পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও ইনসাফের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবে এবং সবাই ন্যায়বিচার পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান চতুর্থ দিনের আপিল আবেদনের বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, যেসব প্রার্থী তাদের মনোনয়নের বৈধতা বা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করছেন, সেসব আবেদন সম্পূর্ণ আইনি ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে। এখানে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী, তাই প্রত্যেক আবেদনকারী ন্যায়বিচার পাবেন।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। প্রার্থীদের মধ্যে সমান সুযোগ সৃষ্টি করা কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
আপিল শুনানি প্রসঙ্গে সিইসি আশ্বস্ত করে বলেন, আপিল শুনানির পুরো প্রক্রিয়া হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ। প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবিচারের সুযোগ থাকবে না।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আপিল আবেদনকারীরা নির্বাচন কমিশনে আসতে শুরু করেছেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ কার্যক্রম চলবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এর আগে গত তিন দিনে মোট ২৯৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বুধবার জমা পড়েছে ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং সোমবার প্রথম দিনে ৪১টি আপিল দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র যাচাই করেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারবে নির্বাচন কমিশন।



















