ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলের বউয়ের লাশ রেখে শ্বশুর-শ্বাশুরি উদাও।

এম কে খোকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলের বউয়ের লাশ রেখে শ্বশুর-শ্বাশুরি উদাও

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পারিবারিক কলহের জের দরে কেড়ির বড়ির ট্যাবলেট খেয়ে আত্নহত্যা করতে যাওয়া নাবিলা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই গৃহবধূ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

নাবিলা আক্তার সদর উপজেলা বুধল ইউনিয়ন বেতবাড়িয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে৷

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৬ বছর আগে নাবিলাকে বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড়পুকুর পাড় গ্রামের সৌদি প্রবাসী সুজন মিয়ার কাছে পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর নাবিলার বাবা বাবুল মিয়া নিজের টাকা দিয়ে সুজনকে সৌদি আরবে পাঠান। বিদেশ গিয়ে তার বড়ভাই উসমানের কাছ থেকে একটা জায়গা কিনেন সুজন। এরপর থেকে এ জায়গা নিয়ে শ্বাশুড়ি, দেবরদের সাথে ঝগড়া হতো নাবিলার। আজকে একরকম ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সাথে অভিমান করে কেঁরি পোকা মারার ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। তারপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাবিলা মারা যায়। পরে লাশ হাসপাতালের ট্রলির ওপর রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারন জানার জন্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মেয়ের পরিবারের পক্ষ হতে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলের বউয়ের লাশ রেখে শ্বশুর-শ্বাশুরি উদাও।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছেলের বউয়ের লাশ রেখে শ্বশুর-শ্বাশুরি উদাও

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পারিবারিক কলহের জের দরে কেড়ির বড়ির ট্যাবলেট খেয়ে আত্নহত্যা করতে যাওয়া নাবিলা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই গৃহবধূ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

নাবিলা আক্তার সদর উপজেলা বুধল ইউনিয়ন বেতবাড়িয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে৷

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৬ বছর আগে নাবিলাকে বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড়পুকুর পাড় গ্রামের সৌদি প্রবাসী সুজন মিয়ার কাছে পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর নাবিলার বাবা বাবুল মিয়া নিজের টাকা দিয়ে সুজনকে সৌদি আরবে পাঠান। বিদেশ গিয়ে তার বড়ভাই উসমানের কাছ থেকে একটা জায়গা কিনেন সুজন। এরপর থেকে এ জায়গা নিয়ে শ্বাশুড়ি, দেবরদের সাথে ঝগড়া হতো নাবিলার। আজকে একরকম ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সাথে অভিমান করে কেঁরি পোকা মারার ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। তারপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাবিলা মারা যায়। পরে লাশ হাসপাতালের ট্রলির ওপর রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারন জানার জন্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মেয়ের পরিবারের পক্ষ হতে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবেন।