
যশোরের ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ভুক্তভোগীরা।আজ ২৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব সম্মুখে এই মানববন্ধন করে তারা।জনা যায়,৪ দশক ধরে এই দূর্ভোগে মধ্যে আছে তারা। কিন্তু এখনো অব্দি কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় নি। দীর্ঘদিন জলমগ্ন এ অঞ্চলে বাড়ছে চর্মরোগের প্রকোপ। একরাশ ক্ষোভ নিয়ে তাদের আক্ষেপ, তাদের এই দুঃখ কি কোনোদিন শেষ হবে না?তাদের ভাষ্য মতে যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহপাড়ের ৪ লক্ষাধিক মানুষের এমন দুর্দশা। যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ মিনো উইদহ অঞ্চল। পলি পড়ে এই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদী নাব্য হারিয়েছে। ফলে নদী দিয়ে পানি নামছে না। এ অঞ্চলে যত দূর চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। ক্ষেতের ফসল, ঘেরের মাছ সবই কেড়ে নিয়েছে এই পানি। কেড়ে নিয়েছে মানুষের থাকার জায়গাটুকুও। ৪০০ গ্রামের বেশির ভাগ ঘরবাড়ি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি এবং মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। পানির কাছে হেরে যাচ্ছে ভবদহ অঞ্চলের ৪ লাখ মানুষ। তাদের অনেকের ঠাঁই হয়েছে মহাসড়কের ধারে, স্কুল বা আশ্রয়কেন্দ্রে, কেউ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন ভিন্ন এলাকায়।অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, চার দশকে ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হয়নি। তবে পানি সংগ্রাম কমিটির নেতাদের দাবি, চার দশকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। যার সিংহভাগই হয়ে গেছে লুটপাট।
প্রধান সম্পাদক : ফারুক হোসেন | ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ মতিউর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : হাজী মোঃ লিয়াকত আলী,যুগ্ম-সম্পাদক: আব্দুল মালেক,যুগ্ম - সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন , ব্যুরো প্রধান: ফাহারিয়া ইসলাম( মুন) প্রেস এডিটর: মোঃ ফয়সাল হোসেন , মোঃ শান্ত।
যোগাযোগ ০১৭৬৫৮৮৪৪৪৯
দেশপ্রিয়২৪.কম