মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান অলি মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
আবারো মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে পূর্বের বিরোধিতার জের ধরে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ৪ এপ্রিল, রোজ শনিবার আনুমানিক সময় রাত ৯ টায় মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন, ঢালীকান্দি গ্রামের, ৭,৮ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত সন্তাসী। বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতা বাহাদুর সরদার এবং দিদার শিকদারের ইন্দনে পুর্ব মোল্লা বাড়ি গ্রামের কিশোর গ্যাং,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ,ইয়াবা সেবন কারী রাজন মাদবর ওরফে,( ইয়াবা রাজা) ও তার সাথে আরো কয়েকজন মিলে।খাস মোল্লাকান্দি সমাজের রেমিটেন্স যোদ্ধা মালয়েশিয়া প্রবাসি ছুটিতে বাড়িতে আসা।ভুইয়া বাড়ি, চরসেরজাবাদ গ্রাম তার শশুর বাড়ি হইতে আসার পথে পুর্ব মোল্লা বাড়ি কাল বার্ড সংলগ্ন কিছু লোক রাতের অন্ধকারে তাকে ফলো করে।ঠিক সেই মুহুত্তে আসিক ঢালী টের পেয়ে পিছনে টচলাইট মারলে তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আসিকের উপর ত্যারে আসে।এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি অবস্থায় তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগে কেরে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর দাবি ব্যাগের ভীতরে ৩,২,০০০০/- টাকা রাখা ছিলো,কালবার্ড পার হওয়ার পুর্বেই জোড় করে ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং সাথে কয়েক জন মিলে মারদর ও করে। আহত অবস্থায় বাড়িতে আসার পরে স্থানীয় গণ্যমান্য মুরুব্বি দের সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করে।এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নজরে আনার আগেই রাতের অন্ধকারে আবারও বিভিন্ন গ্রাম থেকে কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসবাহিনী বাড়া করে এনে। কিশোর গেং খ্যাত রাজন গং এর সাথে স্থানীয় কিছু লোক মিলে। প্রায় ৫০-৬০ জন ভুক্তভোগী অসহায় এই পরিবারের বসদ ভিটাতে অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।সন্ত্রাসী বাহিনীদের অতর্কিত হামলার সাথে লুটপাট এর ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়।কিছু বুজে উঠার আগেই সবাই একত্রে মিলে অতর্কিত হামলা চালায়।হামলার সাথে জড়িতদের অনেককেই সনাক্ত করা গেছে বলে জানা গেছে।রাজন গং,৪০ পিং আক্কাস মাদবর, দিদার শিকদার( ৪৫) পিতা সোনালি শিকদার,শাহাদাত, (২৬) পিং হাবি সরদার,ইসলাম মাদবর (৩২),পিতা টিটু মাদবর,সাইফুল সরদার,(২৬) পিতা জাকির সরদার,রোকন( ২৫), পিং আমির হোসেন কাজী,তপু দেওয়ান (২৪) পিং আনোয়ার হোসেন দেওয়ান,শাহদাৎ হোসেন, পিং হাবি খানঁ এরা সকলেই পুর্ব মোল্লা বাড়ি নিবাসি।
হামলা কারীরা বিভিন্ন বিদেশী পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র,কয়েকশত কার্টুস,কযেকশত ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়। সবুজ হোসেন ঢালী ও মাহিম হোসেন ঢালী, আসিক হোসেন ঢালী সহ অনেকেই গুরুতর যখম করে। এবং খাস মোল্লা কান্দি সমাজের জাহাঙ্গীর কোরানীর বাড়িতে লুটপাট করে। তার ছেলে বিদেশ থেকে পাঠানো ৩৫,০০০/- টাকা ও অনান্য সকল মালামাল লুটপাট সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর চালায়।যা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকৃত বিডিওতে প্রমান আছে।হামলাকারীরা লুটপাট করে-ই ক্ষ্যান্ত হননি আবারও হামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিতেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান।দীর্ঘ দিন যাবত আওয়ামীলীগ নেতা কুখ্যাত সন্ত্রাসী বাহাদুর সরদার,(৫৫) পিং হানিফ সরদার,মতিন কাজীর হাত কাটার মুল হোতা, শীর্ষ সন্ত্রাসি দিদার শিকদার(৪২) , মোহন মাদবর(৪৬),জানশরীফ মাদবর(৬০), হামলার পরিকল্পনা করে আসছিল। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের এই বিষয়ে সমাধান করার আশ্বাস দিলেও এখনো এই সমস্যার সমাধান হয়নি। যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।তাআমরা বর্তমান প্রসাশনের কাছে এর সুস্ঠ বিচার এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।বর্তমানে খাস মোল্লা কান্দি সমাজের মানুষ খুবই আতংকে দিনযাপন করতেছে।কারন এই দিদার শিকদার এক সময় এলাকার সম্মানীত ব্যাক্তি আব্দুল মতীন কাজী সাহেবের হাত কেটে সৌদি আরবে পালিয়ে যায়।আবার সৌদি আরবে বিভিন্ন মানুষের টাকা পয়সা মেরে এখন দেশে এসে, আবারো সে একই সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হয়েছে।বর্তমান সরকারের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে খাস মোল্লা কান্দি সমাজের মানুষ সহিংসতায় না জড়িয়ে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন সময় সদর থানা একটি ডায়েরি করা হয়েছে।সাধারণ মানুষের দাবি দ্রত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।















