ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রাজশাহীর তানোরে গাছে গাছে দুলছে সজিনা ডাটা এতে লাভবান হচ্ছে কৃষক

রিপোর্টার সাহিদ মন্ডল
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

সজনে গাছের বৈজ্ঞানিক নাম মরিঙ্গা ওলেইফেরা গড়ৎরহমধ ঙষবরভবৎধ, ইংরেজি নাম ড্রামস্টিক ট্রি আবার গবেষকদের মতে ‘মিরাক্কেল ট্রি’ বিস্ময় বৃক্ষ বা অলৌকিক গাছ পুষ্টিবিদদের মতে, সজনে গাছ ৩০০ ধরনের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। সজনের বাকল, শিকড়, ফুল-ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও পুষ্টি ও ঔষধিগুণ থাকায় ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয় সড়ক-মহাসড়কের পাশে, ক্ষেতের আইল, পুকুর পাড় ও বাঁধের ধার খাল-বিল ও নদীর ধার, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা মাঠ, পাড়া-মহল্লায় বসতবাড়ির আঙ্গিনা বিভিন্ন পতিত জমিসহ যে কোন ফাঁকা শুষ্ক জায়গায় সজনে গাছ লাগানো যায়। সজনে চাষে বীজ বা চারাও প্রয়োজন হয় না শুধু ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে রাখলেই ডাল থেকে শাখা-প্রশাখা হয়ে গাছে পরিণত হয়। অবহেলা অযত্নে প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে উঠে ফলে তেমন কোন খরচ হয় না। সজনে চাষে আলাদা কোন জমি বা বিশেষ কোন পদ্ধতি গ্রহণ, রাসায়নিক সার পরিচর্যা বা বালাইনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। সারা বছর সজনে ডাঁটার ফলন পাওয়া যায় তবে গ্রীষ্ম মৌসুমে বেশি। বাড়ির পতিত জমিতে পরিকল্পনা ছাড়াই বেড়ে ওঠা এসব গাছে বছরে একবারই সজনে ডাঁটা ধরে। আবার বারোমাসি নামে আরেক ধরনের সজনে গাছে বছরে তিন থেকে চার বার ফলন পাওয়া যায়। বিনা খরচে সজনে চাষ করে অধিক আয় পাওয়া যায়। তাঁরা নিজ উদ্যোগে সজনে গাছ লাগিয়ে থাকেন তবে কৃষি বিভাগও কৃষকদের জমিতে সজনের চাষ করতে উৎসাহিত করছেন। প্রতিটি গাছে গড়ে প্রায় ১৫-৩০ কেজি সজনে ডাঁটা হয় স্থানীয়ভাবে বিক্রয়ের পাশাপাশি হাট-বাজার থেকে পাইকাররা সজনে ডাঁটা কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানী করছেন। সজনের ডাঁটা ও পাতা বিক্রয় করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীর তানোরে গাছে গাছে দুলছে সজিনা ডাটা এতে লাভবান হচ্ছে কৃষক

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

সজনে গাছের বৈজ্ঞানিক নাম মরিঙ্গা ওলেইফেরা গড়ৎরহমধ ঙষবরভবৎধ, ইংরেজি নাম ড্রামস্টিক ট্রি আবার গবেষকদের মতে ‘মিরাক্কেল ট্রি’ বিস্ময় বৃক্ষ বা অলৌকিক গাছ পুষ্টিবিদদের মতে, সজনে গাছ ৩০০ ধরনের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। সজনের বাকল, শিকড়, ফুল-ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও পুষ্টি ও ঔষধিগুণ থাকায় ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয় সড়ক-মহাসড়কের পাশে, ক্ষেতের আইল, পুকুর পাড় ও বাঁধের ধার খাল-বিল ও নদীর ধার, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা মাঠ, পাড়া-মহল্লায় বসতবাড়ির আঙ্গিনা বিভিন্ন পতিত জমিসহ যে কোন ফাঁকা শুষ্ক জায়গায় সজনে গাছ লাগানো যায়। সজনে চাষে বীজ বা চারাও প্রয়োজন হয় না শুধু ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে রাখলেই ডাল থেকে শাখা-প্রশাখা হয়ে গাছে পরিণত হয়। অবহেলা অযত্নে প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে উঠে ফলে তেমন কোন খরচ হয় না। সজনে চাষে আলাদা কোন জমি বা বিশেষ কোন পদ্ধতি গ্রহণ, রাসায়নিক সার পরিচর্যা বা বালাইনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। সারা বছর সজনে ডাঁটার ফলন পাওয়া যায় তবে গ্রীষ্ম মৌসুমে বেশি। বাড়ির পতিত জমিতে পরিকল্পনা ছাড়াই বেড়ে ওঠা এসব গাছে বছরে একবারই সজনে ডাঁটা ধরে। আবার বারোমাসি নামে আরেক ধরনের সজনে গাছে বছরে তিন থেকে চার বার ফলন পাওয়া যায়। বিনা খরচে সজনে চাষ করে অধিক আয় পাওয়া যায়। তাঁরা নিজ উদ্যোগে সজনে গাছ লাগিয়ে থাকেন তবে কৃষি বিভাগও কৃষকদের জমিতে সজনের চাষ করতে উৎসাহিত করছেন। প্রতিটি গাছে গড়ে প্রায় ১৫-৩০ কেজি সজনে ডাঁটা হয় স্থানীয়ভাবে বিক্রয়ের পাশাপাশি হাট-বাজার থেকে পাইকাররা সজনে ডাঁটা কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানী করছেন। সজনের ডাঁটা ও পাতা বিক্রয় করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা