ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

নাগরপুরে বেড়েছে আলু-পেয়াজ-রসুনের দাম

সিপন রানা নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

কোরবানি ঈদের আর দুই সপ্তাহ বাকি। ঈদকে কেন্দ্র করে এখন টাঙ্গাইলের নাগরপুর বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম ওঠানামা করছে। এদিকে আসছে ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েই চলছে আলু, পেঁয়াজ এবং রসুনের দাম। কোরবানি ঈদের এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ছে। আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা  প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। এতে অস্বস্তিতে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (৩ জুন) নাগরপুর সদর কাঁচা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা , লাল আলু ৫৫ টাকা, সাদা আলু ৬০ টাকা, বগুড়ার দেশি আলু ৭০ টাকা, দেশি রসুন ২২০ টাকা, চায়না রসুন ২৬০ টাকা, ভারতীয় রসুন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে । সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা, রসুনের দাম ১০ টাকা এবং চায়না ও ভারতীয় আদা ২০ টাকা কেজি প্রতি দাম বেড়েছে।এ প্রসঙ্গে বিক্রেতা আলতাব বলেন, এখন আর দাম কমার সুযোগ নেই। শুধু দাম বাড়বে। ঈদের আগ পর্যন্ত এমন দামই থাকবে। আরেক বিক্রেতা আজিম জানায়, কোরবানি ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় সাধারণত আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। কয়েকদিন পর হয়তো আরো বেড়ে যাবে। বাজার করতে এসে সাধারণ ক্রেতা মো. মিজান বলেন, রসুনের দাম মনে হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে ২০ টাকা করে বাড়ছে। বাজারের সঠিক তদারকি হচ্ছে না। আর হঠাৎ করেই আলু, পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলো। কোনো বিশেষ উৎসব থাকলে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় এটা উচিত নয়।এদিকে, এসব পণ্যের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম যেমন – বর্তমান বাজারে প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল ১১০ থেকে ১৪০ টাকা, চিনি (প্যাকেট) ১৪৫ টাকা, চিনি খোলা ১৩০ টাকা, মোটা মশুর ডাল ১১০ টাকা, চিকন মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মাসকলাই ডাল ১৮০ টাকা, বুটের ডাল ১২০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, ছোলা ১০০ টাকা, বোতল সয়াবিন ১৬৭ টাকা লিটার, খোলা সয়াবিন সিটি সুপার ১৪৭ টাকা লিটার, খোলা সরিষার তেল ১৯০ টাকা লিটার, আটা প্যাকেট ৫০, আটা খোলা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে বেড়েছে আলু-পেয়াজ-রসুনের দাম

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

কোরবানি ঈদের আর দুই সপ্তাহ বাকি। ঈদকে কেন্দ্র করে এখন টাঙ্গাইলের নাগরপুর বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম ওঠানামা করছে। এদিকে আসছে ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েই চলছে আলু, পেঁয়াজ এবং রসুনের দাম। কোরবানি ঈদের এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ছে। আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা  প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। এতে অস্বস্তিতে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (৩ জুন) নাগরপুর সদর কাঁচা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা , লাল আলু ৫৫ টাকা, সাদা আলু ৬০ টাকা, বগুড়ার দেশি আলু ৭০ টাকা, দেশি রসুন ২২০ টাকা, চায়না রসুন ২৬০ টাকা, ভারতীয় রসুন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে । সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা, রসুনের দাম ১০ টাকা এবং চায়না ও ভারতীয় আদা ২০ টাকা কেজি প্রতি দাম বেড়েছে।এ প্রসঙ্গে বিক্রেতা আলতাব বলেন, এখন আর দাম কমার সুযোগ নেই। শুধু দাম বাড়বে। ঈদের আগ পর্যন্ত এমন দামই থাকবে। আরেক বিক্রেতা আজিম জানায়, কোরবানি ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় সাধারণত আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। কয়েকদিন পর হয়তো আরো বেড়ে যাবে। বাজার করতে এসে সাধারণ ক্রেতা মো. মিজান বলেন, রসুনের দাম মনে হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে ২০ টাকা করে বাড়ছে। বাজারের সঠিক তদারকি হচ্ছে না। আর হঠাৎ করেই আলু, পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেলো। কোনো বিশেষ উৎসব থাকলে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় এটা উচিত নয়।এদিকে, এসব পণ্যের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম যেমন – বর্তমান বাজারে প্যাকেট পোলাও চাল ১৫৫ টাকা, খোলা পোলাও চাল ১১০ থেকে ১৪০ টাকা, চিনি (প্যাকেট) ১৪৫ টাকা, চিনি খোলা ১৩০ টাকা, মোটা মশুর ডাল ১১০ টাকা, চিকন মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মাসকলাই ডাল ১৮০ টাকা, বুটের ডাল ১২০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা, খেসারি ডাল ১০০ টাকা, ছোলা ১০০ টাকা, বোতল সয়াবিন ১৬৭ টাকা লিটার, খোলা সয়াবিন সিটি সুপার ১৪৭ টাকা লিটার, খোলা সরিষার তেল ১৯০ টাকা লিটার, আটা প্যাকেট ৫০, আটা খোলা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।