সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা ধর্ম যার যার উৎসব সবার

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
পটুয়াখালী জেলা রংতুলির শেষ টান পড়ছে দেবী দূর্গা সহ সকল প্রতিমায়
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় আয়োজন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে গলাচিপা উপজেলা বইছে উৎসবের আমেজ। পূজার প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। মন্দিরে মন্দিরে শিল্পীরা এখন ব্যস্ত রংতুলির শেষ টানে প্রতিমাকে জীবন্ত করে তোলার কাজে।
গত রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা বহনকারী মহালয়া।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে পাঁচ দিনের দুর্গাপূজা, যা শেষ হবে ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে।
গলাচিপা উপজেলা প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমাশিল্পীরা। শেষ মুহূর্তের রংতুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে নতুন রূপে সাজিয়ে তুলছেন তাঁরা।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে পূজামণ্ডপে দেখা যায়, প্রতিমার সাজসজ্জা ও রঙের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মণ্ডপের আলোকসজ্জা, প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজও চলছে দ্রুতগতিতে।
পূজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান, এলাকার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় মণ্ডপ করতে তাঁরা নিরলস পরিশ্রম করছেন। জাঁকজমকপূর্ণ এই পূজায় সবাইকে একাধিকবার মণ্ডপে এসে উৎসব উপভোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গা গজে (হাতি) চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন, যা শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। আর দোলায় চড়ে কৈলাশে প্রত্যাবর্তন করবেন, যা কিছুটা অশুভ সংকেত বহন করে।এ বছর পটুয়াখালী জেলা পুজামন্ডবসহ
এবং পুরো জেলায় প্রায় ১৮৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা হবে।
পূজা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার (এসপি) বলেন, পূজা উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে—পূজার আগে, পূজাকালীন ও পূজার পর। তিনি বলেন, প্রত্যেক পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য আয়োজকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃআশাদুর রহমান গলাচিপা উপজেলা তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা বা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















