ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি শেষ নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পবিত্র শবে বরাতে শান্তি, রহমত ও মাগফিরাত কামনায় জাইমা রহমানের বার্তা জাইমা রহমানের সালাম নিন নতুন করে গড়বে দেশ, প্রজন্মের বাংলাদেশ, ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী গাংনী জামায়াত প্রার্থী নাজমুল হুদার নির্বাচনী প্রচারণা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মুন্সিগঞ্জ-১ শ্রীনগর সিরাজদিখান এমপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ধানের শীষ প্রতীক নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা।  দুর্নীতির শীর্ষে পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন ভূঁইয়া অবৈধ আয়, অনুমোদনহীন ভবন ও শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে

শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

আজ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের মহানায়ক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর জন্মদিন। এই দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং এক অকুতোভয় দেশপ্রেমিক নেতাকে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর সেই দৃঢ় কণ্ঠস্বর দিশেহারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল এবং স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর দেশ যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট ও দিশাহীনতায় নিমজ্জিত, তখন জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়তা ও বাস্তববাদী নেতৃত্বের পরিচয় দেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন দর্শন, কৃষি ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির সূচনা—সব মিলিয়ে তিনি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত রচনা করেন।

“বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ” দর্শনের মাধ্যমে তিনি জাতিকে একটি ঐক্যবদ্ধ পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করেন। তাঁর শাসনামলে দেশের আত্মমর্যাদা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় হয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি সম্মানজনক অবস্থান অর্জন করে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন, তিনি ছিলেন সাহস, সততা ও দেশপ্রেমের প্রতীক। তাঁর জীবনাদর্শ আজও নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। অনেকের মতো তিনিও বহু মানুষের প্রথম আইডল—যাঁর আদর্শ অনুসরণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক নির্মম হত্যাকাণ্ডে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। কিন্তু তাঁকে হত্যা করেও তাঁর আদর্শ, অবদান ও জনপ্রিয়তাকে মুছে ফেলা যায়নি। তিনি আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।

জন্মদিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসী তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাঁর স্বপ্নের শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করছে।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অমর হোক।বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শুভ জন্মদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ককে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার : রফিকুল ইসলাম

আজ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের মহানায়ক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর জন্মদিন। এই দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং এক অকুতোভয় দেশপ্রেমিক নেতাকে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর সেই দৃঢ় কণ্ঠস্বর দিশেহারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল এবং স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর দেশ যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট ও দিশাহীনতায় নিমজ্জিত, তখন জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়তা ও বাস্তববাদী নেতৃত্বের পরিচয় দেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন দর্শন, কৃষি ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির সূচনা—সব মিলিয়ে তিনি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত রচনা করেন।

“বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ” দর্শনের মাধ্যমে তিনি জাতিকে একটি ঐক্যবদ্ধ পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করেন। তাঁর শাসনামলে দেশের আত্মমর্যাদা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় হয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি সম্মানজনক অবস্থান অর্জন করে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন, তিনি ছিলেন সাহস, সততা ও দেশপ্রেমের প্রতীক। তাঁর জীবনাদর্শ আজও নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। অনেকের মতো তিনিও বহু মানুষের প্রথম আইডল—যাঁর আদর্শ অনুসরণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক নির্মম হত্যাকাণ্ডে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। কিন্তু তাঁকে হত্যা করেও তাঁর আদর্শ, অবদান ও জনপ্রিয়তাকে মুছে ফেলা যায়নি। তিনি আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।

জন্মদিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসী তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাঁর স্বপ্নের শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করছে।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অমর হোক।বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।