
নাগরপুর দপ্তিয়রে নদী ভাঙ্গনে জিও ব্যাগ ফেলে কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী
সিপন রানা নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:
নাগরপুর দপ্তিয়রে ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর নদী ভাঙ্গনে জিও ব্যাগ ফেলে কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায়। টাঙ্গাইল জেলা নাগরপুর উপজেলাধীন সলিমাবাদ, বলরামপুর ও নিশ্চিন্তপুর এলাকা এবং মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলাধীন চরকাটারী এলাকা সমূহ, যমুনা নদীর ভাঙ্গনের করাল গ্রাস থেকে রক্ষাকল্পে শীর্ষক বন্যা ও নদীর তীর ভাঙন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিনিয়োগ কর্মসূচি (প্রকল্প-০২)" প্রকল্পের আওতায়, বরাবর ৬.০০ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্যে জিও ব্যাগ দ্বারা নদী তীর প্রতিরক্ষামূলক কাজের " উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য প্রতিমন্তী আহসানুল ইসলাম টিটু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাসুম প্রধান এবং নাগরপুর থানার ইনচার্জ এস এম জসিম উদ্দিন।পরে সাংবাদিকের প্রশ্নে পণ্যের সংকট ব্যাপারে জানতে চাইলে বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন। পণ্যের সংকট না হলে বাজার কারসাজি করার সুযোগ হবে না। সরকার এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পণ্য নিয়ে কেউ কারসাজি করলে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।তিনি আরও বলেন টিসিবির কার্ড প্রত্যেকটা পরিবার একটি করে পাবে। এবং স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে করবো যাতে সবাই ন্যায্য মূল্যে পণ্য কিনতে পারে। পরে নদী ভাঙ্গন নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন আগামী(৩০) দিনে এই জিও ব্যাগের কাজ শেষ দিবে ঠিকাদার। পরে নেতাকর্মী দের উদ্দেশ্য বলেন।যারা দপ্তিয়র ইউনিয়ন থেকে নৌকাকে জয়যুক্ত করেছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নৌকাকে বিজয় করার ভুমিকা পালন করেছেন। আমাদের নেতৃত্বে ছিলেন জনাব সিরাজ বি এস সি এবং আক্কেল আলী, শাহ আলম সিদ্দিক, শাজাহান কন্ট্রাক্টার, এবং আরজু মাস্টার ও ওয়াড ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। দপ্তিয়রটা একটা কঠিন জাইগা নদী ভাঙ্গা এলাকা। তিনি বলেন আমরা নতুন সরকার গঠন করেই এই নদী ভাঙ্গন রোধে আমরা কাজ হাতে নিয়েছি। প্রথমে জিও ব্যাগ তার পর ইনশাআল্লাহ সি সি ব্লক পরবর্তীতে রিংরোড তৈরী হবে। যমুনা সেতু থেকে আরিচা ঘাট পর্যন্ত। তিনি আরও বলেন এই বাঁধের জন্য যদি কারও জমিও চলে যায় তাতে কেউ বাধা দিবেন না। যারা বাঁধের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের একটা নামের লিস্ট করে ইউনো মহোদয় রাখবেন। পরবর্তীতে খাস জমি বা অন্যান্য কর্মসূচি আছে সেখান থেকে আপনারা অনুদান পাবেন।কিন্তু সরকারি কোন কাজে আপনারা বাধা দেবার চেষ্টা করবেন না। শুধু আমরা বাঁধই দিবোনা প্রত্যেকটা নদী ও খালের মুখ খুলে দিবো।
তিনি আরও বলেন দপ্তিয়র ইউনিয়ন, ভাদ্র ইউনিয়ন, ধুবড়িয়া ইউনিয়ন সলিমাবাদ ইউনিয়ন, আমার ছোট ভাই মজিবুল ইসলাম পান্না সব কয়টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখেছে যেখানে যে কাজের প্রয়োজন আমার ছোট ভাই আপনাদের সাথে নিয়ে কাজ করবে। তিনি বলেন যারা নির্বাচন এর সময় কাজ করেছেন তারা আগামী পাঁচ বছর সুফল পাবেন। আর যারা কাজ করেন নাই তারা নিজেরাই জানেন কার কেন্দ্রে কি ভুমিকা রেখেছেন কার কি আমল নামা সেই সংখ্যাও আছে।যারা ভালো কাজ করেছে আমি তাদের খুঁজে নিবো এবং তাদের ডেকে এনে তাদের উন্নয়নের কাজ করব।পরে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন
আপনাদের দাইক্ত এখনো শেষ হয় নাই। চক্রান্ত চলছে দেশি এবং আন্তর্জাতিক, আপনাদেরকে সাবধান থাকতে হবে, বিশেষ করে এই দপ্তিয়র ইউনিয়নে সরকার বিরোধী অনেক প্রোপাগান্ডা হয়।
প্রধান সম্পাদক : ফারুক হোসেন | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ মতিউর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : হাজী মোঃ লিয়াকত আলী,যুগ্ম-সম্পাদক: আব্দুল মালেক,যুগ্ম - সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন , ব্যুরো প্রধান: ফাহারিয়া ইসলাম( মুন) প্রেস এডিটর: মোঃ ফয়সাল হোসেন , মোঃ শান্ত।
যোগাযোগ ০১৭৬৫৮৮৪৪৪৯
দেশপ্রিয়২৪.কম