ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার ও বৈষম্যরোধে অবস্থান কর্মসূচী পালিত। 

এম কে খোকন  (ব্যুরো চীফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিতে আলোচনা সভা, মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

বুধবার(১০ জুলাই) সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচী পালিত হয়। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়ে পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে  গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।  মিছিলে অংগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন, প্লে কার্ড ও স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা।

 

মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবীগুলো উপস্থাপন করেন এবং তাদের যৌক্তিক দাবীগুলো সরকার মেনে না নিলে তারা এই আন্দোলন আরো কঠোরভাবে অবস্থান করবেন বলে হুশিয়ারি দেন।

 

অবস্থান কর্মসূচীতে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এখানে কোনো বৈষম্য চলবে না। আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী, আমরা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী। মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন করা। প্রাইমারিতে ৯৬% কৌটা, রেলওয়েতে ৮২% কৌটা, ১ম শ্রেণির চাকরিতে ৫৬ কৌটা যা সম্পূর্ণ অযোক্তিক। সবকৌটা সংস্কার করে ৫% নিয়ে আসতে হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

 

তারা আরো বলেন, আমরা কোন ঝুলন্ত সিদ্ধান্ত মানতেছি না “সংসদে আইন পাস করে সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন গ্রেডে সকল ধরণের বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কার করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ দাবি নির্বাহী বিভাগ থেকে যতক্ষণ না পূরণ করা হবে আমরা রাজপথে থাকবো। কোটা সংস্কার ও বৈষম্যরোধে ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর আলোকে আমরা রাজপথে থাকব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার ও বৈষম্যরোধে অবস্থান কর্মসূচী পালিত। 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিতে আলোচনা সভা, মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

বুধবার(১০ জুলাই) সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচী পালিত হয়। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়ে পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে  গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।  মিছিলে অংগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন, প্লে কার্ড ও স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা।

 

মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবীগুলো উপস্থাপন করেন এবং তাদের যৌক্তিক দাবীগুলো সরকার মেনে না নিলে তারা এই আন্দোলন আরো কঠোরভাবে অবস্থান করবেন বলে হুশিয়ারি দেন।

 

অবস্থান কর্মসূচীতে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এখানে কোনো বৈষম্য চলবে না। আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী, আমরা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী। মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন করা। প্রাইমারিতে ৯৬% কৌটা, রেলওয়েতে ৮২% কৌটা, ১ম শ্রেণির চাকরিতে ৫৬ কৌটা যা সম্পূর্ণ অযোক্তিক। সবকৌটা সংস্কার করে ৫% নিয়ে আসতে হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

 

তারা আরো বলেন, আমরা কোন ঝুলন্ত সিদ্ধান্ত মানতেছি না “সংসদে আইন পাস করে সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন গ্রেডে সকল ধরণের বৈষম্যমূলক কোটা সংস্কার করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ দাবি নির্বাহী বিভাগ থেকে যতক্ষণ না পূরণ করা হবে আমরা রাজপথে থাকবো। কোটা সংস্কার ও বৈষম্যরোধে ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর আলোকে আমরা রাজপথে থাকব।