ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

ব্রাহ্মপুত্র নদীতে এখন চলছে ঘোড়ার গাড়ি 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি মোজাম্মেল হক 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১০০ বার পড়া হয়েছে

ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ । নদ নদীর কারণে বাংলাদেশ প্রকৃতি সৌন্দর্যের সুন্দর , সম্পদে সমৃদ্ধ, কৃষি কাজে নদীর অবদান অপরিসীম। শুধু তাই না বিভিন্ন ধরনের মাছের সিংহ ভাগ চাহিদা পূরণ হয় নদী থেকে। আজ বেশিরভাগ নদী তার ন্যাব্যতা হারিয়ে যেতে বসেছে। তার মধ্যে নদী হল ব্রহ্মপুত্র ব্রহ্মপুত্র উপনদী হলো করতোয়া দুধকুমার ধরলা সোয়াতি তিস্তা আত্রাই এবং শাখা নদী বংশী শীতলক্ষ্যা বানানো নদী । ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয় পর্বতমালার কৈলাস শৃঙ্গের নিকট জিমা ইয়ংজং হিমবাহে, যা তিব্বতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।[৩] জাঙপো নামে তিব্বতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে এটি ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে যখন এর নাম হয়ে যায় শিয়াং বা সিয়ং। তারপর আসামের উপর দিয়ে দিহাং নামে বয়ে যাবার সময় এতে দিবং এবং লোহিত নামে আরো দুটি বড় নদী যোগ দেয় এবং তখন সমতলে এসে চওড়া হয়ে এর নাম হয় ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ এর তলদেশ‌ উত্থিত হ‌ওয়ার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়। ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে বয়ে যেত‌। পরবর্তীতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা যমুনা নামে পরিচিত। উৎপত্তিস্থল থেকে এর দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিলোমিটার। ব্রহ্মপুত্র নদ এর সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা যমুনা। ব্রহ্মপুত্রের আরেক শাখা নদী বানার । কিন্তু আজ সেই নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি তাছাড়া মানুষের পায়ে হাঁটার পথ। সরকার যদি নদীর দিকে সুদৃষ্টি না দেয় আমাদের প্রজন্ম শুধু নদীগুলোর নাম শুনবে নদী খুঁজে পাবে না স্থানীয় লোকজনের দাবি নদী খননের মাধ্যমে নদীর দাব্যতা ফিরিয়ে আনা হোক ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মপুত্র নদীতে এখন চলছে ঘোড়ার গাড়ি 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ । নদ নদীর কারণে বাংলাদেশ প্রকৃতি সৌন্দর্যের সুন্দর , সম্পদে সমৃদ্ধ, কৃষি কাজে নদীর অবদান অপরিসীম। শুধু তাই না বিভিন্ন ধরনের মাছের সিংহ ভাগ চাহিদা পূরণ হয় নদী থেকে। আজ বেশিরভাগ নদী তার ন্যাব্যতা হারিয়ে যেতে বসেছে। তার মধ্যে নদী হল ব্রহ্মপুত্র ব্রহ্মপুত্র উপনদী হলো করতোয়া দুধকুমার ধরলা সোয়াতি তিস্তা আত্রাই এবং শাখা নদী বংশী শীতলক্ষ্যা বানানো নদী । ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয় পর্বতমালার কৈলাস শৃঙ্গের নিকট জিমা ইয়ংজং হিমবাহে, যা তিব্বতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।[৩] জাঙপো নামে তিব্বতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে এটি ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে যখন এর নাম হয়ে যায় শিয়াং বা সিয়ং। তারপর আসামের উপর দিয়ে দিহাং নামে বয়ে যাবার সময় এতে দিবং এবং লোহিত নামে আরো দুটি বড় নদী যোগ দেয় এবং তখন সমতলে এসে চওড়া হয়ে এর নাম হয় ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ এর তলদেশ‌ উত্থিত হ‌ওয়ার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়। ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে বয়ে যেত‌। পরবর্তীতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা যমুনা নামে পরিচিত। উৎপত্তিস্থল থেকে এর দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিলোমিটার। ব্রহ্মপুত্র নদ এর সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা যমুনা। ব্রহ্মপুত্রের আরেক শাখা নদী বানার । কিন্তু আজ সেই নদীর বুকে চলে ঘোড়ার গাড়ি ভ্যান গাড়ি তাছাড়া মানুষের পায়ে হাঁটার পথ। সরকার যদি নদীর দিকে সুদৃষ্টি না দেয় আমাদের প্রজন্ম শুধু নদীগুলোর নাম শুনবে নদী খুঁজে পাবে না স্থানীয় লোকজনের দাবি নদী খননের মাধ্যমে নদীর দাব্যতা ফিরিয়ে আনা হোক ।