পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম- বিএনজেএফ (-০৬৮৬)উলানিয়া বন্দর। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম পটুয়াখালী জেলা উলানিয়া বন্দর ও গলাচিপা উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া সাধারণ সম্পাদক মো রাকিব আল হাসান দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাফাত রহমান আবির সদস্য মোঃ সাগর খান, সদস্য মোঃ ফয়সাল আহমেদ । বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম গভঃ রেজি নং এস (০৬৮৬) সাংবাদিক কল্যাণ ও মানবাধিকার সংগঠন পটুয়াখালী জেলা ও গলাচিপা উপজেলা শাখায় পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় করুণ সুরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন গলাচিপ উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
দিবসটি উপলক্ষে শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পটুয়াখালী জেলা উলানিয়া বন্দর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ০১ মিনিটে গলাচিপা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়,শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনই ছিল আমাদের স্বাধীনতার বীজ। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা একাত্তরে স্বাধীনতা পেয়েছি। আজ আমাদের দায়িত্ব হলো নতুন প্রজন্মের কাছে সেই ত্যাগের মহিমা পৌঁছে দেওয়া এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক মর্যাদা রক্ষা করা।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, “বাঙালির জাতীয় জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারি এক অনন্য ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল দিন। শহীদদের রক্তে ভেজা আমাদের এই প্রিয় মাতৃভাষা আজ বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন।”অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সরকারিভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সারিবদ্ধভাবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে থাকেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা।

















