যেতে হতে পারে ঈদের দিন ছুটি না বাাড়ার আসঙ্কা

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা রমজানের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ঈদের আমেজ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ঈদের ছুটি শুরুও হয়ে গেছে। এখন ছুটির হিসাব কষছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ রোজা হলে এবারের ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে ১০ এপ্রিল বুধবার। আর যদি তাই হয়, ছুটির প্রথম দিন যারা বাড়ির পথে ছুটবেন তাদের ঈদের নামাজ পড়তে হতে পারে যাত্রাপথেই। কারণ সরকার যে ছুটি ঘোষণা করেছে সেই বর্ষপঞ্জি অনুসারে ঈদের ছুটি শুরু ১০ এপ্রিল থেকে। ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস করতে হবে। আর সরকারি ছুটি অনুসরণ করায় বেসরকারি খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। ছুটির বর্ষপঞ্জি বিশ্লেষণ করে এমন চিত্রই মিলছে।সরকার সাধারণত ২৯ রোজা ধরেই বর্ষপঞ্জি তৈরি করে। চাঁদের কারণে ২৯ রোজা শেষে ঈদ না হলে সরকার নির্বাহী আদেশে এক দিন ছুটি বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এবার ৩০ রোজা ধরেই বর্ষপঞ্জি করা হয়েছে। এ কারণে বর্ষপঞ্জিতে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ দেখানো হচ্ছে ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার।ছুটির বিষয়টি কেন তালগোল পাকালো জানতে চাইলে জনপ্রশাসনের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, তাই অনেক সময়ই পরিকল্পনামতো হয় না। কয়েক ঘণ্টা আগে চাঁদ দেখা গেলেই তারিখ বদলে যায়। এবারও অনেকটা ওরকমই হয়ে থাকতে পারে। যাই হোক, বিষয়টি নিয়ে ওপর মহলে আলোচনা আছে। সমাধান হতে পারে। কিন্তু সমাধান করতে গিয়ে দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে কীভাবে পড়তে পারে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘১০ এপ্রিল বুধবার ঈদ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে দূরে থাকতে হলে ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার ছুটি দিতে হবে। ওই সপ্তাহে মাঝখানে কর্মদিবস থাকে শুধু ৮ এপ্রিল সোমবার। এ দিনটিকেও ছুটি দিলে ১০ দিনের লম্বা ছুটি হয়ে যায়। কারণ ৭ এপ্রিল পবিত্র শবেকদরের ছুটি। তার আগের দুদিন ৫ এপ্রিল শুক্র ও ৬ এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এ ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১৪ এপ্রিল ১০ দিনের ছুটি পড়ে যাচ্ছে। তাই বাড়তি ছুটির বিষয়টি উপেক্ষা করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী নির্দেশনা আসে।















