ব্রাহ্মপুত্র নদীতে এখন চলছে ঘোড়ার গাড়ি

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১০০ বার পড়া হয়েছে


ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ । নদ নদীর কারণে বাংলাদেশ প্রকৃতি সৌন্দর্যের সুন্দর , সম্পদে সমৃদ্ধ, কৃষি কাজে নদীর অবদান অপরিসীম। শুধু তাই না বিভিন্ন ধরনের মাছের সিংহ ভাগ চাহিদা পূরণ হয় নদী থেকে। আজ বেশিরভাগ নদী তার ন্যাব্যতা হারিয়ে যেতে বসেছে। তার মধ্যে নদী হল ব্রহ্মপুত্র ব্রহ্মপুত্র উপনদী হলো করতোয়া দুধকুমার ধরলা সোয়াতি তিস্তা আত্রাই এবং শাখা নদী বংশী শীতলক্ষ্যা বানানো নদী । ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয় পর্বতমালার কৈলাস শৃঙ্গের নিকট জিমা ইয়ংজং হিমবাহে, যা তিব্বতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।[৩] জাঙপো নামে তিব্বতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে এটি ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে যখন এর নাম হয়ে যায় শিয়াং বা সিয়ং। তারপর আসামের উপর দিয়ে দিহাং নামে বয়ে যাবার সময় এতে দিবং এবং লোহিত নামে আরো দুটি বড় নদী যোগ দেয় এবং তখন সমতলে এসে চওড়া হয়ে এর নাম হয় ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ এর তলদেশ উত্থিত হওয়ার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়। ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে বয়ে যেত। পরবর্তীতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা যমুনা নামে পরিচিত। উৎপত্তিস্থল থেকে এর দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিলোমিটার। ব্রহ্মপুত্র নদ এর সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা যমুনা। ব্রহ্মপুত্রের আরেক শাখা নদী বানার । কিন্তু আজ সেই নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি তাছাড়া মানুষের পায়ে হাঁটার পথ। সরকার যদি নদীর দিকে সুদৃষ্টি না দেয় আমাদের প্রজন্ম শুধু নদীগুলোর নাম শুনবে নদী খুঁজে পাবে না স্থানীয় লোকজনের দাবি নদী খননের মাধ্যমে নদীর দাব্যতা ফিরিয়ে আনা হোক ।












