ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বাঞ্ছারামপুরের হত্যাকাণ্ড; রহস্য উদঘাটন। 

এম কে খোকন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

বাঞ্ছারামপুরের হত্যাকাণ্ড; রহস্য উদঘাটন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মা ও দুই ছেলে সন্তানের হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন নিহত জেকি আক্তারের ভাগনির জামাই জহিরুল ইসলাম (২৫)। শ্বশুরবাড়ির ঝামেলা মিটমাট করতে এসে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তিনজনকে হত্যা করেন তিনি।

 

বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে জেকি আক্তারের ভাগনির জামাই জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বাগত সৌম্যের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

 

জহির তার জবানবন্দিতে জানান, বিয়ের পর থেকে তিনি পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে নানাভাবে চাপে রাখা হতো। আর শ্বশুর-শাশুড়ি তার খালা শাশুড়ির পরামর্শ মতো চলতেন। পারিবারিক ঝামেলা নিষ্পত্তির সহায়তা চাইতে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার খালা শাশুড়ি জেকি আক্তারের বাসায় যান জহির। স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিষয় নিয়ে আলোচনাকালে জেকি আক্তারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার। একপর্যায়ে বটি দিয়ে জেকির মাথার পেছনে ও ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘুমিয়ে থাকা খালা শাশুড়ির বড় ছেলে মাহিন (১৪) জেগে উঠলে তাকেও বটি দিয়ে কোপ দেন জহির। ছোট ছেলে মহিনেরও (৭) ঘুম ভেঙে গেলে তাকেও হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে ফেলে রাখেন। রক্তাক্ত লুঙ্গি ব্যাগে নিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

 

উল্লেখ্য যে,গত মঙ্গলবার সকালে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চর ছয়ানী এলাকার সৌদি প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী ও দুই সন্তানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাঞ্ছারামপুরের হত্যাকাণ্ড; রহস্য উদঘাটন। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

বাঞ্ছারামপুরের হত্যাকাণ্ড; রহস্য উদঘাটন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মা ও দুই ছেলে সন্তানের হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন নিহত জেকি আক্তারের ভাগনির জামাই জহিরুল ইসলাম (২৫)। শ্বশুরবাড়ির ঝামেলা মিটমাট করতে এসে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তিনজনকে হত্যা করেন তিনি।

 

বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে জেকি আক্তারের ভাগনির জামাই জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বাগত সৌম্যের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

 

জহির তার জবানবন্দিতে জানান, বিয়ের পর থেকে তিনি পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে নানাভাবে চাপে রাখা হতো। আর শ্বশুর-শাশুড়ি তার খালা শাশুড়ির পরামর্শ মতো চলতেন। পারিবারিক ঝামেলা নিষ্পত্তির সহায়তা চাইতে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার খালা শাশুড়ি জেকি আক্তারের বাসায় যান জহির। স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিষয় নিয়ে আলোচনাকালে জেকি আক্তারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার। একপর্যায়ে বটি দিয়ে জেকির মাথার পেছনে ও ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘুমিয়ে থাকা খালা শাশুড়ির বড় ছেলে মাহিন (১৪) জেগে উঠলে তাকেও বটি দিয়ে কোপ দেন জহির। ছোট ছেলে মহিনেরও (৭) ঘুম ভেঙে গেলে তাকেও হত্যার পর মরদেহ বাথরুমে ফেলে রাখেন। রক্তাক্ত লুঙ্গি ব্যাগে নিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে যান।

 

উল্লেখ্য যে,গত মঙ্গলবার সকালে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চর ছয়ানী এলাকার সৌদি প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী ও দুই সন্তানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।