ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির জনসভা অনুষ্ঠিত

এম কে খোকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির জনসভা অনুষ্ঠি।

 

নিরপেক্ষ তদারকি সরকারে অধীনে নির্বাচনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার(৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় পৌর শহরস্থ বঙ্গবন্ধু স্কায়ারে অবস্থিত জাতীয় বীর আব্দুল কদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমন্চের মাঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির আয়োজনে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনসভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. অসীম কুমার বর্দ্ধনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রী কমিটির উপদেষ্টা জননেতা কমরেড আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সাধারন সম্পাদক জননেতা কমরেড এড. হাসান তারেক চৌধুরী সোহেল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. সৈয়দ মোঃ জামাল বলেন বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের নামে নেতাকর্মীদের পকেট ভাড়ি করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসী জনসেবায় কোন উন্নয়ন দেখতে পারছে না। তিনি জেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি  জানান। দাবীর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা, সরকারি মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, অবৈধ রিক্সার লাইসেন্স বাতিল, শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদী পাড় দিয়ে নতুন রাস্তা নির্মাণসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান।

ভোটবিহীন সরকার বিধায় সরকার ঘন ঘন বিদ্যুৎ  ও জ্বালানি এবং চালডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায়। অবিলম্বে বিদ্যুৎ সহ সকল নিত্যপণ্য দ্রব্যের দাম কমানোর।

 

জনসভার অতিথির বক্তব্যে বলেন, অবিলম্বে এই সরকার পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধিনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার আহবান জানান। নিরপেক্ষ সরকারে অধীনে নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করতে পারবে না। তাই তারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসার পায়তারা করছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা কারী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে সেলফি তুলছে একদিকে আবার তারাই সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে।  যা কাজের সাথে কথার মিল নেই। তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোটের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতির সমালোচনা করে বলেন, নির্বাচনে সিন্ডিকেট দের মনোনয়ন দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে।  তারাদের কারনেই দেশে জনসাধারণ দু বেলা ভাত খেতে কষ্ট হচ্ছে।  ব্যবসায়িকরা সরকারে মন্ত্রীদের কথা শোনে না। এর কারন রাতে ভোট করা, ভোট চুরি করে নির্বাচিত হওয়া।  তাই আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে হতে হবে।

 

বক্তারা আরো বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে দেশকে মুক্তির লড়াই করেছিলাম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আরেকটি লড়াই করতে হবে এখন। আর সেটা হলো অর্থনৈতিক লড়াই । বর্তমান দেশের অবস্থা গভীর সংকটের দিকে যাচ্ছে। একদল ক্ষমতায় থাকতে চায় আরেক দল ক্ষমতায় যেতে চাই। তারা নির্বাচনের সময় বিদেশীদের লেজুরবৃত্তি করে ক্ষমতায় আসতে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তারা বিদেশী প্রভুদের কাছে গোপনে আতাত করে আবার ক্ষমতায় না থাকলে প্রকাশে আতাত করেন।

 

৫২ বছর আমরা দ্বিদলীয় সরকার দেশ পরিচালিত হয়েছে। এই ব্যবস্থা পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি এই ব্যবস্থা পরিবর্তনে জন্য জনসাধারণকে নিয়ে কাজ করছে।

একদিকে মানুষ ধনী হচ্ছে অন্য দিকে সাধারন মানুষ আরো নিম্নমুখী হচ্ছে। এর কারন দুর্নীতির কারনে হচ্ছে। রাজা যায় রাজা আসে কোন পরিবর্তন হয় না। আমরা এই রীতির পরিবর্তন করে গরিব মানুষের মেহনতি মানুষে চাওয়া প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া এই অবস্থা থেকে উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

এর মাঝে আমরা সাধারন মানুষের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য আকাশ সীমা পৌঁছে যাচ্ছে। সরকারের এসব কর্মকান্ডে লাগাম ধরার কেউ নেই। সিপিবি এই লাগাম ধরার কাজ করছে।

 

এছাড়াও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. সৈয়দ মোঃ জামাল, সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাজিদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক কমরেড আছমা খানম, জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আহমেদ হোসেন , জেলা কমিটির সদস্য অসিত রঞ্জন পাল, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি এম এ রকিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি নাজমুল ইসলাম দারু মিয়া, আল মামুন,  শ্রমিক নেতা সাহেদ মিয়া বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি শোভা পাল, উদিচি সাধারন সম্পাদক, নেতাকর্মীসহ সাংবাদিক, জনসাধারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির জনসভা অনুষ্ঠিত

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমিউনিস্ট পার্টির জনসভা অনুষ্ঠি।

 

নিরপেক্ষ তদারকি সরকারে অধীনে নির্বাচনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার(৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় পৌর শহরস্থ বঙ্গবন্ধু স্কায়ারে অবস্থিত জাতীয় বীর আব্দুল কদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমন্চের মাঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির আয়োজনে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনসভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. অসীম কুমার বর্দ্ধনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রী কমিটির উপদেষ্টা জননেতা কমরেড আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সাধারন সম্পাদক জননেতা কমরেড এড. হাসান তারেক চৌধুরী সোহেল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. সৈয়দ মোঃ জামাল বলেন বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের নামে নেতাকর্মীদের পকেট ভাড়ি করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসী জনসেবায় কোন উন্নয়ন দেখতে পারছে না। তিনি জেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি  জানান। দাবীর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা, সরকারি মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, অবৈধ রিক্সার লাইসেন্স বাতিল, শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদী পাড় দিয়ে নতুন রাস্তা নির্মাণসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান।

ভোটবিহীন সরকার বিধায় সরকার ঘন ঘন বিদ্যুৎ  ও জ্বালানি এবং চালডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায়। অবিলম্বে বিদ্যুৎ সহ সকল নিত্যপণ্য দ্রব্যের দাম কমানোর।

 

জনসভার অতিথির বক্তব্যে বলেন, অবিলম্বে এই সরকার পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধিনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার আহবান জানান। নিরপেক্ষ সরকারে অধীনে নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করতে পারবে না। তাই তারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসার পায়তারা করছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা কারী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে সেলফি তুলছে একদিকে আবার তারাই সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে।  যা কাজের সাথে কথার মিল নেই। তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোটের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতির সমালোচনা করে বলেন, নির্বাচনে সিন্ডিকেট দের মনোনয়ন দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে।  তারাদের কারনেই দেশে জনসাধারণ দু বেলা ভাত খেতে কষ্ট হচ্ছে।  ব্যবসায়িকরা সরকারে মন্ত্রীদের কথা শোনে না। এর কারন রাতে ভোট করা, ভোট চুরি করে নির্বাচিত হওয়া।  তাই আসন্ন নির্বাচন নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে হতে হবে।

 

বক্তারা আরো বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে দেশকে মুক্তির লড়াই করেছিলাম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আরেকটি লড়াই করতে হবে এখন। আর সেটা হলো অর্থনৈতিক লড়াই । বর্তমান দেশের অবস্থা গভীর সংকটের দিকে যাচ্ছে। একদল ক্ষমতায় থাকতে চায় আরেক দল ক্ষমতায় যেতে চাই। তারা নির্বাচনের সময় বিদেশীদের লেজুরবৃত্তি করে ক্ষমতায় আসতে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তারা বিদেশী প্রভুদের কাছে গোপনে আতাত করে আবার ক্ষমতায় না থাকলে প্রকাশে আতাত করেন।

 

৫২ বছর আমরা দ্বিদলীয় সরকার দেশ পরিচালিত হয়েছে। এই ব্যবস্থা পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি এই ব্যবস্থা পরিবর্তনে জন্য জনসাধারণকে নিয়ে কাজ করছে।

একদিকে মানুষ ধনী হচ্ছে অন্য দিকে সাধারন মানুষ আরো নিম্নমুখী হচ্ছে। এর কারন দুর্নীতির কারনে হচ্ছে। রাজা যায় রাজা আসে কোন পরিবর্তন হয় না। আমরা এই রীতির পরিবর্তন করে গরিব মানুষের মেহনতি মানুষে চাওয়া প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া এই অবস্থা থেকে উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

এর মাঝে আমরা সাধারন মানুষের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য আকাশ সীমা পৌঁছে যাচ্ছে। সরকারের এসব কর্মকান্ডে লাগাম ধরার কেউ নেই। সিপিবি এই লাগাম ধরার কাজ করছে।

 

এছাড়াও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এড. সৈয়দ মোঃ জামাল, সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাজিদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক কমরেড আছমা খানম, জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আহমেদ হোসেন , জেলা কমিটির সদস্য অসিত রঞ্জন পাল, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি এম এ রকিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি নাজমুল ইসলাম দারু মিয়া, আল মামুন,  শ্রমিক নেতা সাহেদ মিয়া বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সভাপতি শোভা পাল, উদিচি সাধারন সম্পাদক, নেতাকর্মীসহ সাংবাদিক, জনসাধারণ।