ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক এসএসসি ও এইচএসসি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মেধাবীবৃত্তি প্রদান।

এম কে খোকন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক এসএসসি ও এইচএসসি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মেধাবীবৃত্তি প্রদান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক ২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি ৩৪১ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং বুদ্ধি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মাঝে বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তায় চেক প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার(৮ সেপ্টম্বর) বিকাল ৪ টাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ টি উপজেলার মধ্যে আখাউড়া, কসবা,বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জসহ মোট ৬ টি উপজেলার ৩৪১ জনকে এ মেধাবৃত্তি ও সম্মাননা দেওয়া হয়। এসময় বুদ্ধি-শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নগদ আর্থিক চক প্রদান করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধ আলহাজ্ব আল মামুন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মাননীয় আইনমন্ত্রী এড. আনিসুল হক এমপি। জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  স্থানীয় সংসদ সদস্য  বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবাদুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, জেলা প্রশাসক মো শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক প্রধান নির্বাহী এম.এম.মাহমুদুর রহমান। প্রেসক্লাবে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো জসিম উদ্দিন,  সাধারন সম্পাদক বাহার উদ্দিন মোল্লার, কসবা ও আখাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মী, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ,  বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকা এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ ছিলেন ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের স্থানীয় সংসদ বলেন,  শিক্ষা যদি বই প্রস্তুক আর খাতার মধ্য সীমাবদ্ধ রাখে তাহলে সেই শিক্ষা পরিবার ও সমাজের কাজে আসবে না। তাই আমি প্রত্যাশা করব পড়াশোনা বই প্রস্তুক ও খাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা সবার নিকট ছড়িয়ে দিতে হবে।শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে ভাল ফলাফল করেছে।তারা খুব কষ্ট করেছেন বলেই আজ স্বীকৃত পাচ্ছেন।
তিনি আরোও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নিজের জীবন,প্রাণ ও স্বপ্ন দিয়ে এই সোনার বাংলাদেশ তৈরী করে গেছেন। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র হিসেবে সারা বিশ্বে আত্নমর্যাদা নিয়ে দাড়িয়েছে।
বঙ্গবন্ধু কে স্বপরিবার হ্ত্যা করে দেশটাকে  বৈরথ রাষ্ট্র করতে অনেক চেস্টা করেছে। পাকিস্তানীদের সাথে সম্পর্ক রাখে এমন রাজাকার আলবদর দের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বের করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয় কাজ করে যাচ্ছেন।
বিশেষ অতিথি বক্তব্য র আ ম মোকতার চৌধিরী বলেন, কূপমন্ডক থেকে বের হয়ে সমাজের শিক্ষার জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে হবে। জ্ঞান একটি মাথার একধরনের পাগড়ীর ভিতরে সীমাবদ্ধ রাখলে তা সমাজ ও রাষ্টের কাজে আসবে না। তাই শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে উৎসাহ প্রদান। উৎসাহ যদি দেওয়া না হয়, স্বীকৃতি যদি দেওয়া না হয় শুধু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেই নয় অফিস আদালতের ক্ষেত্রেও মেধাবীরা থমকে যাবে। মেধাবীদের কে সামর্থ্য অনুযায়ী উৎসাহ প্রদান করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক এসএসসি ও এইচএসসি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মেধাবীবৃত্তি প্রদান।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক এসএসসি ও এইচএসসি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মেধাবীবৃত্তি প্রদান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃক ২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি ৩৪১ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং বুদ্ধি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মাঝে বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তায় চেক প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার(৮ সেপ্টম্বর) বিকাল ৪ টাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ টি উপজেলার মধ্যে আখাউড়া, কসবা,বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জসহ মোট ৬ টি উপজেলার ৩৪১ জনকে এ মেধাবৃত্তি ও সম্মাননা দেওয়া হয়। এসময় বুদ্ধি-শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নগদ আর্থিক চক প্রদান করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধ আলহাজ্ব আল মামুন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মাননীয় আইনমন্ত্রী এড. আনিসুল হক এমপি। জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  স্থানীয় সংসদ সদস্য  বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবাদুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, জেলা প্রশাসক মো শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক প্রধান নির্বাহী এম.এম.মাহমুদুর রহমান। প্রেসক্লাবে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো জসিম উদ্দিন,  সাধারন সম্পাদক বাহার উদ্দিন মোল্লার, কসবা ও আখাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মী, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ,  বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকা এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ ছিলেন ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের স্থানীয় সংসদ বলেন,  শিক্ষা যদি বই প্রস্তুক আর খাতার মধ্য সীমাবদ্ধ রাখে তাহলে সেই শিক্ষা পরিবার ও সমাজের কাজে আসবে না। তাই আমি প্রত্যাশা করব পড়াশোনা বই প্রস্তুক ও খাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা সবার নিকট ছড়িয়ে দিতে হবে।শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে ভাল ফলাফল করেছে।তারা খুব কষ্ট করেছেন বলেই আজ স্বীকৃত পাচ্ছেন।
তিনি আরোও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নিজের জীবন,প্রাণ ও স্বপ্ন দিয়ে এই সোনার বাংলাদেশ তৈরী করে গেছেন। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র হিসেবে সারা বিশ্বে আত্নমর্যাদা নিয়ে দাড়িয়েছে।
বঙ্গবন্ধু কে স্বপরিবার হ্ত্যা করে দেশটাকে  বৈরথ রাষ্ট্র করতে অনেক চেস্টা করেছে। পাকিস্তানীদের সাথে সম্পর্ক রাখে এমন রাজাকার আলবদর দের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বের করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয় কাজ করে যাচ্ছেন।
বিশেষ অতিথি বক্তব্য র আ ম মোকতার চৌধিরী বলেন, কূপমন্ডক থেকে বের হয়ে সমাজের শিক্ষার জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে হবে। জ্ঞান একটি মাথার একধরনের পাগড়ীর ভিতরে সীমাবদ্ধ রাখলে তা সমাজ ও রাষ্টের কাজে আসবে না। তাই শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে উৎসাহ প্রদান। উৎসাহ যদি দেওয়া না হয়, স্বীকৃতি যদি দেওয়া না হয় শুধু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেই নয় অফিস আদালতের ক্ষেত্রেও মেধাবীরা থমকে যাবে। মেধাবীদের কে সামর্থ্য অনুযায়ী উৎসাহ প্রদান করতে হবে।