছেন—এমন অভিযোগও উঠেছে।

পাশাপাশি তিনি ব্যবসায়িকভাবে যুক্ত হয়েছেন আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচিত আব্দুল আজিজ স্বপনের সঙ্গে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বপন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাঈমের অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। নাঈম ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর তার ব্যবসা ও সম্পত্তির দেখভাল করছেন আব্দুল আজিজ স্বপন, আর তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে কাজ করছেন মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সূত্রের দাবি, এই নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে বর্তমানে অর্থপাচার, ভুয়া লেনদেন, কম দামে জমি দখল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে কোটি কোটি টাকা কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া চলছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন এবং আইনগতভাবে প্রমাণিত নয়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়ার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল জোর দাবি জানিয়েছেন—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন গুলোর জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো হোক, রাজউক অনুমোদনবিহীন ভবনগুলো অবিলম্বে বন্ধ ঘোষণা করা হোক এবং মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়ার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করা হোক।

শিশুদের জীবন নিয়ে এমন ঝুঁকির দায় কে নেবে—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে। দুর্নীতির এই অন্ধকার সাম্রাজ্য উন্মোচনের মাধ্যমে জনগণের সামনে সত্য প্রকাশের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।