ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা শীর্ষক আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আক্তার 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান,অদলীয় রাজনীতি ও সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তারা ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, অদলীয় রাজনীতি ও সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা নিয়ে আলোচনা করেন।প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন স্বরূপ হাসান শাহীন।সভায় সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং শাসনব্যবস্থা সম্বলিত (১৯৯৭-২০১৫ সালে প্রস্তাবিত) সিরাজুল আলম খান-এর ১৪ দফা প্রস্তাবনা গুলো হলো,

১. ‘ফেডারেল’ পদ্ধতির কেন্দ্রীয় সরকার। বা রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্র প্রধান। জাতীয় ‘প্রতিরক্ষণ বিভাগ’ রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকবে। খ. একজন উপ-রাষ্ট্রপতি থাকবেন এবং উচ্চকক্ষে’র অধ্যক্ষ হবেন। গ. সংসদীয় ব্যবস্থা থাকবে। নিম্নকক্ষ ও উচ্চক তমক্ষ’ নিয়ে ‘আতীতে-সংসদ (পার্লামেন্ট) হবে দুইওক্ষা বিশিষ্ট। ঘ. প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান এবং নির্বাহী প্রধান। ৪. বাংলাদেশে কয়েকটি প্রদেশ থাকবে। চ নির্বাচিত প্রাদেশিক সরকার থাকবে। ছ. উপজেলা ভিত্তিক ‘স্ব-শাসিত স্থানীয় সরকার’ ব্যবস্থা থাকবে। ২. নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ’ সমন্বয়ে দেশের ‘জাতীয় সংসদ’ (পার্লামেন্ট) হবে ‘দুইকক্ষ’ বিশিষ্ট। ক নিম্নকক্ষ ৩০০ সদস্য।

রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত এলাকা ভিত্তিক প্রতিনিধি। খ. ‘উচ্চকক্ষ’ ২০০ সদস্য। উচ্চকক্ষে?’ শ্রম- কর্ম-পেশার প্রতিনিধি, • নারীদের প্রতিনিধি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার (আদিবাসী) প্রতিনিধি, প্রদেশের প্রতিনিধি, মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের (সিটি কর্পোরেশন) এপ্রতিনিধি, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত বাক্তিগণ, প্রবাসীদের প্রতিনিধি (১০ জন)। গ. প্রার্থী প্রত্যাহার’ ব্যবস্থা, • উদ্যোগ গ্রহণ ব্যবস্থা, ‘আস্থা-অনাস্থা ভোট ব্যবস্থা থাকবে। খ. আতীয় সংসদের (উভয় ‘কঞ্চ’) মেয়াদকাল হবে ৩/৪ (তিন/চাত) বছর।

৩. জাতীয় সংসদের সকল দলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একটি ‘জাতীয় ঐকমতা’ সরকার গঠন: কা সংখ্যাগরিষ্ঠ দল থেকে প্রধানমন্ত্রী, নিকটতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল থেকে সহ-প্রধানমন্ত্রী হবেন। জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ’ থেকে সদস্য নিয়ে ‘মন্ত্রিপরিষদ’ গঠিত হবে।৪

. বাংলাদেশে সাত (৭) অথবা নয়টি (৯) প্রদেশ থাকবে। ক. প্রত্যেক প্রদেশের নির্বাচিত ‘প্রাদেশিক পরিষদ’ এবং ‘প্রাদেশিক সরকার

থাকবে। খ. ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’র (আদিবাসী) জনগণের জন্য একটি প্রদেশ অবশ্যই থাকবে। গ. উপজেলা পরিষদকে প্রকৃত অর্থে স্ব শাসিত’ করার জন্য শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। উপজেলা প্রশাসন সংসদ সদস্য এবং আমলা প্রভাব মুক্ত থাকবে। ৫. নির্বাচনকালীন সরকার গঠন: ক. রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্টেটর ‘উচ্চকক্ষ’ থেকে নির্দলীয় সদসাদের নিয়ে ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ গঠন করবেন। এইভাবে গঠিত নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ, প্রাদেশিক পরিষদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্ট-এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে

৬. স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন: ক, ‘নির্বাচন কমিশন’ হবে পৃথক, স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ। নির্বাচন কমিশন’ ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।

৭. রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ক. রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই নির্দলীয় বা অদলীয় ব্যক্তি হতে হবে। খ. উপ-রাষ্ট্রপতি ‘উচ্চকক্ষে’র অধ্যক্ষ থাকবেন।

৮. উভয় ‘কক্ষ’ থেকে সদস্য নিয়ে ‘সংসদীয় কমিটি’: মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সচিবগণা, পিএসসি, অডিট কমিটির সদস্যগণ ‘সংসদীয় কমিটি’ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। . জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন: রাষ্ট্রপতির অধীনে ‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠিত হবে। উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সহ-

৯ প্রধানমন্ত্রী অথবা বিরোধীদলীয় নেতা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনী প্রধান, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড, আনসার ও ভিডিপি প্রধানগণ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের প্রধানগণ, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, • ‘রাজনৈতিক প্রযুক্তি’তে দক্ষ/বিশেষজ্ঞ সদস্য জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলে থাকবেন। আইন বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী,

১০. সাংবিধানিক আদালত গঠন। ক. প্রধান বিচারপতির অধীনে অবসরপ্রাপ্ত ছয় (৬) জন বিচারপতিসহ সাত (৭) জন নিয়ে গঠিত হবে। খ. সংবিধান সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে ‘সাংবিধানিক আদালত’ সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে গণ্য হবে।

১১. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল গঠন: ক. সকল ট্রেড ইউনিয়ন এবং কর্ম-পেশার এসোসিয়েশন-এর প্রতিনিধি নিয়ে ৯০০ সদসাবিশিষ্ট ‘জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল’ গঠন করতে হবে।

১২. স্থায়ী সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন: ক. প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ‘স্থায়ী জুডিসিয়াল কাউন্সিল’ গঠিত হবে। খ. বিচার বিভাগ পৃথক ও স্বাধীন থাকবে। গ. প্রতিটি প্রদেশে হাইকোর্ট থাকবে। ঘ. উপজেলা পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা বিস্তৃত হবে। ৩. ‘জুরি ব্যবস্থা’ প্রবর্তনের চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। চ. মানবাধিকার বিষয়ে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ থাকবে।

১৩. উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট (ধারণাপত্র): বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, ভারতের ১০টি প্রদেশ (বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড ও মিজোরাম), মায়ানমারের ‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল’ এবং চীনের ‘কুনমিং প্রদেশ’ নিয়ে ‘উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারণাপত্রে’র ভিত্তিতে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

১৪. দরিদ্র নারী ও পুরুষের জন্য ‘মাইক্রো ক্রেডিট’ (micro-credit) ব্যবস্থা থাকবে বৃহৎ পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘সামাজিক ব্যবসা’

social business) চালু করা হবে প্রবাসীদের অর্থায়নে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’গড়ে তোলা হবে প্রতি নাগরিকের বছরে আয় ২ (দুই) লক্ষ টাকা নিশ্চিত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা শীর্ষক আলোচনা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান,অদলীয় রাজনীতি ও সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তারা ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, অদলীয় রাজনীতি ও সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা নিয়ে আলোচনা করেন।প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন স্বরূপ হাসান শাহীন।সভায় সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং শাসনব্যবস্থা সম্বলিত (১৯৯৭-২০১৫ সালে প্রস্তাবিত) সিরাজুল আলম খান-এর ১৪ দফা প্রস্তাবনা গুলো হলো,

১. ‘ফেডারেল’ পদ্ধতির কেন্দ্রীয় সরকার। বা রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্র প্রধান। জাতীয় ‘প্রতিরক্ষণ বিভাগ’ রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকবে। খ. একজন উপ-রাষ্ট্রপতি থাকবেন এবং উচ্চকক্ষে’র অধ্যক্ষ হবেন। গ. সংসদীয় ব্যবস্থা থাকবে। নিম্নকক্ষ ও উচ্চক তমক্ষ’ নিয়ে ‘আতীতে-সংসদ (পার্লামেন্ট) হবে দুইওক্ষা বিশিষ্ট। ঘ. প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান এবং নির্বাহী প্রধান। ৪. বাংলাদেশে কয়েকটি প্রদেশ থাকবে। চ নির্বাচিত প্রাদেশিক সরকার থাকবে। ছ. উপজেলা ভিত্তিক ‘স্ব-শাসিত স্থানীয় সরকার’ ব্যবস্থা থাকবে। ২. নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ’ সমন্বয়ে দেশের ‘জাতীয় সংসদ’ (পার্লামেন্ট) হবে ‘দুইকক্ষ’ বিশিষ্ট। ক নিম্নকক্ষ ৩০০ সদস্য।

রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত এলাকা ভিত্তিক প্রতিনিধি। খ. ‘উচ্চকক্ষ’ ২০০ সদস্য। উচ্চকক্ষে?’ শ্রম- কর্ম-পেশার প্রতিনিধি, • নারীদের প্রতিনিধি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার (আদিবাসী) প্রতিনিধি, প্রদেশের প্রতিনিধি, মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের (সিটি কর্পোরেশন) এপ্রতিনিধি, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত বাক্তিগণ, প্রবাসীদের প্রতিনিধি (১০ জন)। গ. প্রার্থী প্রত্যাহার’ ব্যবস্থা, • উদ্যোগ গ্রহণ ব্যবস্থা, ‘আস্থা-অনাস্থা ভোট ব্যবস্থা থাকবে। খ. আতীয় সংসদের (উভয় ‘কঞ্চ’) মেয়াদকাল হবে ৩/৪ (তিন/চাত) বছর।

৩. জাতীয় সংসদের সকল দলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একটি ‘জাতীয় ঐকমতা’ সরকার গঠন: কা সংখ্যাগরিষ্ঠ দল থেকে প্রধানমন্ত্রী, নিকটতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল থেকে সহ-প্রধানমন্ত্রী হবেন। জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ’ থেকে সদস্য নিয়ে ‘মন্ত্রিপরিষদ’ গঠিত হবে।৪

. বাংলাদেশে সাত (৭) অথবা নয়টি (৯) প্রদেশ থাকবে। ক. প্রত্যেক প্রদেশের নির্বাচিত ‘প্রাদেশিক পরিষদ’ এবং ‘প্রাদেশিক সরকার

থাকবে। খ. ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’র (আদিবাসী) জনগণের জন্য একটি প্রদেশ অবশ্যই থাকবে। গ. উপজেলা পরিষদকে প্রকৃত অর্থে স্ব শাসিত’ করার জন্য শ্রম-কর্ম-পেশার জনগণের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। উপজেলা প্রশাসন সংসদ সদস্য এবং আমলা প্রভাব মুক্ত থাকবে। ৫. নির্বাচনকালীন সরকার গঠন: ক. রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্টেটর ‘উচ্চকক্ষ’ থেকে নির্দলীয় সদসাদের নিয়ে ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ গঠন করবেন। এইভাবে গঠিত নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ, প্রাদেশিক পরিষদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্ট-এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে

৬. স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন: ক, ‘নির্বাচন কমিশন’ হবে পৃথক, স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ। নির্বাচন কমিশন’ ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।

৭. রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ক. রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই নির্দলীয় বা অদলীয় ব্যক্তি হতে হবে। খ. উপ-রাষ্ট্রপতি ‘উচ্চকক্ষে’র অধ্যক্ষ থাকবেন।

৮. উভয় ‘কক্ষ’ থেকে সদস্য নিয়ে ‘সংসদীয় কমিটি’: মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সচিবগণা, পিএসসি, অডিট কমিটির সদস্যগণ ‘সংসদীয় কমিটি’ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। . জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন: রাষ্ট্রপতির অধীনে ‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠিত হবে। উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সহ-

৯ প্রধানমন্ত্রী অথবা বিরোধীদলীয় নেতা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনী প্রধান, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড, আনসার ও ভিডিপি প্রধানগণ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের প্রধানগণ, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, • ‘রাজনৈতিক প্রযুক্তি’তে দক্ষ/বিশেষজ্ঞ সদস্য জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলে থাকবেন। আইন বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী,

১০. সাংবিধানিক আদালত গঠন। ক. প্রধান বিচারপতির অধীনে অবসরপ্রাপ্ত ছয় (৬) জন বিচারপতিসহ সাত (৭) জন নিয়ে গঠিত হবে। খ. সংবিধান সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে ‘সাংবিধানিক আদালত’ সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে গণ্য হবে।

১১. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল গঠন: ক. সকল ট্রেড ইউনিয়ন এবং কর্ম-পেশার এসোসিয়েশন-এর প্রতিনিধি নিয়ে ৯০০ সদসাবিশিষ্ট ‘জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল’ গঠন করতে হবে।

১২. স্থায়ী সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন: ক. প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ‘স্থায়ী জুডিসিয়াল কাউন্সিল’ গঠিত হবে। খ. বিচার বিভাগ পৃথক ও স্বাধীন থাকবে। গ. প্রতিটি প্রদেশে হাইকোর্ট থাকবে। ঘ. উপজেলা পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থা বিস্তৃত হবে। ৩. ‘জুরি ব্যবস্থা’ প্রবর্তনের চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। চ. মানবাধিকার বিষয়ে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ থাকবে।

১৩. উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট (ধারণাপত্র): বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, ভারতের ১০টি প্রদেশ (বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড ও মিজোরাম), মায়ানমারের ‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল’ এবং চীনের ‘কুনমিং প্রদেশ’ নিয়ে ‘উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারণাপত্রে’র ভিত্তিতে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

১৪. দরিদ্র নারী ও পুরুষের জন্য ‘মাইক্রো ক্রেডিট’ (micro-credit) ব্যবস্থা থাকবে বৃহৎ পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘সামাজিক ব্যবসা’

social business) চালু করা হবে প্রবাসীদের অর্থায়নে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’গড়ে তোলা হবে প্রতি নাগরিকের বছরে আয় ২ (দুই) লক্ষ টাকা নিশ্চিত করা হবে।