ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ মোগরা পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী আশরাফ উদ্দিন সাহেবের পক্ষ থেকে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

সংবাদ দাতা মোঃসিফাত শেখ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে আয় করেছেন ৫ কোটি টাকারও বেশি

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

টমেটো বিক্রি করে ৪৫ দিনেই কোটিপতি হয়ে গেছেন ভারতের এক কৃষক।

ভারতের এক কৃষক টমেটো বিক্রি করে রীতিমতো রেকর্ড তৈরি করেছেন । মাত্র ৪৫ দিনে ভারতীয় মুদ্রায় ৪ কোটি রুপিরও বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার সমান) আয় করেছেন স্রেফ টমেটো বিক্রি করে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতে সম্প্রতি টমেটোর বাজার বেশ চড়া। চড়া বললে ভুল হবে, টমেটোর দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আর ঠিক এই সুযোগটিই নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতোরের মুরালি নামে ৪৮ বছর বয়স্ক এক কৃষক।

মুরালি প্রথম দিকে তাঁর নিকটবর্তী বাজার মাদানাপাল্লেতেই টমেটো বিক্রি করেন। পরে ভালো দামের আশায় টমেটো নিয়ে যান প্রতিবেশী রাজ্য কর্ণাটকেও। আর ফলাফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। টমেটো বিক্রি করে স্রেফ কোটিপতি হয়ে গেছেন মাত্র ৪৫ দিনে।

চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে চিতোরের কারাকামান্ডালা জেলায় ২২ একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেছিলেন। চারা গাছগুলো পরিণত হওয়ার পর থেকে বিগত ৪৫ দিনে তাঁরা ৪০ হাজার ক্রেট টমেটো বিক্রি করেছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি।

মুরালি জানান, টমেটো বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থ তাঁর জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। অতীতে চাষাবাদ করতে গিয়ে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকারও বেশি ঋণে পড়েছিলেন। কিন্তু এবারের টমেটো চাষ তাঁর সেই ঋণ পরিশোধে সহায়ক হয়েছে।

মুরালি বলেন, ভালো ফলনের মূল কারণ ছিল বিদ্যুতের সরবরাহ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল অনেক বেশি। তাই সেচ দিতেও সুবিধা হয়েছে ফলে ফলনও হয়েছে অনেক বেশি। পাশাপাশি টমেটোর ভালো দাম থাকায় তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে।

মুরালি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে টমেটো আমার জন্য এই বিশাল পরিমাণ আয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে’। তিনি জানালেন, কৃষিকাজের সম্প্রসারণের তিনি অর্জিত কিছু অর্থ ব্যয় করবেন।