ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

নবীনগরে খারঘর ৫৩ তম গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। 

এম কে খোকন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

নবীনগরে খারঘর ৫৩ তম গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর পাক হানাদার বাহিনী হাতে  মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪৩ জন নারী-পুরুষকে একসাথে নির্মমভাবে হত্যার ৫৩তম গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে ।

 

মঙ্গলবার(১০ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় আত্নদানকারী শহীদদের স্মরণে উপজেলার খারঘর গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি আয়োজনে খারঘর গণকবর সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

গণকবর স্থানে খারঘর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে বড়াইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন সভাপতিত্ব ও  গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ জীবনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী কর্মকর্তা(ভুমি) মাহমুদা জাহান, নবীনগর থানা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সজল কান্তি দাস, আনসার বাহিনীর  উপজেলা কমান্ডার মঞ্জুর হোসেন, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামশুল আলম সাহন, উপজেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (নান্নু মাস্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়াম্যান শফিকুল আলম এমএসসি পিএ মোঃ শরিফুল আলম, বড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রজব আলী মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার পক্ষে আবুল কাশেম ও সাবেক মেম্বার তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার শিকার বাংলাদেশে যতগুলো গণকবর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম খারঘর গণকবর। এটি বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী জায়গা। এই জায়গাটি স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক ক্ষমতায় আসছে কিন্তু উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এলাকা মুক্তিযোদ্ধা ও তরণ প্রজন্মের এবং খারঘর গণকবর সংরক্ষণ কমিটির দাবি একটি গণকবর কমপ্লেক্স নির্মান করা হয় যেন বিভিন্ন সময়ে শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান আয়োজন সহজ যায়।

 

বক্তারা আরো বলেন, খারঘর অনেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার রয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহন করতে গিয়ে শহীদ ও আহত হয়েছেন। সেই শহীদ ও আহত পরিবার সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। সবার একটি চাওয়া প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেন এবং গণকবর সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা প্রথমে শহীদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্বা জানানো হয়। তারপর ক্রমান্বয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ খারঘর গণ কবরস্থানে জড়ো হয়ে স্মৃতিস্থম্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং উপস্থিত সুধীবৃন্দ ও মাদ্রাসা এতিম ছাত্রদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নবীনগরে খারঘর ৫৩ তম গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

নবীনগরে খারঘর ৫৩ তম গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর পাক হানাদার বাহিনী হাতে  মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪৩ জন নারী-পুরুষকে একসাথে নির্মমভাবে হত্যার ৫৩তম গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে ।

 

মঙ্গলবার(১০ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় আত্নদানকারী শহীদদের স্মরণে উপজেলার খারঘর গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি আয়োজনে খারঘর গণকবর সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

গণকবর স্থানে খারঘর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে বড়াইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন সভাপতিত্ব ও  গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ জীবনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী কর্মকর্তা(ভুমি) মাহমুদা জাহান, নবীনগর থানা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সজল কান্তি দাস, আনসার বাহিনীর  উপজেলা কমান্ডার মঞ্জুর হোসেন, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামশুল আলম সাহন, উপজেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (নান্নু মাস্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়াম্যান শফিকুল আলম এমএসসি পিএ মোঃ শরিফুল আলম, বড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রজব আলী মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার পক্ষে আবুল কাশেম ও সাবেক মেম্বার তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার শিকার বাংলাদেশে যতগুলো গণকবর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম খারঘর গণকবর। এটি বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী জায়গা। এই জায়গাটি স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক ক্ষমতায় আসছে কিন্তু উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এলাকা মুক্তিযোদ্ধা ও তরণ প্রজন্মের এবং খারঘর গণকবর সংরক্ষণ কমিটির দাবি একটি গণকবর কমপ্লেক্স নির্মান করা হয় যেন বিভিন্ন সময়ে শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান আয়োজন সহজ যায়।

 

বক্তারা আরো বলেন, খারঘর অনেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার রয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহন করতে গিয়ে শহীদ ও আহত হয়েছেন। সেই শহীদ ও আহত পরিবার সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। সবার একটি চাওয়া প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেন এবং গণকবর সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠান শুরুর আগে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা প্রথমে শহীদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্বা জানানো হয়। তারপর ক্রমান্বয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ খারঘর গণ কবরস্থানে জড়ো হয়ে স্মৃতিস্থম্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং উপস্থিত সুধীবৃন্দ ও মাদ্রাসা এতিম ছাত্রদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।