

আমাদের কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা এমনিতে বিএনপি ছাত্রদলের ঘাঁটি। এ জেলার প্রত্যেকটা বাড়িতে রাজনৈতিক সচেতনতা আছে। তাছাড়া আমার ফ্যামিলি সেই স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। আমার দাদা ইলিয়াস পাটোয়ারীকে মাঝে মাঝে আমি তাকে টেস্ট করতাম যে,তখন আমার দাদা শহীদ জিয়ার ইতিহাসে আমাকে নিয়ে গেলেন। পরিবারে আমি সবসময় দাদা ইলিয়াস পাটোয়ারীর কাছ থেকে শ*হীদ জিয়ার ত্যাগ-তিতীক্ষা সংগ্রামের কথা শুনতাম। দাদাও আমাকে সবসময় বলতেন শহীদ জিয়ার আদর্শকে লালন করতে. ধারণ করতে। আর বলতেন, নিজের জীবন বিপন্ন হলেও যাতে আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়।দাদার এ কথাটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলাম। যার ফলে বিভিন্ন ইস্যুতে তে নির্মম অ*ত্যাচারের পরেও প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রশ্নে আপোষ করিনি।
দেশপ্রিয় আলোচনায় ছাত্র রাজনীতির নির্মম সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ইরফানুল হক পাটোয়ারী তুলে ধরলেন:
এক নি*র্যাতিত সাহসী জিয়ার সৈনিকের গল্প ,,,আমার বন্ধু রাজনৈতিক সহযো*দ্ধা,,,নাম ইরফানুল হক পাটোয়ারী,বাড়ি ৭নং ওয়ার্ড শাকতলা গ্রাম ১নং বাইশগাঁও ইউনিয়ন মনোহরগঞ্জ উপজেলা,,একজন মেধাবী ছাত্র ,,ছাত্রজীবন থেকে একজন জাতীয়তাবাদী দলের বিশ্বাসী হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি ঢাকা দক্ষিনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকে,,২০১৩ সালের লাগাদার আন্দোলনে ঢাকার রাজপথ থেকে বহু বার পুলিশের হামলার শিকার হয় ,,জেলে যেতে হয় ,,,২০১৩ জানুয়ারি ২৪ তারিখ শুক্রবার ঢাকার হাইকোর্টের সামনে থেকে গ্রে*ফতার হয়, গ্রে*ফতারের পর পুলিশ রমনা থানায় নিয়ে যায়,তার মা জানতে পারেন ছেলেকে পুলিশ গ্রে*ফতার করেছে।তার মা থানায় আসেন পুলিশ কে রিকোয়েস্ট করেন ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য এবং কি ওসির পায়ে ধরেন, ওসি তার মাকে পা দিয়ে লাথি মারেন!!! তার ছেলে সামনেই।পরেরদিন দুপুরে সিএমএম আদালতে তোলা হয় এবং আদালত ৭দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন তারা ফ্যামিলি ৫০হাজার টাকা থানার ওসিকে দেয় যেন রিমান্ডে মারধর না করা হয়। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নামে তার হাতে পায়ের আঙ্গুলের ৩টি নক উঠে পেলে ও অমানবিক নির্যাতন করে।পুলিশের রিমান্ড শেষ আদালতে নেওয়া হয়।পুলিশ আবার রিমান্ড চাইলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় ,, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগারে প্রায় ৮মাস জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেয়ে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর জেল গেটে পুলিশ আবার আটক করে নিয়ে যায় রমনা থানায়। থানায় আনার পর নতুন মামলায় গ্রে*ফতার দেখানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল পুলিশ।এক পর্যায় পুলিশ তার ফ্যামিলি কে ৩লক্ষ টাকার অফার দেয়,পরবর্তীতে তার ফ্যামিলি ২লক্ষ টাকার বিনিময় তাকে মুক্ত করে আনে,,,বের হওয়ার পর দিন থেকেই আবারও পুলিশ ,স*ন্ত্রাসী লীগ তার পিছু নেয়,,অবশেষে ফেরারী জীবন নিয়ে চলে যায় দূর প্রবাসে ,,স্কটল্যান্ড ,,ওখানে গিয়েও আজ পর্যন্ত দলের জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে করে যাচ্ছেন ,,,তার নিজ এলাকায় দলের সকল কার্যক্রম প্রবাস থেকে নেতাকর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ থাকে,,আন্দোলন সংগ্রামে ওর এলাকার হামলা মামলায় বিপদে পড়া সকলের খোজখবর রাখেন ,,,ইউরোপে দলের সকল প্রোগ্রামে স্কটল্যান্ড বিএনপির সাথে করে যাচ্ছেন ,,দলের এই নিবেদিত জিয়ার সৈনিক দের সবসময় আমাদের সম্মান করা উচিত ,,স্যালুট প্রিয় বন্ধু প্রিয় সাহসী সহযো*দ্ধা।
প্রধান সম্পাদক : ফারুক হোসেন | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ মতিউর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : হাজী মোঃ লিয়াকত আলী,যুগ্ম-সম্পাদক: আব্দুল মালেক,যুগ্ম - সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন , ব্যুরো প্রধান: ফাহারিয়া ইসলাম( মুন) প্রেস এডিটর: মোঃ ফয়সাল হোসেন , মোঃ শান্ত।
যোগাযোগ ০১৭৬৫৮৮৪৪৪৯
দেশপ্রিয়২৪.কম